| | |
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯৫/১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ আকাশ প্রদীপ — পুরাণ, ভক্তি ও বিশ্বাস : যশোবন্ত রায় ৮১ বছরে জাতিসংঘ: সবার প্রত্যাশা পূরণে কতটা সক্ষম? : নিকোলাস বিশ্বাস বোধিসত্ত্ব সঞ্জয়-এর ছোটগল্প ‘স্যার’ কুমারটুলির সহিসমহল্লা ও দেবী দুর্গার বাহন ঘোটকমুখী সিংহ : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার বিজয়াদশমীর ভাঙ-সিদ্ধি : অসিত দাস কলকাতায় এমন দুর্গাপুজো দেখিনি তো আগে : দিলীপ মজুমদার বিশ্বজিৎ মণ্ডল-এর ছোটগল্প ‘ওঝা’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ অয়ন মুখোপাধ্যায়-এর ছোটগল্প ‘নিখোঁজের দর্শক সংখ্যা’ নন্দিনী অধিকারী-র ছোটগল্প ‘সর্বংসহা’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯১/২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ রাজারাজড়া ও বণিকের দুর্গাপূজায় নিম্নবর্গ ছিল রবাহূত : অসিত দাস প্রজনন অধিকার নিশ্চিত হলেই সুস্থ্য বাংলাদেশ গড়া সম্ভব : নিকোলাস বিশ্বাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯১/১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ অয়ন মুখোপাধ্যায়-এর ছোটগল্প ‘জলের অক্ষর’ কতো বড়ো বড়ো পুজোরে বাবা… : জ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ নবপত্রিকা: দুর্গাপূজার অন্তরালে শস্যদেবী ও প্রকৃতির আরাধনা : যশোবন্ত রায় মন্ত্র ভুল বললেও কোনও অসুবিধে নেই… নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী : জ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সিংহবাহিনী দুর্গা মৃগবাহিনীও : শ্যামলকান্তি চক্রবর্তী দেবদেবীর পূজায় দুর্বার প্রয়োজন কেন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমার আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com, আমাদের পোর্টালের কিছু ছবি বাদে প্রায় সব ছবিই অন্তর্জাল থেকে সংগ্রহ করা হয়। কারুর যদি কপিরাইট থাকে জানাবেন। আমরা সেই ছবি পোর্টাল থেকে ডিলিট করে দেব।

আজকের শিশু কেন এত অসহিষ্ণু? : প্রসেনজিৎ দাস

Reporter
প্রসেনজিৎ দাস / ২৭২২ Views জন পড়েছেন
আপডেট শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৩

আধুনিক যুগ যান্ত্রিকতার যুগ। যন্ত্রের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চলতে মানুষও আজ যন্ত্রে পরিনত হচ্ছে। তার যন্ত্র সত্ত্বা আর মানব সত্ত্বা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। তার প্রভাব পড়ছে শিশুদের উপর। কারণ বড়োরা যা করে, শিশুরা তা অনুকরণ করে। এভাবেই তার মনে সেই ঘটনার প্রভাব পড়ে। স্বভাবও তৈরি হয় এভাবেই, তা সে সু-ই হোক আর কু-ই হোক। এজন্য বলা হয় শিশুর স্বভাব তৈরি করে তার পরিবার, তার মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন, গুরুজন কিম্বা তার পারিপার্শ্বিক পরিবেশ, তার সমাজ। এর মধ্যে বাড়িই আদর্শ স্থান। কারণ — Home is the first school, where the child learns his /her first lesson.

প্রত্যেকটা শিশুর নিজস্ব একটা জগৎ থাকে, সেই জগতেই সে বিচরণ করতে ভালোবাসে। কেউ হয়তো ছবি আঁকতে ভালোবাসে, কেউ গান গাইতে, কেউ নাচতে আবার কেউ কেউ হয়তো ছবি দেখতে, গল্পের বই পড়তে, টিভি দেখতে, গল্প করতে বা খেলতে ভালোবাসে। সেই জগৎ থেকে তাকে বিচ্ছিন্ন করা মানেই তার স্বাধীন সত্তাকে নষ্ট করে দেওয়া। একে এই অবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করলে তার মনে একটা নেতিবাচক প্রভাব (Negative effect) পড়ে। সে অবদমিত হয়ে পড়ে, হীনমন্যতায় ভোগে। কিন্তু কথা হচ্ছে শিশুদের এই অসহিষ্ণুতার কারণ কী?

সহ্যশক্তি বা সহনশীলতা মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। কিন্তু আজকের শিশু বোধ হয় সহনশীলতা হারাতে বসেছে একটুতেই উত্তেজিত হয়ে পড়া, জেদের বশে খারাপ কিছু করে ফেলা, আত্মহনন ইত্যাদির মত কাজ হচ্ছে আকছার। আবার মাত্র ২০ টাকা ধার নিয়ে শোধ করতে না পারায় সহপাঠীর হাতে সহপাঠী খুন। সামান্য বিষয় নিয়ে বন্ধুতে বন্ধুতে মারপিঠ, চুল ছেঁড়াছিঁড়ি খরবের কাগজের পাতায় নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। সম্পত্তির লোভে ছেলের হাতে বাবা খুন, প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে প্রেমিকের হাতে খুন প্রেমিকা এ জাতীয় নানা খবর আমরা প্রতিনিয়ত পড়ে থাকি খবরের কাগজে। এর একটাই কারণ আজকের শিশু বড়োই অসহিষ্ণু। মাথা ঠাণ্ডা করে কোন কিছুর মীমাংসা করার মত সহনশীলতা এদের নেই।

এর কারণ আজকের শিশু না চাইতেই সবকিছু পায়। জন্মের পর থেকেই বাবা মা নিজে না খাইয়ে ছেলে মেয়েকে সবটুকু উজাড় করে দিতে চায়। না চাইতেই একের পর এক জিনিস এনে ঘরে পাহাড় করে। আর শিশু আধখাওয়া করে ফেলে দেয়। পরিবর্তে তুলে নেয় আর একটা নতুন জিনিস। এভাবেই হাতের কাছে সব জিনিস পেয়ে তাদের অভ্যাস এমন হয়ে পড়ে যে, পরবর্তীতে তা না পেলে যেনতেন প্রকরণে হোক সেটা আদায় করতে তৎপর হয়, সেটা যে কোন কিছুর বিনিময়ে। দোষটা তো আমাদেরই। সে সুযোগ তো শিশুকে আমরাই করে দিয়েছি।

শিশুদের মধ্যে একটা কৃত্রিম অভাব তৈরি করতে হবে, যাতে সে চাইতে না চাইতেই কোন জিনিস পায়। তবেই তো সে জিনিসের কদর বুঝবে। একটা জিনিস আধখানা খেয়ে ফেলে দেওয়ার জ্বালা তো তাকে বুঝতে দিতে হবে। আমার মনে আছে ছোটবেলায় তখন খুব সম্ভবত ক্লাস সেভেনে পড়ি। পূজার অন্তত দুমাস আগে বাবার কাছে বাইনা নতুন শু কিনে দিতে হবে। নেহাত একজোড়া শু, দামটাও কম নয়। তাই কি আর কিনে দেবেন বাবা!

শুরু হল বায়না। মাকে বলেও কাজ হল না। বাবার কথায় শেষ কথা। ‘তোমার বাবা যখন বলেছে, তার মুখের উপর কথা বলা আমার সাধ্যি কি?’ — মার স্পষ্ট জবাব। অনেক অনুনয় বিনয়। ‘আমি কিন্তু ভাত খাব না।’

‘না খেয়ো না খেয়ো।’ — বাবার স্পষ্ট জবাব। শেষে দু-মাস বাদে পুজো এল। সপ্তমীর সন্ধ্যা। জুতো কিনে না দিলে ঠাকুর দেখতেও যাব না।

বাবা এবার আমার কাছে হেরে গেল। শেষে আমার পছন্দমত জুতো পেলাম। তাহলে দু-মাস অনবরত একই বায়না করে জুতোটা পেলাম। আর এখন হলে ছেলে যেদিন বলবে সেই দিনই চায়। না হলে ছেলে ভয় দেখাবে ‘আমি চললাম।’ ভয়ে তো মা বাবার মুখ চুন। অগত্যা কিছু করার থাকে না। কিনে দিতে বাধ্য। এই কৃত্রিম অভাবটা আজকের ছেলেমেয়েদের বুঝতে দেওয়া হয় না বলেই আজকের ছেলেমেয়ে এত অসহিষ্ণু।

তাই অভিভাবক/অভিভাবিকাদের কর্তব্য আপনার বাচ্চাকে কৃত্রিম অভাবে রাখুন। সহ্য করার মত মানসিকতা গড়ে তুলুন শিশুকাল থেকেই। তবেই তো বড়ো হয়ে তার সহনশীলতার পাশাপাশি সবকিছুকে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা গড়ে উঠবে। আবার কিছুকিছু ছেলেমেয়ে দেখা যায় তারা অত্যন্ত ঘরকুনো স্বভাবের। হাতে স্মার্টফোনে ব্যস্ত অধিকাংশ সময়। তাছাড়া যে সমস্ত ছেলেমেয়েদের বাবা মা চাকরি বাকরি করেন তাদের তো কোন কথাই নেই। তারা খুব আত্মকেন্দ্রিক হয়। তারা না পায় মা বাবার স্নেহ, আদর, না পায় তাদের ভালোবাসা। এজন্য এসমস্ত শিশুগুলি ego centric হয়ে পড়ে। খুব সামান্য মানসিক আঘাতও তারা সহ্য করতে পারে না। কারণ তারা কখনও কারো কাছে আঘাত পেতে শেখেনি। ঘাত প্রতিঘাতেরর মধ্য দিয়ে সে বড়ো হয়নি। সে শুধু চেনে নিজেকে। তার বাবা মা তাকে বাইরের জগতের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়নি। এটা অভিভাবকদেরই দোষ বলতে হয়।

সবশেষে একথায় বলব আজকের শিশু যেভাবে সহিষ্ণুতা হারাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে আগামী দিনে তা এক ভয়াবহ আকার নেবে। সমাজে সহিষ্ণুতা বলে কিছু থাকবে না। আজকের সমাজ ঠিক সেদিকেই এগুচ্ছে।

প্রসেনজিৎ দাস, বিষ্ণুগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেতাই, নদিয়া।

আপনার মতামত লিখুন :

One response to “আজকের শিশু কেন এত অসহিষ্ণু? : প্রসেনজিৎ দাস”

এ জাতীয় আরো সংবাদ

পেজফোরনিউজ-এর নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন

Currently Maintained by the2.dev