১৯৩২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার যখন আত্মাহুতি দেন, তখন দেউলি বন্দিশিবিরে ছিলেন তাঁর জ্ঞাতিভাই ও বিপ্লবী পূর্ণেন্দু দস্তিদার। সেখানেই এর কয়েক দিন আগে প্রীতিলতার শেষ চিঠি পান তিনি। সেই চিঠিতে প্রীতিলতা লিখেছিলেন, ‘আঁধার পথে দিলাম পাড়ি/মরণ-স্বপন দেখে।’ বহু পরে ১৯৬৯ সালে পূর্ণেন্দু দস্তিদারের হাতে রচিত হয়েছিল প্রীতিলতার জীবনী। সেই