শোনা যায়, চিকিৎসার জন্য শ্যামপুকুর এবং কাশীপুরে এসে এক সময় অসুস্থ রামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ফেরবার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু মন্দির-কর্তৃপক্ষ তাতে উৎসাহ দেখাননি। কাশীপুরে দেহাবসানের পরও গোলমাল। শ্রীমা তখন নিঃস্ব। মাকে ত্রৈলোক্যনাথ বিশ্বাস মাসে পাঁচ-সাতটি করে টাকা দিতেন। তিনি যখন বৃন্দাবনে তখন ভাইপো রামলাল বাগড়া দিলেন, খাজাঞ্চিদের বললেন, মা ভক্তদের কাছ থেকে যা পান তা একজন […]