| | |
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ লাইন অব প্যাসেজ — সংগ্রামী জীবনের দর্পণ : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয় বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার কেন উত্তম মহানায়ক : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ হড়পা বানের হাড়হিম করা দৃশ্য : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ উত্তম কুমার : বাঙালির সমাজভাষ্য, মূল্যবোধ ও মনস্তাত্ত্বিক উত্তরাধিকার : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয় গৈরিক নয়, ‘গৈরেয়’ শব্দটি থেকেই এসেছে ‘গেরুয়া’ : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বাঙালিয়ানা ও উত্তম কুমার: সংস্কৃতির দর্পণে এক অনন্য মহাকাব্য : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয় বিচিত্র লোক সংস্কৃতি — নন্দোৎসবে নারকেল কাড়াকাড়ি : সুব্রত দত্ত গড়িয়াহাট কি ছিল অলস, অকর্মণ্য বলদের হাট : অসিত দাস চলচ্চিত্র অভিনয়ের সংজ্ঞা ছিলেন উত্তম : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ আমার প্রিয় গল্পগুলো : নুসরাত সুলতানা ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার কবিদের লেখনীতে শরৎ ঋতু : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ নিঝুম রাতের পাড়ি : সুব্রত দত্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ জলবায়ূ দুর্যোগ কোনো সীমান্ত মানে না : নিকোলাস বিশ্বাস জিয়াউর রহমানের বিএনপি গঠন ও ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ : অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গপুঙ্গবের রাখী : অসিত দাস কবরের মানুষ : সোহেল আর রানা (তরু)
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ রাখি পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ

Reporter
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গা / ১১৫ Views জন পড়েছেন
আপডেট সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

৫৪৮। এখন আমি এই বিতর্কের অবসান ঘটাতে আমার সিদ্ধান্তগুলি পেশ করছি। পুরো বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনা করেই আমি এই প্রস্তাবগুলি তৈরি করেছি — যাতে এগুলো আলোচনা আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তি হতে পারে। আমি মনে করি, এই প্রস্তাবগুলি পূর্বে উত্থাপিত সব আপত্তির সমাধান করবে, এবং আমাদের প্রজাদের মধ্যে আস্থা তৈরির নীতিকে তার অপব্যবহার রোধের যথাযথ ব্যবস্থায় জুড়বে।

৫৪৯। জমিদারদের নির্দেশ দেওয়া হবে যেন তাঁরা তাঁদের এখতিয়ারভুক্ত বিভিন্ন পরগনায় বন্দোবস্ত করা অর্থের পরিমাণ এবং প্রতিটি পরগনার নির্ধারিত রাজস্বের পরিমাণ তার অন্তর্গত গ্রামগুলোয় ভাগ করে দেন।

৫৫০। এই হিসাবের সাথে আরেকটি বিবরণীও দাখিল করতে হবে, যাতে গ্রামগুলোর সীমানা এবং প্রতিটিতে জমির আনুমানিক পরিমাণ উপযুক্তভাবে উল্লেখ থাকবে।

৫৫১। এছাড়া, সরকারকে কোনো রাজস্ব প্রদান করে না এমন সমস্ত গ্রামের হিসাবও তাঁদের দাখিল করতে হবে এবং এই হিসাব প্রতি বছর জমা দিতে হবে।

৫৫২। যদি নতুন কোনো গ্রাম স্থাপিত হয় এবং জমিদাররা সেগুলোর হিসাব দাখিল করতে ব্যর্থ হন, তবে সেগুলো সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হবে।

৫৫৩। এই হিসাবগুলো সরকারি কর্মকর্তাদের বর্তমান তথ্যের চেয়ে অধিক তথ্য প্রদান করবে। হিসাব চাওয়ার ফলে কোনো সন্দেহ বা সংশয় সৃষ্টি হলেও, একে জমিদারদের গোপন মুনাফা বা আয় অনুসন্ধানের প্রচেষ্টা হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

৫৫৪। জমি বিক্রয়ের বিষয়টি দুটো দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা প্রয়োজন: প্রথমত, বকেয়া রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে সরকারি আদেশে সর্বজনীন বা প্রকাশ্য নিলামে বিক্রয়; দ্বিতীয়ত, ব্যক্তিগতভাবে সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর।

৫৫৫। প্রথমটির ক্ষেত্রে, প্রস্তাবিত দুটো পদ্ধতির মধ্যে কোনটি গ্রহণ করা হবে, তা নির্ধারণ করা বাকি রয়েছে।

৫৫৬। দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে, বিক্রয়কার্য সরকারের অবগতি ও অনুমোদনের ভিত্তিতে সম্পন্ন হওয়া উচিত; এবং সরকারের অবগতি ও অনুমোদন ছাড়া সম্পাদিত সকল বিক্রয় বাতিল বলে গণ্য করা হবে। যদি এই নিয়মটি অত্যধিক কঠোর বলে মনে হয়, তবে বিক্রয়যোগ্য জমির পরিমাণের ওপর একটা সীমা নির্ধারণ করা যেতে পারে।

৫৫৭। যোগসাজশের বা প্রতারণার বিক্রি বন্ধ করতে কিছু বিধান রাখা আবশ্যক, যাতে কোনো জমিদার ধ্বংসপ্রায় বা অলাভজনক পরগনা থেকে নিষ্কৃতি পেতে ভুয়া ক্রেতা দাঁড় করাতে না পারেন। উদাহরণস্বরূপ, কোনো পরগনার রাজস্ব যদি ৫০,০০০ টাকা ধার্য থাকে কিন্তু তা থেকে মাত্র অর্ধেক পরিমাণ আয় হয়, তবে জমিদার নির্ধারিত রাজস্বের দায় থেকে মুক্তি পেতে একজন নামমাত্র ক্রেতাকে নিযুক্ত করতে পারেন; যিনি নিজের নামে রাজস্বের দায়ভার গ্রহণ করে পালাতে পারেন। জমিদারদের স্বভাব-চরিত্র বিবেচনায় নিলে এমনটি ঘটা সম্ভব বলে মনে হয়; এবং এই বিষয় মাথায় রেখেই রাজস্বের পরিমাণ (জমা) নির্ধারণ করা দরকার। [২১৯]

৫৫৮। জমিদারদের অধিকার ও ভোগদখল সুরক্ষিত করে, আমাদের পরের কাজ হলো তাঁদের প্রজাদের — অর্থাৎ ইজারাদার ও উপ-ইজারাদার, তালুকদার (যারা জমিদারির এখতিয়ারভুক্ত) এবং সাধারণ রায়তের — নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আগের পৃষ্ঠাগুলোয় উল্লিখিত যুক্তি আর তথ্য ভিত্তি করে আমার বিবেচনায় যেসব নিয়ম বা বিধান আসা উচিত, তা আমি পৃথক পৃথক প্রস্তাবে তুলে ধরব। সবকিছু একত্রে বিবেচনা করার সুযোগ পেলে বোর্ড বিষয়গুলো ভালোভাবে পর্যালোচনা করতে এবং সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবে।

৫৫৯। অসুস্থতার কারণে এই নথিপত্রগুলো আগে প্রস্তুত করতে না পারার বিষয়টি আমি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করছি; তবে যদিও সিদ্ধান্ত হয়েছে যে বন্দোবস্ত কেবল এক বছরের জন্য হবে এবং ১৭৯০ সালের এপ্রিলে তার মেয়াদ শেষ হবে, তবুও আমার মতে, বছরের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা না করে এই সময়ের মধ্যেই দশশালা বন্দোবস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করার কোনো কারণ নেই। লিপিবদ্ধ অনেক পর্যবেক্ষণেই এমন একটা ধারণার উল্লেখ রয়েছে যে, দশশালা বন্দোবস্ত গত এপ্রিলে বর্তমান বাংলা বছরের শুরুতেই কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।

আমার একান্ত ইচ্ছা, আমার সমস্ত যুক্তি ও প্রস্তাব যেন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আলোচিত হয়। আমি চাই গভর্নর জেনারেল এবং মিস্টার স্টুয়ার্ট কেবল তাঁদের নিজস্ব মতামত দিয়েই আমাকে সহায়তা করবেন না, বরং যেসব বিষয় তাঁদের কাছে অস্পষ্ট মনে হবে বা আমার যুক্তি যেখানে অসন্তোষজনক বলে মনে হবে, সেসব ক্ষেত্রে তাঁরা এমন সব ব্যক্তির মতামতও গ্রহণ করবেন যাঁদের বিচারবুদ্ধির ওপর তাঁরা আস্থা রাখেন।

এক্ষেত্রে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিলম্ব হওয়াটা বরং সুবিধাজনকই হবে। সুষ্ঠু যুক্তিতে সমর্থিত নয় এমন কোনো মতের প্রতি আমার কোনো বিশেষ আসক্তি নেই; বরং আমার প্রস্তাব সংশোধিত ও উন্নত হলে — অথবা অধিকতর সুবিধাজনক অন্য কোনো প্রস্তাবের খাতিরে আমার প্রস্তাবগুলো পরিত্যক্ত হলে — আমি খুশিই হব।

৫৬০। আমার স্বাস্থ্য আর অন্য কাজের ব্যস্ততা অনুযায়ী আমি প্রতি কালেক্টরের আওতায় বন্দোবস্তের বিস্তারিত বিবরণ প্রস্তুত করার কাজ চালিয়ে যাব এবং তা প্রস্তুত হওয়ামাত্র গভর্নর জেনারেল-ইন-কাউন্সিলের বিবেচনার জন্য পেশ করব। তবে অন্তত দুটো বা তার বেশি প্রধান জমিদারির জন্য নির্দেশাবলির একটা খসড়া আমি বোর্ডের সামনে উপস্থাপন করতে চাই; এর ফলে, আমার প্রস্তাবিত নিয়মগুলোর মধ্যে যেসব নিয়ম অনুমোদিত হবে, সেগুলোর প্রয়োগ অন্যদের জন্য একটা দৃষ্টান্ত বা নজির হিসেবে কাজ করবে। কালেক্টরদের জন্য কিছু অতিরিক্ত বিধিনিষেধ বা নিয়মকানুনের প্রয়োজন হবে এবং বিদ্যমান নিয়মাবলিতেও কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। এছাড়া, একটা বিশেষ পরোয়ানার মাধ্যমে সরকারের অভিপ্রায় ও সিদ্ধান্ত প্রধান জমিদারদের অবহিত করাও জরুরি।

৫৬১। এই নথিতে (মিনিটে) আরও কিছু বিষয় যুক্ত করা যেতে পারে; তবে আমি যেহেতু চাই বিষয়টি অবিলম্বে বোর্ডের বিবেচনার জন্য পেশ করা হোক, তাই আমার মনে যেসব অতিরিক্ত পর্যবেক্ষণ আসবে, আমি সময়ে সময়ে সেগুলো তুলে ধরব।

৫৬২। কোর্ট অফ ডিরেক্টরস-এর আদেশের মাধ্যমে আমাদের ওপর যে গুরুদায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, তা অত্যন্ত মনোযোগের সাথে পালন করার বিষয়টি আমি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেছি। আমি প্রতিটি বিষয়ে — আমার গৃহীত প্রস্তাবগুলোর পক্ষে ও বিপক্ষে — আমার তথ্য ও অভিজ্ঞতার আলোকে সমস্ত যুক্তি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছি; পাশাপাশি অন্যদের পরামর্শও আমি উপেক্ষা করিনি। আমাদের গৃহীত পদক্ষেপগুলোর ক্ষেত্রে অতীতে যে অসামঞ্জস্য বা দোলাচল দেখা গিয়েছিল, তা বিবেচনায় নিলে এ ধরনের আলোচনা কখনোই অতিরিক্ত বিস্তারিত বলে মনে হবে না। মিস্টার গ্রান্টের বিশ্লেষণ আমাকে এমন সব আলোচনার দিকে নিয়ে গেছে যা কারও কারও কাছে অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে; কিন্তু তাঁর উত্থাপিত বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা আমার বিশেষ দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত ছিল। আমি এমন অনেক কথাই পুনর্ব্যক্ত করেছি যা আগেও বলা হয়েছে; এবং যদিও সামগ্রিক আলোচনার ভিত্তিতে উপনীত সিদ্ধান্তগুলো হয়তো নতুন কিছু নয়, তবুও সেগুলোর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আপত্তিগুলো খণ্ডন করা অত্যন্ত জরুরি। আমি আশা করি, এই বিস্তারিত বিবরণ আমার সেই আন্তরিক ইচ্ছারই প্রমাণ দেবে — যা হলো কোর্ট অফ ডিরেক্টরস-এর আদেশ পালন করা এবং এই দেশের রাজস্ব ব্যবস্থাপনার জন্য সুস্পষ্ট, স্থায়ী ও পরিমিত নীতির ওপর ভিত্তি করে একটা প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে ভারতে ব্রিটিশ জাতির প্রকৃত স্বার্থ সমুন্নত রাখা। এই নথিতে (মিনিট-এ) সম্ভবত অনেক ভুলত্রুটি থেকে যেতে পারে; তবে যেহেতু এতে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবগুলোর পক্ষে ও বিপক্ষের যুক্তিগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তাই ভুলগুলো সহজেই শনাক্ত ও সংশোধন করা সম্ভব হবে; এবং ভুলগুলো নির্দেশ করা হলে আমি দ্বিধাহীনচিত্তে তা স্বীকার ও সংশোধন করে নেব। [২০]

১৮ই জুন, ১৭৮৯

(স্বাক্ষর) জে. শোর.

এরপর জন শোর ১৩৪ পাতা পর্যন্ত যে সব টেবল দিয়েছেন, টেবলগুলো না দিয়ে তার শীর্ষক উল্লেখ করে গেলাম।

এখানে দেওয়া ফাইলটির ১২০ থেকে ১৩৪ পৃষ্ঠায় উল্লিখিত টেবিলগুলোর শিরোনামের তালিকা দেওয়া হলো:

১. পৃষ্ঠা ১২০ : (নং ১) — ১৫৮২ থেকে ১৭৬৩ সাল পর্যন্ত বাংলার নিষ্পত্তির ক্রমবর্ধমান হিসাব (Progressive Account of the Settlement of Bengal, from 1582 to 1763) – [এখানে একটি ছবি/টেবিল আছে]

২. পৃষ্ঠা ১২১ : (নং ২) — দীনাজপুরের নিষ্পত্তি, প্রাপ্তি এবং উদ্বৃত্তের বিবৃতি, ১১৬৯ বঙ্গাব্দের জন্য (Statement of the Settlement, Receipts, and Balances of Dinagepore, for the year 1169 B.S.)

৩. পৃষ্ঠা ১২২-১২৩ : (নং ৩) — দীনাজপুরের হাসত-ও-বুদ (Hustabood of Dinagepore), ১১৬৯ বঙ্গাব্দের জন্য

৪. পৃষ্ঠা ১২৩-১২৪ : (নং ৪) — ১১৬৯ বঙ্গাব্দের জন্য বাংলার দেওয়ানি জমির নিষ্পত্তির সংক্ষিপ্ত হিসাব (Abstract Account Settlement of the Dewanny Lands of Bengal, for the Year 1169)

৫. পৃষ্ঠা ১২৫ : (নং ৫) — ১১৬৯ বঙ্গাব্দের জন্য বাংলার দেওয়ানি জমির নিষ্পত্তি, প্রাপ্তি এবং উদ্বৃত্তের বিস্তারিত হিসাবের সংক্ষিপ্তসার (Abstract of a Detailed Account Settlement, Receipts and Balances, of the Dewanny Lands of Bengal, for the year 1169 B.S.)

৬. পৃষ্ঠা ১২৫-১২৬ : (নং ৬) — ১১৭০ এবং ১১৭১ বঙ্গাব্দের জন্য বাংলার দেওয়ানি জমির নিষ্পত্তি, প্রাপ্তি এবং উদ্বৃত্তের বিস্তারিত হিসাবের সংক্ষিপ্তসার (Abstract of the Detailed Account Settlement, Receipts and Balances, of the Dewanny Lands, for the Bengal years 1170 and 1171)

৭. পৃষ্ঠা ১২৭ : (নং ৭) — ১১৭২ বঙ্গাব্দের জন্য বাংলার দেওয়ানি জমির নিষ্পত্তি, প্রাপ্তি এবং উদ্বৃত্তের বিস্তারিত হিসাবের সংক্ষিপ্তসার (Abstract of the Detailed Account Settlement, Receipts and Balances, of the Dewanny Lands of Bengal, for the year 1172 B.S.)

৮. পৃষ্ঠা ১২৮ : (নং ৮) — ১১৬৯ সালে কাসিম আলি খানের নিষ্পত্তি এবং ১১৭২ সালে মোহাম্মদ রেজা খানের নিষ্পত্তির মধ্যে ক্রমহ্রাসমান হ্রাস দেখানো হিসাব (Account showing the progressive Decrease between the Settlement of Cossim Ali Khan, in 1169; and the Settlement made in 1172, by Mahomed Reza Khan)

৯. পৃষ্ঠা ১২৯ : (নং ৯) — ১১৯৩/৯৪ সালের জন্য জুম্মার বিবৃতি, যেগুলো সিডেড ল্যান্ডস (Ceded Lands) গঠন করেছিল (Statement of the Jumma for 1193/4, of those Mehals which composed the Ceded Lands)

১০. পৃষ্ঠা ১৩০ : (নং ১০) ১১৭২ সালে মোহাম্মদ রেজা খানের বাংলার নিষ্পত্তিতে অন্তর্ভুক্ত দুর্রুমপুর বাদে ১১৯৪ সালের জন্য বিহারের মহলগুলোর বিবৃতি (Statement of the Mehaults Behar for 1194, with the exception of Durrumpore, included in Mahomed Reza Khan’s Settlement of 1172, for Bengal)

১১. পৃষ্ঠা ১৩১-১৩২ : (নং ১১) — দেওয়ানি জমির জন্য জমিদারি খরচের (Zemindarry Charges) বিবৃতি

১২. পৃষ্ঠা ১৩৩: (নং ১২) — ১লা মে ১৭৮৬ থেকে ৩০শে এপ্রিল ১৭৮৭ পর্যন্ত সংগৃহীত কলকাতা বন্দর শুল্ক ও সরকারি কাস্টমসের হিসাব (Account of Calcutta Port Duties and Government Customs collected from 1st May 1786, to 30th April 1787)

১৩. পৃষ্ঠা ১৩৪: (নং ১৩) — ১লা মে ১৭৮৬ থেকে ৩০শে এপ্রিল ১৭৮৭ পর্যন্ত বিক্রিত লবণের উপর রওয়ানা শুল্কের হিসাব; ১১৮৯, ১১৯০-৯১ এবং ৯৯ বঙ্গাব্দের উৎপাদন; বিদেশি লবণ সহ (Account of Rowannah Duties on Salt sold from the 1st of May 1786 to 30th April 1787; the Manufacture of 1189, 1190-91 and 99 B. S.; including foreign salt)

চলবে

ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট ফ্রম দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দি অ্যাফেয়ার্স অফ দি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভলিউম-২, ইন্ট্রোডাকশন অ্যান্ড বেঙ্গল এপেন্ডিক্স।

বিশ্বেন্দু নন্দ

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন

Currently Maintained by the2.dev