| | |
এই মুহূর্তে ::
কলকাতার নব্য কাজিয়ার দুর্গা : অসিত দাস SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (সপ্তম কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার আমাদের নিখোঁজ শিশুরা: সংখ্যার বাইরে যে প্রশ্নগুলো জরুরি : নিকোলাস বিশ্বাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে নয়া পুঁজিবাদ : সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (ষষ্ঠ কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (পঞ্চম কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার হাসানের ইতিহাস ও বর্তমান ছুঁয়ে : নন্দিনী অধিকারী গান্ধীজী : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কবরের ইতিহাস : সসীমকুমার বাড়ৈ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (চতুর্থ কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার ছেলে বেলার পুজো : সুব্রত দত্ত SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (তৃতীয় কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার শাশ্বত বোস-এর গল্প ‘সর্বভূক’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (দ্বিতীয় কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার শত সুরের সারস্বত সাধক — নলিনীকান্ত সরকার : রিঙ্কি সামন্ত পীযূষ কান্তি দাস-এর ছোটগল্প ‘ঝন্টু মামা ও তাঁর শিকারের গল্প’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (প্রথম কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফেরা — বর্তমান পরিস্থিতিতে একট চ্যালেঞ্জ : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিশ্বজিৎ মণ্ডল-এর ছোটগল্প ‘আদমের চোখ’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার পার্থ সারথি পাত্র-র ছোটগল্প ‘টাইম-ব্যাঙ্ক’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সার্ধশতবর্ষে কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও শতবর্ষে সুরসম্রাট ভূপেন হাজারিকার স্মরণে : যশোবন্ত রায়
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com, আমাদের পোর্টালের কিছু ছবি বাদে প্রায় সব ছবিই অন্তর্জাল থেকে সংগ্রহ করা হয়। কারুর যদি কপিরাইট থাকে জানাবেন। আমরা সেই ছবি পোর্টাল থেকে ডিলিট করে দেব।

শ্রাবণ পুত্রদা একাদশী : রিঙ্কি সামন্ত

Reporter
রিঙ্কি সামন্ত / ১১৫৬ Views জন পড়েছেন
আপডেট সোমবার, ৮ আগস্ট, ২০২২

শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিকে বলা হয় পবিত্রা বা পুত্রদা একাদশী তিথি। মানুষের একাদশ ইন্দ্রিয়ের অধিষ্ঠাত্রী একাদশী দেবী। শাস্ত্র বলে, একাদশী ব্রত পালন করলে একাদশ ইন্দ্রিয়ের সংযম হয়। ইন্দ্রিয় সংযম হলে লোভ, ঈর্ষা, দম্ভ, আত্মঅহংকার ইত্যাদিতে অঙ্কুশ আনা সম্ভব। যা আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

শাস্ত্রে যে চৌষট্টি প্রকার ভক্তাঙ্গের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে একাদশী ব্রত সর্বত্তোম। শ্রী শ্রী পবিত্রা একাদশী দেবী তাঁর ভক্তদের মনের বিষয়াসক্ত বাসনাকে দূর করে মনকে বিশুদ্ধ জ্ঞানের আলোকে আলোকময় করে ভগবৎ কৃপা এবং করুণালাভে সহায়তা করে থাকে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পাণ্ডবদের এই কাহিনী বলেছিলেন।

পুত্রদা একাদশীর ব্রতকথা :

পুরাকালে দ্বাপর যুগের সূচনাতে মহিষ্মতী পুরীর রাজা ছিলেন মহিজিৎ। তিনি ছিলেন নানান সদগুন সম্পন্ন। কিন্তু তার মনে বিন্দুমাত্র সুখ ছিলোনা। রাজা ছিলেন অপুত্রক। সর্বদাই মনে পূর্ণতার অভাব বোধ করতেন রাজা। রাজার এই দুঃখ দেখে, রাজভক্ত পুরোহিত ব্রাহ্মণগণ রাজার মনকষ্ট নিবারণ ও মঙ্গলের জন্য সর্বশাস্ত্র বিশারদ ধর্মতত্ত্বজ্ঞ ও ত্রিকালজ্ঞ ঋষি লোমশ মুনির কাছে রাজাকে যাবার প্রস্তাব দেন।

রামকথার অন্যতম বক্তা দীর্ঘায়ু, নীরোগ, নিরাহারে ঘোর উপাসনায় মগ্ন থাকতেন লোমাশ মুনি। শরীরের অতিরিক্ত চুলের কারণে তিনি এই নামটি পেয়েছেন। কিংবদন্তি বলে যে, তিনি একশত বছর ধরে পদ্মফুল দিয়ে ভগবান শিবের পূজা করেছিলেন। যার কারণে তিনি বর পেয়েছিলেন যে ব্রহ্মার এককল্প অতিবাহিত হলে ঋষির শরীরের একটি মাত্র লোম খসে পড়বে।

যাই হোক, মুনিবর রাজার কাছ থেকে তাঁর জীবনের দুঃখের কারণ জানতে চান। রাজা সবিস্তারে তার কথা জানান। এরপর লোমশ মুনি ধ্যানে জানতে পারেন, রাজা পূর্ব জন্মে এক দরিদ্র বৈশ্য ছিলেন। ব্যবসাই ছিলো জীবনের মুখ্য উদ্দেশ্য। তাঁর মন ছিলো অপসংস্কৃতিতে ভরা। জৈষ্ঠ্য মাসের শুক্লপক্ষের দশমীর দিনে তৃষ্ণার্ত ব্যবসায়ীটি গ্রামের প্রান্তে একটি জলাশয়ে জলপান করতে যান। সেই সময় জলপান করতে আসা একটি গাভী ও তার বাছুরকে তাড়িয়ে দিয়ে তিনি জলপান করেন। এতে তার পাপ হয় গুরুতর। গত জন্মের সেই পাপের ফল হিসেবে বর্তমানে তাঁর এই দুঃখজনক পরিস্থতির সৃষ্টি হয়েছে।

এই পরিস্থতি থেকে মুক্তিলাভের জন্য তিনি রাজা মহিজিৎকে শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষে পবিত্রা একাদশী পালনের উপদেশ দেন। মুনির নির্দেশ অনুযায়ী নিয়ম নিষ্ঠা সহযোগে ভক্তিভরে রাজা-রানী এই ব্রত পালন করে। যথাসময়ে রানীর কোল আলো করে বলিষ্ঠ, সর্বাঙ্গসুন্দর এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। ব্রত পালন করে রাজার মনের কষ্ট দুর হয়, পূর্ন হয় মনের ইচ্ছা।

তাই জন্য একে বলা হয় শ্রাবণ পুত্রদা একাদশী।

বলা হয়, এই ব্রতের প্রভাবে নিঃসন্তান দম্পতি সন্তান লাভ করে।

এবছর শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও ভোলানাথ শিবের তিথি একত্রে পড়েছে। বিষ্ণু কে তুলসী দ্বারা, শিবকে বেলপাতা দিয়ে পুজা করা হয়। পুরাণে বিভিন্ন শাস্ত্রে একাদশী পালনের উপবাস সম্পর্কে নিয়ম নীতির উল্লেখ্য করা আছে।

আট বছরের নীচে শিশু এবং অশীতিপর বৃদ্ধ, অশক্ত, অপটু, রোগী, উন্মাদ-কে একাদশী পালনের পক্ষে অনুপযোগী বলে গন্য করা হয়। একাদশী-তে উপবাসের কথা বলা হয়েছে। তবে অনাহারে উপবাস করাটাই মুখ্য উদ্দেশ্য নয়।’উপ’ অর্থাৎ নিকটে, ‘বাস’ অর্থাৎ অবস্থান করা। একসাথে বললে, শ্রীহরির নিকটে অবস্থান করাই হলো একাদশী ব্রত পালন।

মহিষ্মতী পুরীর রাজা ছিলেন মহিজিৎ।

কলিযুগে সরল ভক্তি ও ভগবৎ প্রীতি হচ্ছে ঈশ্বর সাধনার একমাত্র সহজ উপায়। শ্রবণ, কীর্তন, মননের মধ্যে দিয়ে কৃষ্ণপ্রেম পাওয়াই একাদশীর মুখ্য উদ্দেশ্য।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শ্রীমদ্ভগবদগীতায় অর্জুনকে বলেছেন, যা কিছুই আহার করবে তাই যেন প্রথমে ঈশ্বর-কে সমর্পণ করে গ্রহণ করা হয়। তাইতো রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব বলতেন, — একাদশী করা ভালো। “কলিতে অন্নগত প্রাণী। উপবাসী থাকলে ঈশ্বরের দিকে মন যায় না। “মিছরির জল, শরবৎ, ডাবের জল, খই-দুধ খেতে বলতেন। বলতেন, খই দুধ সাত্বিক আহার।

আধুনিক মানুষ বিশ্বাস করুক বা নাই করুক, ব্রতকথার মধ্যে থাকে সামাজিক বিধানকথা। বিশ্বাস ও পালনের মধ্যে থাকে মঙ্গলবোধ। আর এই মঙ্গলবোধই সমাজ সংসারের জিয়নকাঠি।

“অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য ব্রতেনানেন কেশব, /প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব”।।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার : কৃষ্ণদ্বৈপায়ন মহাভারত, ব্রতকথা… ড শীলা বসাক ও অন্যান্য।।

আপনার মতামত লিখুন :

4 responses to “শ্রাবণ পুত্রদা একাদশী : রিঙ্কি সামন্ত”

  1. তপন says:

    প্রতিবেদন টি থেকে নুতন কিছু জানতে পারলাম।
    ধন্যবাদ।

  2. Pallab dey says:

    পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বনে একটি অনবদ্য লেখা,,, ধন্যবাদ জানাই????????

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন

Currently Maintained by the2.dev