Logo
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বেগম রোকেয়ার সমাধি আবিষ্কার যেন প্রেমেন্দ্র মিত্র-র তেলেনাপোতা আবিষ্কার : অসিত দাস মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক সরকার রোহিঙ্গা সংকটে কোন নির্দেশনা নেই : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ দ্বিখণ্ডিত নির্বাসন : অশোক মজুমদার শ্যামাপ্রসাদের সঙ্গে আর্থার কোনান ডয়্যালের সাক্ষাৎকার ও প্ল্যানচেট-আলোচনা : অসিত দাস শ্রাবণের ঝিরঝিরে হাওয়ায় কাঁচের চুড়ির রিমিঝিম : রিঙ্কি সামন্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ রাখি বন্ধন ও রবীন্দ্রনাথ : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ কলকাতা ফিরিয়ে দিক তসলিমার দ্বিখন্ডিত বাসার একখণ্ড : অশোক মজুমদার তরুণের বিদ্রোহ : তখন এবং এখন : দিলীপ মজুমদার বিশ্বজিৎ মণ্ডল-এর ছোটগল্প ‘বনলতা সেন ও অভিমানের অন্ধকার’ শিক্ষা ও সমাজ-সংস্কারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ তসলিমা নাসরিন — সবিনয় নিবেদন : দিলীপ মজুমদার গুরুপূর্ণিমার ‘শতকোটি প্রণাম’-এর ব্যাখ্যা ও ব্যুৎপত্তি (দ্বিতীয় পর্ব) : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার গুরুপূর্ণিমার ‘শতকোটি প্রণাম’-এর ব্যাখ্যা ও ব্যুৎপত্তি : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সংগ্রাম, মানবিকতা ও আত্মমর্যাদার জীবনকাব্য — সত্যজিৎ নাথের উপন্যাস “শেষের বেলা” : যশোবন্ত রায় যে জীবন ফড়িঙের, দোয়েলের,… কিছুটা আরশোলারও… : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ কৃষক আন্দোলনের ঐতিহ্য ও সাম্প্রতিক কৃষক আন্দোলন : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ
Notice :

পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন,  ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

/ ধর্মকর্ম
চট্টগ্রাম। ইতিমধ্যেই আমরা উল্লেখ করেছি যে, চট্টগ্রামকে আইন-ই-আকবরীতে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক অংশ হিসেবে দেখানোটা আইনানুগ ছিল না (বিমস চট্টগ্রাম সরকার সম্বন্ধে লিখছেন: “এই সরকার ১৬৬৫-র আওরঙ্গজেবের রাজত্বকাল পর্যন্ত বিজিত হয়নি [মীর জুমলার মৃত্যুর পরে বাঙলার নবাব হয়ে আসেন শায়েস্তা খান, মির্জা আবু তালিব; তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র বুজুর্গ উমেদ খান চট্টগ্রাম বিজয় করে সেখানকার প্রথম ফৌজদার বিস্তারিত...
যুগ যুগ ধরে চলে আসছে শ্রীক্ষেত্রে দোল উৎসব। কয়েকটি দিন সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়েও যেন চলে দোল আর হোলির হুকুমদারি।পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের দশমী তিথি (ফাগু দশমী) থেকে দোলপূর্ণিমা পর্যন্ত ৫ দিন (মতান্তরে ৬ দিন) অত্যন্ত ধুমধামের সাথে পালিত হয়। দোলোৎসবে শ্রীজগন্নাথ দেবের প্রতিনিধি হিসেবে ‘মদনমোহন’ বা ‘দোলগোবিন্দ’ দেবতাকে রত্ন সিংহাসন থেকে দোলাবেদীতে এনে
কৃষ্ণপুর হল হাওড়া-বর্ধমান শাখার ব্যান্ডেল এবং আদি সপ্তগ্রাম স্টেশনের মাঝামাঝি একটি গ্রাম। ব্যান্ডেল স্টেশন থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূর, আর আদি সপ্তগ্রাম স্টেশন থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার। এই কৃষ্ণপুর হল শ্রীরঘুনাথ দাস গোস্বামীর জন্মস্থান। শ্রীরঘুনাথ দাস গোস্বামী ছিলেন ছয় গোস্বামীর এক গোস্বামী। এই ছয়জন গোস্বামী হলেন রূপ, সনাতন, শ্রীজীব, গোপাল ভট্ট, রঘুনাথ ভট্ট ও রঘুনাথ
একটি কিংবদন্তি অনুসারে, দক্ষযজ্ঞে সতী দেহত্যাগ করার পর ভগবান শিব ব্যথিত হয়ে যজ্ঞের ভস্ম গায়ে মেখে দারুক বনের ঘন অরণ্যে দীর্ঘকাল ধ্যান করেছিলেন। তাই এই স্থানটিকে শিবের বাসস্থান বলা হয়। এই বনেই বশিষ্ঠ ও সাতজন ঋষি তাঁদের স্ত্রী-পুত্রদের নিয়ে কুঁড়েঘর বানিয়ে তপস্যা করতেন। একদিন শিব ও বিষ্ণু, দুই জগৎপালক লক্ষ্য করে দেখলেন ঋষিরা তপস্যা করছেন
দিনটা ছিল মাঘমাসের ৫ তারিখ। গুরুদেবের প্রকোষ্ঠে গিয়ে উমাচরণ মুখোপাধ্যায় জিজ্ঞাসা করলেন, ‘সত্য সত্যই কি ঈশ্বরের দর্শন পাওয়া যায়?’ গুরুদেব বললেন, ‘সাধনা আর গুরুর কৃপাতে সব পাওয়া যায়।তুমি কি দেখতে চাও?’ মাথা নাড়লেন উমাচরণ। বাকসিদ্ধির ফলে যোগী যা বলেন তাই অনির্বচনীয়ভাবে কার্যে পরিণত হয়। প্রকৃতি তখন সেই মহেশ্বররূপী যোগীর কাছে দাসবৎ আচরণ করে। যোগবিভূতির মধ্যে
শ্রীম বা মাস্টারমশাই নরেন্দ্রনাথকে দেখেন সম্ভবত ঠাকুরের সঙ্গে তাঁর তৃতীয়বার দর্শনের সময়, ৫ই মার্চ, রবিবার, বেলা তিনটের সময়। তিনি বর্ণনা দিচ্ছেন এভাবে — ‘ভক্তসঙ্গে সহাস্যবদনে ঠাকুর কথা কহিতেছেন। একটি ঊনবিংশতিবর্ষ বয়স্ক ছোকরাকে উদ্দেশ করিয়া ও তাঁহার দিকে তাকাইয়া ঠাকুর যেন কত আনন্দিত হইয়া অনেক কথা বলিতেছিলেন। ছেলেটির নাম নরেন্দ্র, কলেজে পড়েন ও সাধারণ ব্রাহ্মসমাজে যাতায়াত
 শুন শুন সাধুজন,  শুন দিয়া মন।  পঞ্চাননের পঞ্চকথা,  করিব বর্নন।  কখনও ভয়াল তিনি  কখনও দয়াল,  কালের সাক্ষী তিনি  তিনি মহাকাল।  শিকড়ের স্মৃতি হয়ে  তার অবস্থান  সেই কথা শোন সবে  পাবে আত্ম জ্ঞান। পৌষ পার্বণ শেষ। এবার মেলার বেলা। বিশেষত রাঢ় বাংলায়। বর্ধমান বীরভূমে মেলার শেষ নেই। এই মেলার ভিড়ে নজর কাড়ে কাটোয়া অঞ্চলের পঞ্চানন মেলা।
‘পিতা আমি তপস্যায় নির্গত হব’— ছোট মেয়ের মুখে এমন কথা শুনে বিস্মিত হন রাজা ধর্মধ্বজ। অনেক তপস্যার ফলে রানী মাধবীর কোল আলো করে এসেছে এক কন্যা সন্তান। জন্মগ্রহণের পর তার ছোট্ট পায়ের তলায় অত্যন্ত শুভ পদচিহ্ন দেখে রাজা বুঝতে পেরেছেন স্বয়ং লক্ষ্মী অংশে জাত এই কন্যা। রাজা তারপর নাম রাখলো তুলসী। অসাধারণ এই কন্যাটি ছোট

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন