| | |
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ ডোকরা শিল্পীদের কাহিনি : স্বর্ণাভা কাঁড়ার পীযূষ কান্তি দাস-এর ছোটগল্প ‘ছমছম পায়েল বাজে’ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৬৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ শাশ্বত বোস-এর বড়োগল্প এক বসন্ত স্বাধীনতার জন্যে নন্দিনী অধিকারী-র বড়োগল্প ‘দুর্গাদালান’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৬৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ নকশালবাড়ি স্থাননামের নকশাল শব্দটির উৎসের সন্ধান : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৬৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিনয় মজুমদারের কবিতা — বিজ্ঞান ও দর্শনের রসায়নজাত স্বতন্ত্র নির্মাণ : আনন্দগোপাল হালদার উৎসবে মানুষ নতুন হয়ে ওঠে : হাসান আজিজুল হক ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৬৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ মৌসুমী মিত্র ভট্টাচার্য্য-র ছোটগল্প ‘চার্বাক দর্শন’ দুর্গা যখন মাঠংমা : শ্যামলী কর ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৬৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার গিরমিটিয়া ভারতীয়দের ইতিহাস — কলকাতা বন্দর থেকে বিশ্বজুড়ে এক সংগ্রামের কাহিনী : কমল ব্যানার্জী ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৬৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সৃজন-মানসের অন্তর্বয়ন ও লেখাজীবনের প্রেক্ষিত : আনন্দগোপাল হালদার কেতকী কুশারী ডাইসন, রবীন্দ্রনাথের বর্ণান্ধতা ও আমাদের রক্ষণশীল সমাজ : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৬৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৬২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ রাষ্ট্রের বিধি বনাম মায়ের শেষ ইচ্ছে — চিন্ময়কৃষ্ণের ঘটনা যে প্রশ্ন রেখে গেল : যশোবন্ত রায় বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার নেপালের পর কি কলকাতা জলের তলায় চলে যাবে — চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় বিশ্বাসঘাতকতার পরিণতি : রিঙ্কি সামন্ত
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com, আমাদের পোর্টালের কিছু ছবি বাদে প্রায় সব ছবিই অন্তর্জাল থেকে সংগ্রহ করা হয়। কারুর যদি কপিরাইট থাকে জানাবেন। আমরা সেই ছবি পোর্টাল থেকে ডিলিট করে দেব।

কতটা গাঁজা খেলে গোমূত্র দল হওয়া যায়? ওদের মিথ্যাচার রুখতে প্রচার করুন সঠিক তথ্য

Reporter Default
রিপোর্টার / ২০৮ Views জন পড়েছেন
আপডেট বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২০

কোটাতে আটকে পড়া পড়ুয়াদের ফেরানোর ব্যবস্থা করেছে রাজ্য সরকার। আর স্বভাব যায় না ম’লে প্রবাদ ফলো করে সেই বিপদে পড়া পড়ুয়াদের নিয়ে খিল্লি করছে বিজেপি। বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল সকালে টুইটারে বিজেপির দাবি, কোটা থেকে নাকি ৩টি বাসে করে ৩ হাজার পড়ুয়াকে ফেরানো হচ্ছে! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এ জন্য কটাক্ষও করেছে অশিক্ষিত গোমূত্র পার্টির আইটি সেল ও তাদের পথ দেখানো নেতারা। এমন আজব দাবি আর মিথ্যাচার দেখে প্রশ্ন জাগে, এমন মিথ্যাচার করতে কত পরিমাণ গঞ্জিকা সেবন করতে হয়? অপদার্থ, অশিক্ষিত যত বেশি তাদের পিছনে আইটি সেলে তত বেশি টাকা ঢালে নাকি গোমূত্র পার্টি? বাস্তব তথ্য হলো, কোটা থেকে ২৩৬৮ জন পড়ুয়াকে নিয়ে ৯৫টি বাস বুধবার রওনা দিয়েছে। রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা আছেন। সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে বাসগুলিতে পড়ুয়াদের বসার ব্যবস্থা হয়েছে। বাসগুলি শুক্রবারের মধ্যে তিনটি জোন- কলকাতা, শিলিগুড়ি ও আসানসোলে পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথামতো এ-বি-সি-ডি জোনে মগ্ন বিজেপি তিনটি জোনকে তিনটি বাস বলে মিথ্যাচার করছে। 

এখানেই শেষ নয় বন্ধু! বিজেপির দাবি করোনা যোদ্ধাদের জন্য রাজ্য সরকারের বিমা ঘোষণার নাকি বাস্তবায়ন হচ্ছে না। কোনও বিমা সংস্থার সঙ্গে চুক্তি নাকি হয়নি। গঞ্জিকা সেবন করে বুঁদ হয়ে থাকলে এমন দাবি করা যায়!অপপ্রচার করে যারা রাজনীতিতে ব্যস্ত, তাদের জানিয়ে দিন আসল তথ্য। 

করোনা যোদ্ধাদের জন‌্য রাজ্য সরকার প্রথম বিমা ঘোষণা চালুর নির্দেশিকা দেয় ২১ মার্চ। মোদীবাবু এমন বিমা ঘোষণার অনেক আগে। কারা এই বিমার আওতায় আসবেন সেই ক্ষেত্র ও বিমার অর্থের পরিমাণ বাড়িয়ে ১০ লক্ষ টাকা করা হয়। সরকারি অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড থাকা সাংবাদিকদের সর্বশেষ এই বিমার আওতায় আনা হয়েছে। বিমার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ৩১ মে অবধি। মুখ্যমন্ত্রীর প্রথম থেকেই নির্দেশ ছিল চিকিৎসা করাতে গেলেও যেন বিমার টাকা মেলে। ৬৬টি কোভিড হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার খরচ বহন করছে রাজ্য সরকার। তা সত্ত্বেও ৩০ এপ্রিল অবধি চিকিৎসা করাতে গিয়ে ২১ জন বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার পাশাপাশি বিমার জন্য ১ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য পেয়েছেন। মৃত দুই চিকিৎসকের পরিবারের অ্যাকাউন্টে ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে। আরও ১৪ জনের ক্ষেত্রে বিমার অর্থ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। প্রয়াত চিত্র সাংবাদিক রনি রায়ের পরিবার চাইলেও বিমার টাকা বাবদ ১০ লক্ষ টাকা পাবে বলে জানিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন

Currently Maintained by the2.dev