| | |
এই মুহূর্তে ::
মিরকাশিমের বীরকুল, হেস্টিংসের ব্রাইটন, জন ফ্র্যাঙ্ক স্নেইথ-এর দীঘা : সুব্রত গুহ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (শেষ কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাঁচ দফা কৌশল বাস্তবায়নের রোডম্যাপ : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন কলকাতার নব্য কাজিয়ার দুর্গা : অসিত দাস SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (সপ্তম কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার আমাদের নিখোঁজ শিশুরা: সংখ্যার বাইরে যে প্রশ্নগুলো জরুরি : নিকোলাস বিশ্বাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে নয়া পুঁজিবাদ : সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (ষষ্ঠ কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (পঞ্চম কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার হাসানের ইতিহাস ও বর্তমান ছুঁয়ে : নন্দিনী অধিকারী গান্ধীজী : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কবরের ইতিহাস : সসীমকুমার বাড়ৈ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (চতুর্থ কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার ছেলে বেলার পুজো : সুব্রত দত্ত SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (তৃতীয় কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার শাশ্বত বোস-এর গল্প ‘সর্বভূক’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (দ্বিতীয় কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার শত সুরের সারস্বত সাধক — নলিনীকান্ত সরকার : রিঙ্কি সামন্ত পীযূষ কান্তি দাস-এর ছোটগল্প ‘ঝন্টু মামা ও তাঁর শিকারের গল্প’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (প্রথম কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফেরা — বর্তমান পরিস্থিতিতে একট চ্যালেঞ্জ : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিশ্বজিৎ মণ্ডল-এর ছোটগল্প ‘আদমের চোখ’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com, আমাদের পোর্টালের কিছু ছবি বাদে প্রায় সব ছবিই অন্তর্জাল থেকে সংগ্রহ করা হয়। কারুর যদি কপিরাইট থাকে জানাবেন। আমরা সেই ছবি পোর্টাল থেকে ডিলিট করে দেব।

ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ

Reporter
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গা / ২৭১ Views জন পড়েছেন
আপডেট সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

[সংক্ষিপ্তি – গ্রান্ট এখানে দেখান যে, বাংলার প্রকৃত রাজস্ব — প্রায় এক কোটি সাত লক্ষ টাকা ছিল টোডরমলের নির্ণিত আসল তুমার জমা। প্রাচ্যের রাজস্বনীতি অনুযায়ী সার্বভৌম শাসক ভূমির একক মালিক হিসেবে ফসলের এক-চতুর্থাংশ (রুব্বা) কর পাওয়ার অধিকারী। এই হিসাব থেকে নানকার (রাজস্ব-বহির্ভূত ভূমি) — যা ক্রোরি, জমিদার ও আদায়কারীদের ভরণপোষণের জন্য বরাদ্দ ছিল — বাদ দেওয়া হতো; বাংলার জন্য এর পরিমাণ ছিল ৩,২৬,২৫০ টাকা। খরা, বন্যা, যুদ্ধ বা মহামারির কারণে তাসকিস-ই-জমাবন্দি-র মাধ্যমে ছাড় দেওয়ার সুযোগ থাকলেও, বাড়তি আদায়ের সিংহভাগই দিল্লির প্রতিনিধিরা আত্মসাৎ করতেন। সম্রাট আকবরের শেষভাগে রাজা মানসিংহ ওড়িশা জয় করে এবং কোচবিহার থেকে কর আদায় করে রাজস্ব বাড়ান — কিন্তু সেই সুবিধা রাজনথিতে উঠেনি। সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে রাজস্ব আদায় এতটাই শোচনীয় ছিল যে ফিদাই খান বছরে মাত্র ১০ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতেই সুবাদারি পান। ১৬৩৮-এ আসামিরা ব্রহ্মপুত্র দিয়ে আক্রমণ চালালে সুলতান সুজাকে ভাইসরয় নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁর দীর্ঘ শাসনকালে অর্থবিভাগে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হয় এবং রাজস্ব অনেক বেড়ে যায়। সুলতান সুজার উন্নত তুমার জমা (১৬৫৮) অনুযায়ী — ৩৪টি সরকার, ১,৩৫০টি ইউনিট, মোট রাজস্ব ১,৩১,১৫,৯০৭ সিক্কা রুপি। ওড়িশা থেকে বিচ্ছিন্ন করে আরও ১৫টি সরকার খালসায় আনা হয়, পরে যা ১৩টি সরকারে বিভক্ত হয়। মূলত মগ জলদস্যুদের হাত থেকে উপকূল রক্ষার জন্যই এই অঞ্চলগুলো নওয়ারা (ঢাকার নৌবহর)-র অধীনে আনা হয়েছিল।]

সর্বশেষ উল্লিখিত এই অঙ্ক — পূর্ণ সংখ্যায় প্রায় এক কোটি সাত লক্ষ টাকা — সেটিই তৎকালীন সীমানাবিশিষ্ট সমগ্র সুবার টোডরমল-নির্ধারিত আসল তুমার জমা [অর্থাৎ তোমার জন্য মূল রাজস্ব দাবি] বা মূল রাজস্ব। প্রাচ্যের রাজস্ব ব্যবস্থার সর্বজনীন, অপরিবর্তনীয়, ন্যায়সঙ্গত ও অপরিহার্য নীতি অনুযায়ী কৃষকদের থেকে এই অর্থ আদায় করা হতো। জমির ওপর নিরঙ্কুশ ও স্বৈরাচারী মালিক হিসেবে প্রাচীন বিজয়ের অধিকারে সার্বভৌম শাসকের প্রাপ্য বার্ষিক ফসলের এক-চতুর্থাংশ বা রুব্বা-র সমমূল্য হিসেবেই এই অর্থ ধার্য ছিল। অবশ্য এই হিসাবের আগে খারিজ-ই-জমা বা ননকার (জমির রাজস্ব-বহির্ভূত অংশ) বাদ দেওয়া হতো; ননকার ছিল ক্রোরি, জমিদার বা সরকারি রাজস্ব আদায়কারীদের পারিবারিক ভরণপোষণের জন্য বরাদ্দকরা ভূ-সম্পত্তি — যার মোট পরিমাণ সমগ্র বাংলার সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তার জন্য প্রাথমিকভাবে ৩,২৬,২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এই মূল হিসাব দেশের বিভিন্ন উপ-বিভাগ — যেমন খালসা, জায়গির, সরকার, পরগনা বা জমিদারির — রাজস্ব নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আনুপাতিক মানদণ্ড হিসেবে কাজ করত, যাতে প্রতিটি অংশের হিসাব সামগ্রিক নির্ধারিত হিসাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে। তা সত্ত্বেও, এর অর্থ এটা ছিল না যে সরকার কৃষকদের অনিবার্য ক্ষতি পূরণের ক্ষেত্রে উদারতা দেখাবে না; কিংবা একই পরিমাণ জমিতে পরবর্তীকালে উৎপাদন বৃদ্ধি, সীমান্তবর্তী জেলাগুলো সম্পর্কে অধিকতর নির্ভুল জ্ঞান লাভ (যেসব অঞ্চল আগে আংশিকভাবে মাত্র সমীক্ষিত ছিল), অথবা পুরনো এলাকার সাথে নতুন কোনো ভূখণ্ড সংযুক্ত হওয়ার ফলে রাষ্ট্রের ন্যায্য পাওনা চিরকালের জন্য সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। বরং, তাসকিস-ই-জমাবন্দি বা বার্ষিক নিট বন্দোবস্তের (যা ভূমি-ইজারাদারদের সঙ্গে সম্পন্ন হতো) মাধ্যমে নির্ধারিত মোট রাজস্ব থেকে নিয়মিতভাবে কিছু পরিমাণ ছাড় বা হ্রাস করার সুযোগ রাখা হতো। এশিয়া মহাদেশের চরমভাবাপন্ন জলবায়ু ও ভৌগোলিক পরিস্থিতির কারণে খরা, বন্যা, যুদ্ধ, মহামারি বা দুর্ভিক্ষের মতো যেসব বিপর্যয় প্রায়শই ঘটে থাকে, তার ফলে সৃষ্ট ক্ষতির কারণেই মূলত এই ছাড়ের ব্যবস্থা ছিল। একইভাবে, পূর্বোল্লিখিত অনুকূল পরিস্থিতির কারণে বাড়তি অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা থাকলেও, স্থানীয় প্রশাসনের গুণমানের ওপর ভিত্তি করে তা হয় জনসমক্ষে প্রকাশ পেত অথবা অনেক পরে রাজকোষে জমা পড়ত; কারণ এর সিংহভাগই দিল্লির নিযুক্ত প্রতিনিধিরা পদের বিশেষ ব্যক্তিগত সুবিধা হিসেবে মাঝপথেই আত্মসাৎ করে নিতেন।

সেই অনুযায়ী, সম্রাট আকবরের শাসনকালের শেষদিকে রাজা মানসিংহকে বাংলায় সম্রাটের প্রতিনিধি ও তরুণ শাহজাদা খসরুর [আগামীর জাহাঙ্গীর] তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিযুক্ত করে নব-বিজীত ওড়িশা প্রদেশের শাসনভার দেওয়া হলে তিনি গঙ্গার মোহনার কাছে অবস্থিত উপকূলীয় অঞ্চল ভাটি জয় করে এবং কোচবিহারের তৎকালীন শাসক লক্ষ্মীনারায়ণের থেকে কর আদায় করে পূর্বতন সুবার (প্রদেশের) রাজস্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেন; কিন্তু অর্জিত সেই সুবিধাগুলোর কথা রাষ্ট্রীয় নথিতে আনুষ্ঠানিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে বলে মনে হয় না। মুঘল শাসনের সেই প্রাথমিক পর্যায়ে যে এসব পদক্ষেপের ফলে সরকারি আয় প্রকৃতপক্ষে বাড়েনি, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই; কারণ তখন সমগ্র দেশের প্রচলিত রাজস্বের প্রায় পুরোটাই — বাস্তব বা প্রতারণামূলক উপায়ে — জাগির হিসেবে বিলি হয়ে যেত অথবা মগ বা আরাকানীদের (যাদের সহায়তা করত চট্টগ্রাম বন্দরে বসবাসকারী পর্তুগিজরা) হাত থেকে উপকূল রক্ষা করার কাজে ব্যয় হয়ে যেত। উল্লেখ্য, বাণিজ্য থেকে লাভের আশায় পর্তুগিজদের হুগলিতে বসতি স্থাপনেরও অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। জাহাঙ্গীরের আমলে রাজস্বের অবস্থা এতটাই শোচনীয় ছিল যে, রাজকীয় পাওনা বাবদ বছরে ১০ লক্ষ টাকা রাজকোষে জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিই ফিদাই খানকে সুবাদারির পদ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট প্রলোভন হিসেবে কাজ করেছিল — অথচ তাঁর প্রশাসনিক কার্যকলাপ প্রমাণ করেছিল যে, অন্য সব দিক থেকে এই পদের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতার তাঁর ঘোর অভাব ছিল। ১৬৩৮-এ সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে, প্রতিবেশী বাংলা অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা ও দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আসামিরা (আহোমেরা) সাহসী হয়ে ওঠে এবং বাংলার দুর্দশা আরও বাড়িয়ে তোলে; তারা ব্রহ্মপুত্র নদ দিয়ে নৌবহর নিয়ে আক্রমণ চালায়। এ সময় দিল্লির রাজকোষে রাজস্ব জমা পড়েনি বলেই মনে হয়; অথচ নিঃসন্দেহে বলা যায়, সেই সংকটময় ও তুলনামূলকভাবে দরিদ্র সময়েও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা জমির বার্ষিক ফসল কিংবা সরকারি সম্পদের ব্যাপক লুটপাট থেকে প্রচুর মুনাফা অর্জন করেছিলেন। তাই সরকারের প্রায় বিলুপ্তপ্রায় কর্তৃত্ব পুনরুদ্ধার ও অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই সংকটপূর্ণ মুহূর্তে সুলতান সুজাকে ওই সুবার (প্রদেশের) শাসনকর্তা বা ভাইসরয় হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল; তিনি তাঁর পিতার রাজত্বের অবশিষ্ট বিশ বছর ধরে এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন — মাঝে কেবল দুই বছরের জন্য একটা বিরতি ঘটেছিল। ঈর্ষাবশত তাঁকে তখন দরবারে তলব করা হলেও, শেষ পর্যন্ত তা তাঁর সেবার গুরুত্বই প্রমাণ করেছিল; কারণ শীঘ্রই তাঁকে নতুন করে সেই পদে বহাল করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল। এই শাহজাদার দীর্ঘ শাসনকালে তিনি রাষ্ট্রের সকল বিভাগে — এবং বিশেষ করে অর্থবিভাগে — অত্যন্ত জরুরি কিছু সংস্কার প্রবর্তন করেন। ইতিহাসের নথিপত্র এবং তৎকালীন হিসাবের পরিসংখ্যানে দেখা যায় রাজার আয় কেবল পূর্বের আর্থিক তছরুপ বা ঘাটতি পূরণের চেয়েও অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল — তাতেই এর প্রমাণ মেলে। তবে টোডরমলের ভূমি মূল্যায়নের মূল নীতি থেকে বিচ্যুতি ঘটেছিল বলে মনে হয় না; তবুও বিভিন্ন আঞ্চলিক বিভাগের সংখ্যা, আয়তন ও মূল্যায়নে এমন ব্যাপক পরিবর্তন এসেছিল যে, নতুন করর তালিকা বা তুমর জমা (Toomar Jumma) বোঝাতে পুরোনো পরিভাষা বজায় রাখা হলেও, এর মোট আর আংশিক অর্থের পরিমাণ অনেক বেড়ে গিয়েছিল এবং বার্ষিক রাজস্বের এক সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র ফুটে উঠেছিল। এই দ্বিতীয় আর অধিকতর সুশৃঙ্খল রাজস্ব নির্ধারণ প্রক্রিয়ার বিস্তারিত বিবরণ হয়তো এখন চিরতরে হারিয়ে গেছে; তবে তৎকালীন সরকার (circar) ও পরগনা (pergunnah)-ভিত্তিক বিভাজনসহ দেশের মোট করর পরিমাণ আমরা এখানে নিম্নোক্ত শিরোনামে তুলে ধরছি —

সুলতান সুজার উন্নত তুমর জমা (Improved Jumma Toomary) — যা ১৬৫৮ সালে তাঁর পিতা শাহজাহানের সিংহাসনচ্যুতি এবং ভাই আলমগীরের হিন্দুস্তানের সিংহাসনে আরোহণের সময় নির্ধারিত হয়েছিল; এতে ৩৪টি সরকারকে বিভিন্ন পরগনায় বিভক্ত করা হয়েছিল এবং মোট ১,৩৫০টি ইউনিটের জন্য ১,৩১,১৫,৯০৭ সিক্কা রুপি (Sa। Rs।) রাজস্ব ধার্য করা হয়েছিল। ওড়িশা সুবা থেকে বিচ্ছিন্ন করে নতুন যেসব এলাকা খালসা বা সরাসরি সরকারি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল, তার মধ্যে পূর্বে উল্লিখিত ১৯টি সরকারের (প্রশাসনিক অঞ্চল) অতিরিক্ত আরও ১৫টি সরকার অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরবর্তীতে এগুলোকে ১৩টি সরকারে বিভক্ত করা হয়; এর মধ্যে ছ’টা সরকার প্রাচীন জেলাসির (Jellasir) অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এখানে এগুলিকে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোরই অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই অঞ্চলগুলো মূলত প্রদেশের সমুদ্রতীরবর্তী এলাকা থেকে নেওয়া হয়েছিল — মুন্ডেলগাট (Mundelgaut) থেকে বালেশ্বর বন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত এক বাঁকানো পথে। সম্ভবত মগ (Mog) জলদস্যুদের আক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ সমগ্র উপকূলীয় এলাকাটিকে নওয়ারার (Nowarah) — অর্থাৎ ঢাকায় সর্বদা মোতায়েনকরা নৌ-বহর বা নৌ-প্রশাসনের — রাজকীয় এখতিয়ারের অধীনে আনার উদ্দেশ্যেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

***

গ্রান্টের এই অংশে ২০ থেকে ৩২ নম্বর পর্যন্ত সরকারগুলোর তালিকা দেওয়া আছে — মূলত ওড়িশা, আসাম, কুচবিহার এবং ডেল্টার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল সংযুক্ত হওয়ার পরের রাজস্ব চিত্র। মূল ১৯ সরকারের বাইরে — অতিরিক্ত সংযুক্ত অঞ্চল —

২০–২৫ : ওড়িশা সংলগ্ন সংযুক্ত অঞ্চল

২০. গোয়ালপাড়া (Gualpara) : এটি ছিল কিসমত বা একটি সরকারের অংশ, যার মধ্যে তেমুলুক ও অন্যান্য ছোট অন্তর্দেশীয় জেলা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর পরগনার সংখ্যা ছিল ৩ এবং রাজস্ব ছিল ১,১৪,৬০৯ টাকা।

২১. মালজেটিয়া (Maljeteah) : ওড়িশা বা দক্ষিণ বাংলার উপকূলীয় অঞ্চলের একটি প্রাচীন ‘সরকার’ (Mughal Sarkar) বা প্রশাসনিক অঞ্চল। হিজলী অঞ্চলটি এই মালজেটিয়া সরকারের অন্তর্ভুক্ত ছিল। হিজলী (Hijli)। মোগল আমলে এটি লবণ উৎপাদন ও ব্যবসার প্রধান কেন্দ্র। টি আসলে মেদিনীপুরের বিখ্যাত জমিদারী এস্টেট জল্যামুঠা। মেদিনীপুরের আরেকটি ঐতিহাসিক পরগনা ও জমিদারী, দোরোদুমনান। পূর্ব মেদিনীপুরের অত্যন্ত সুপরিচিত অঞ্চল মহিষাদল। এর পরগনার সংখ্যা ছিল ১৭ এবং রাজস্ব ছিল ১,৮৯,৪৩২ টাকা।

২২. মুস্কুরি (Muscoory) : এটি ছিল একটি কিসমত, যার মধ্যে বালেশ্বর সহ বালাসোরের নিকটবর্তী অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর পরগনার সংখ্যা ছিল ৪ এবং রাজস্ব ছিল ২৫,২৮৫ টাকা।

২৩. যশোর (Jellassore) : এটি ছিল সেই সরকারের প্রাচীন হাভেলি, যার সঙ্গে বীরকুল ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর পরগনার সংখ্যা ছিল ৭ এবং রাজস্ব ছিল ৫৩,৯০১ টাকা।

২৪. রুমনেহ (Rumneh) : এর মধ্যে সুহেন্ত ইত্যাদি এবং সুবর্ণরেখার ওপারের অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর পরগনার সংখ্যা ছিল ৩ এবং রাজস্ব ছিল ২৩,২৭২ টাকা।

২৫. বুস্তাহ (Bustah) : এটি ছিল একটি কিসমত, যার মধ্যে বালেশ্বর বন্দরের নিকটবর্তী অঞ্চল থেকে নীলগিরি পাহাড়ের দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এর পরগনার সংখ্যা ছিল ৪ এবং রাজস্ব ছিল ১২,৪২২ টাকা।

মোট (ওড়িশার দিকের সংযুক্তি) : ৩৮ পরগনা, রাজস্ব ৪,১৫,৯২১ টাকা। গ্রান্ট উল্লেখ করেছেন — এই অঞ্চলটি ১১১২ আমলি (১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ) সালের একটি মূল জমা খারচ হিসাব অনুযায়ী মূল্যায়িত, যা বিচ্ছিন্ন হওয়ার অন্তত ৫০ বছর পরে তৈরি।

২৬–৩০: আসাম ও কুচবিহার সংলগ্ন সংযুক্ত অঞ্চল

২৬. কুচবিহার (Cooch Beyhar) : এটি মূলত আধুনিক ফকিরগঞ্জ বা রংপুর প্রদেশ নিয়ে গঠিত ছিল। এটি প্রাচীন হিন্দু রাজপুত্র নৈরায়ণদের থেকে জয় করা হয়েছিল; তাদের বংশধররা এখন ভুটান পাহাড়ের পাদদেশে ইংরেজদের অধীনস্থ করদ রাজা, তবে নিজ নামে মুদ্রা তৈরির সার্বভৌম অধিকার রয়েছে। এর পরগনার সংখ্যা ছিল ২৪৬ এবং রাজস্ব ছিল ৩,২৭,৭৯৪ টাকা।

২৭. বেঙ্গলভূম (Bengalbhoom) : এটি ছিল বাহেরবন্দ ও ভিতরবন্দ [মূলত রাণীভবানী] — দুই পরগনা, যা রংপুর ও ব্রহ্মপুত্রের মাঝে অবস্থিত ছিল। এর পরগনার সংখ্যা ছিল ২ এবং রাজস্ব ছিল ১,৩৭,৭২৮ টাকা।

২৮. দক্ষিণকোল (Decan-Kole) : ব্রহ্মপুত্র নদীর দক্ষিণ তীরের অংশ বা দক্ষিণ পাড়, যার মধ্যে কুড়িগ্রাম ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর পরগনার সংখ্যা ছিল ৩ এবং রাজস্ব ছিল ২৭,৮২১ টাকা।

২৯. ঢেকরি (Dhekry): এটি পূর্বের মতো নদীর একই তীরে, গোয়ালপাড়ার দিকে, আসাম সীমান্তে অবস্থিত ছিল, যার মধ্যে কেবরি ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর পরগনার সংখ্যা ছিল ২ এবং রাজস্ব ছিল ৬,১২৬ টাকা।

৩০. কামরূপ (Kamroop) : এটি ওটারকোল নামেও পরিচিত ছিল, যা বেঙ্গলভূমের উত্তরে, ব্রহ্মপুত্রের পশ্চিম ও উত্তর দিকে, কেন্থাগাউট পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এর মধ্যে আসামের আধুনিক সীমান্তে অবস্থিত রাঙ্গামাটি, বিস্নি ইত্যাদি অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর পরগনার সংখ্যা ছিল ৩ এবং রাজস্ব ছিল ৩১,৪৫১ টাকা।

মোট (আসামের দিকের সংযুক্তি) : ২৫৬ পরগনা, রাজস্ব ৫,৩০,৯২০ টাকা। গ্রান্ট উল্লেখ করেছেন — আকবরের আমলে প্রথম মূল্যায়ন থেকে সুলতান সুজার আমল পর্যন্ত এই সংযুক্তি ঘটেছে, তবে বর্তমান শতাব্দীর শুরুতে তৈরি একটি হিসাব অনুযায়ী মূল্যায়িত।

৩১–৩২: ডেল্টার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল

৩১. উদয়পুর (Odeypore) : এটি ছিল ঢাকার পূর্বে ত্রিপুরার বিজিত অঞ্চল — পূর্বে আরাকানের অধীন, মানিক্য উপাধিধারী করদ রাজাদের অধীনে। ৪টি পরগনায় বিভক্ত — নূরনগর, কুমিল্লা, মেরগল সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য। গ্রান্ট উল্লেখ করেছেন — এই অঞ্চল বর্তমানের অজ্ঞ দেশীয়দের কাছে অজানা, অথবা সুজা খানের আমলে এই শতাব্দীতে দ্বিতীয়বার বাংলার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার আগে কখনো সংযুক্ত হয়নি বলে মনে করা হয়। এর পরগনার সংখ্যা ছিল ৪ এবং রাজস্ব ছিল ৯৯,৮৬০ টাকা।

৩২. মোরাদ-খানেহ (Morad-Khaneh) : এর অর্থ ইচ্ছার প্রাসাদ বা জেরাদ-খানেহ — পঙ্গপালের মতো fréquented। সম্ভবত সুন্দরবনের অংশ ছিল; যার সম্পূর্ণটাই রাষ্ট্রের জন্য উৎপাদনশীল করার চিন্তা ছিল, তবে লবণাক্ত জলাভূমি চাষের অযোগ্যতা বিবেচনা না করেই। মূল হিন্দু নাম ছিল সুন্দরবন — যার অর্থ বাঁধ বা জঙ্গলের সন্তান। এর পরগনার সংখ্যা ছিল ২ এবং রাজস্ব ছিল ৮,৪৫৪ টাকা।

মোট (ডেল্টার সংযুক্তি) : ৬ পরগনা, রাজস্ব ১,০৮,৩১৪ টাকা।

সামগ্রিক সংযুক্তির হিসাব

ওড়িশার দিকের সংযুক্তি মিলিয়ে ৩৮ পরগনা ও ৪,১৫,৯২১ টাকা; আসামের দিকের সংযুক্তি মিলিয়ে ২৫৬ পরগনা ও ৫,৩০,৯২০ টাকা; এবং ডেল্টার সংযুক্তি মিলিয়ে ৬ পরগনা ও ১,০৮,৩১৪ টাকা। সব মিলিয়ে মোট সংযুক্ত অঞ্চলের পরগনা সংখ্যা দাঁড়ায় ৩০০ এবং মোট রাজস্ব দাঁড়ায় ১০,৫৫,১৫৫ টাকা।

টীকা

কিসমত (Kismut) : মুঘল প্রশাসনিক পরিভাষায় “কিসমত” অর্থ অংশ বা ভাগ। মূল সরকারের একটি অংশকে বোঝাত, যা প্রায়ই স্বতন্ত্র রাজস্ব ইউনিট হিসেবে গণ্য হতো।

হাভেলি (Havellee) : সরকারের মূল বা কেন্দ্রীয় অংশ — যা সরাসরি রাজকোষের অধীনে থাকত। “হাভেলি” শব্দটি ফারসি থেকে এসেছে, অর্থ “প্রাঙ্গণ” বা “আবাসস্থল”।

আমলি (Amuli) : রাজস্ব বছরের হিসাব — যা ফসলি অব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত। ১১১২ আমলি = ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ।

জমা খারচ (Jumma Kurch) : রাজস্বের মূল হিসাব ও ব্যয়ের বিবরণ — যা সরকারি নথিতে লিপিবদ্ধ থাকত।

কুচবিহারের নৈরায়ণ রাজপুত্র : কুচবিহারের প্রাচীন হিন্দু রাজবংশ — যারা ভুটান পাহাড়ের পাদদেশে আশ্রয় নিয়েছিল। তাদের বংশধররা ইংরেজদের করদ রাজা হিসেবে টিকে ছিল এবং নিজ নামে মুদ্রা তৈরির অধিকার পেয়েছিল।

সুন্দরবনের ব্যুৎপত্তি: গ্রান্ট “সুন্দরবন্দ” নামের ব্যুৎপত্তি নিয়ে দুটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন — (ক) “সুন্দরী” গাছ থেকে, (খ) সংস্কৃত “সুন্দর” (সুন্দর) ও “বন” (জঙ্গল) থেকে। তবে তিনি নিজে প্রথম ব্যাখ্যাটি সমর্থন করেন, কারণ স্থানটি গাছ জন্মানোর আগেই নাম পেয়েছিল।

মোরাদ-খানেহর সমালোচনা : গ্রান্ট এখানে সুন্দরবনের লবণাক্ত জলাভূমি চাষের অযোগ্যতা নিয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলছেন — এই অঞ্চলকে উৎপাদনশীল করার চিন্তা ছিল “অবিবেচনাপ্রসূত”, কারণ এটি সমুদ্র উপকূলকে শত্রুর আক্রমণের জন্য উন্মুক্ত করে দেবে এবং সুন্দরবনের অগম্য জঙ্গল — যা প্রকৃতির দেওয়া প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা — নষ্ট হবে।

ত্রিপুরার মানিক রাজবংশ : ত্রিপুরার রাজাদের উপাধি ছিল “মানিক”। গ্রান্ট উল্লেখ করেছেন — ওদেয়পুর অঞ্চল পূর্বে আরাকানের অধীন ছিল এবং মানিক রাজাদের করদ রাজ্য হিসেবে পরিচালিত হতো।

সুন্দরবন নিয়ে গ্রান্টের টিকা — সুন্দরবন নামটি সম্ভবত সুন্দরী গাছ — যা এই অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে জন্মে — তার নাম থেকেই এসেছে; আবার অধিকতর পাণ্ডিত্যপূর্ণ ব্যাখ্যায় একে দুটো সংস্কৃত শব্দ — সুন্দর (মনোরম) ও বন (অরণ্য বা জঙ্গল) — এর সংমিশ্রণ হিসেবেও দেখা হয়। তবে আমরা আমাদের নিজস্ব ব্যুৎপত্তিগত ব্যাখ্যাটিকেই অধিক যুক্তিযুক্ত মনে করি। কারণ, সম্ভবত বনাঞ্চল গড়ে ওঠার আগেই স্থানটি পরিচিত ছিল এবং এর নামকরণ হয়েছিল। আদি অবস্থায় গঙ্গার বিভিন্ন মোহনায় জোয়ার-ভাটার প্রভাবে বালুচর সৃষ্টির বিষয়টি নিশ্চয়ই তখন পরিলক্ষিত হতো — যা অনুমান করা অত্যন্ত যৌক্তিক, কারণ পার্শ্ববর্তী জোয়ার-জলে প্লাবিত নিচু ভূমির মতোই এই অঞ্চলটিও স্থানীয়ভাবে ভাটি (বা ভাটি অঞ্চল) হিসেবে পরিচিত ছিল। এছাড়া, কোনো কাব্যিক কল্পনায় এই বনভূমিকে যতই মনোরম মনে হোক না কেন, বাস্তবে এটা ছিল মূলত এক দুর্ভেদ্য জঙ্গল যেখানে মানুষের যাতায়াত ছিল অত্যন্ত বিরল। আর যদি কখনো কোনো ভীতু ও শীতকাতুরে ব্রাহ্মণ তীর্থযাত্রার প্রয়োজনে এর কোনো অংশে প্রবেশও করে থাকেন, তবে হিংস্র পশুর মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কায় তাঁদের মনে নিশ্চয়ই ভীতির সঞ্চার হতো — যা সুন্দর বা মনোরম অভিধার সম্পূর্ণ বিপরীত কোনো বিশেষণের কথাই মনে করিয়ে দেয়। তবে সর্বোপরি, সুন্দরবনের সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও বিশাল অংশটি আজও প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ (বা চন্দ্র-অধিষ্ঠিত ভূখণ্ড) নামক জমিদারির পরগনার অন্তর্ভুক্ত।

চলবে

ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট ফ্রম দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দি অ্যাফেয়ার্স অফ দি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সংক্ষেপে দ্য ফিফথ রিপোর্ট।

বিশ্বেন্দু নন্দ

আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন

Currently Maintained by the2.dev