
৩৩০. রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ঘাটতি কেবল দুটি কারণেই হতে পারে: হয় রাজস্ব আদায়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিনিধির অসদাচরণ, অথবা এমন কোনো বিপর্যয় যা প্রতিরোধ করা তাঁর পক্ষে সম্ভব ছিল না। উভয় ক্ষেত্রেই আপত্তিটি জোরালো — বিশেষ করে যদি বিপর্যয়টি এমন মাত্রার হয় যার জন্য রাজস্ব মওকুফের দাবি করা যেতে পারে।
৩৩১. এই যুক্তির বিপরীতে হয়তো মুসলিম আমলের নথিপত্রে কিংবা আমাদের নিজস্ব প্রশাসনের নথিপত্রেও কিছু নজির পাওয়া যেতে পারে; কিন্তু যখন কোনো নজির যুক্তি ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হয়, তখন তা বর্জন করতে গিয়ে যতই অসুবিধা হোক না কেন, এমন কোনো ব্যবস্থায় তা গ্রহণ করা উচিত নয় যা নীতিগতভাবে যুক্তি ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দাবি করে। উত্তরাধিকারী যদি যোগ্য হন তবে তাঁকে দায়িত্ব প্রদানের মাধ্যমে এই আপত্তির জোর কিছুটা কমানো যেতে পারে; কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তা অবাস্তব হতে পারে, কারণ উত্তরাধিকারী হয়তো লিঙ্গ বা নাবালকত্বের কারণে ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব গ্রহণের উপযুক্ত নাও হতে পারেন।
৩৩২. জমিদারকে যখন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ — সব ধরনের হস্তক্ষেপ থেকে দূরে রাখা হচ্ছে, তখন সরকারকে হয় জমির দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নিতে হবে, অথবা জমিকে ইজারা দিতে হবে; উভয় ক্ষেত্রেই জমিদারের জন্য জীবিকা বা ভরণপোষণের কোনো ব্যবস্থা রাখা আবশ্যক।
৩৩৩. জমিদারি ইজারা প্রদানের মাধ্যমে জমিদারের সম্পত্তির মালিকানা সুরক্ষিত থাকে; যেহেতু রাজস্ব পরিশোধ করা হোক বা না হোক, এতে কোনো প্রভাব পড়ে না; তাই এই পরিকল্পনার সমর্থনে আর কোনো যুক্তি দেখানো সম্ভব নয়। সাধারণ ‘ফার্মিং’ বা ইজারা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে যেসব ত্রুটি বা অসুবিধার কথা স্বীকরা, সেগুলো ছাড়াও এই নির্দিষ্ট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যেসব আপত্তি রয়েছে, তা হলো: —
৩৩৪. জমিদারির দায়িত্ব ইজারাদারের হাতে থাকায় জমিদার-কর্মচারীরা কাজে নিযুক্ত থাকেন না; ফলে যখন জমিদারি নতুন করে জমিদারের হাতে ফিরে আসে, তখন তারা ব্যবস্থাপনা পরিচালনায় কম দক্ষ হয়ে পড়েন। এছাড়া, উত্তরাধিকারী এই কাজের কোনো অভিজ্ঞতা বা জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পান না এবং নিজের পদের সাথে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকা অবস্থাতেই প্রশাসনের ভার গ্রহণ করেন। —
৩৫৫. ইজারাদারকে যেমন মুনাফা অর্জন করতে হয়, তেমনি জমিদারকেও জীবিকা নির্বাহের সংস্থান করতে হয়; ফলে এই দ্বৈত ব্যয়ের সংস্থান সরকারের ওপর একটা অতিরিক্ত কর বা বোঝার মতো হয়ে দাঁড়ায়। —
৩৩৬. রাজস্বের বিষয়ে সরকারের পাওয়া জামানত কেবল ব্যক্তিগত প্রকৃতির; অর্থাৎ, তা জমির ওপর দাবি বা দায় হিসেবে আদায়যোগ্য নয়।
৩৩৭. রাজস্ব বিষয়ক নথিতে মিস্টার ফ্রান্সিস পঞ্চম ও সপ্তম অনুচ্ছেদে একটা ‘কোর্ট অফ ওয়ার্ডস’ (নাবালক, মহিলা বা অযোগ্য জমিদারদের বিষয়-সম্পত্তি তদারকির আদালত) গঠনের প্রস্তাব করেছেন। এর উদ্দেশ্য হলো এমন সব এস্টেট বা সম্পত্তির দেখাশোনা করা যার মালিকরা নাবালক, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বা নারী; এবং নাবালকদের শিক্ষার দায়িত্ব গ্রহণ করা — যে দায়িত্ব বর্তমানে সাধারণত এমন সব কর্মচারী বা আত্মীয়দের ওপর ন্যস্ত থাকে, যাদের স্বার্থই হলো শিশুদের অজ্ঞ ও মূর্খ হিসেবে গড়ে তোলা। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় এই প্রস্তাবটি মনোযোগ সহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
৩৩৮. এ ধরনের একটা পৃথক প্রতিষ্ঠান গঠনের ক্ষেত্রে দুটি আপত্তি রয়েছে; প্রথমত, এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয়ভার বহন করা সরকারের পক্ষে কঠিন; এবং দ্বিতীয়ত, এর কার্যক্রমের সাথে ‘বোর্ড অফ রেভিনিউ’-এর কাজের সংঘাত বা হস্তক্ষেপের আশঙ্কা। এই সমস্যাগুলো কীভাবে সমাধান করা যেতে পারে, তা আমার বোধগম্য নয়।
৩৩৯. তবে, নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর মাধ্যমে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য সফল করা সম্ভব হতে পারে:
৩৪০. অযোগ্য ঘোষিত জমিদারদের সমস্ত দায়-দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে এবং তাঁদের জমি সরকারিভাবে নিযুক্ত একজন ব্যবস্থাপকের তত্ত্বাবধানে থাকবে।
৩৪১. ‘বোর্ড অফ রেভিনিউ’ এক্ষেত্রে কিছুটা ‘কোর্ট অফ ওয়ার্ডস’-এর ভূমিকা পালন করবে; ব্যবস্থাপক বা ট্রাস্টিকে প্রাথমিকভাবে কালেক্টর সুপারিশ করবেন এবং তিনি কালেক্টরের কাছে জবাবদিহি করবেন; আর তাঁরা উভয়েই ‘বোর্ড অফ রেভিনিউ’-এর কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন।
৩৪২. এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে দুটি আপত্তি রয়েছে; একটা হলো ট্রাস্টির কার্যকলাপ তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের সাথে জড়িত জটিলতা, এবং দ্বিতীয়টি হলো সরকারের জামানত বা সুরক্ষার বিষয়টি জমি থেকে সরে গিয়ে একজন এজেন্টের দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়া। তবে আমার মতে, এই আপত্তিগুলো প্রস্তাবের সপক্ষে থাকা যুক্তিগুলোকে বাতিল করার মতো যথেষ্ট জোরালো নয়। জমিদারের জন্য সুব্যবস্থা রাখা আবশ্যক — হয় জেলার ‘জমা’ (নির্ধারিত রাজস্ব) স্থির করে এবং তার অতিরিক্ত আয়কে মালিকের প্রাপ্য ঘোষণা করে, অথবা ‘মোশাইরা’ (ভরণপোষণ ভাতা) হিসেবে একটা নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের মাধ্যমে।
৩৪৩. ‘জমা’ বা রাজস্ব নির্ধারণের ক্ষেত্রে রাজস্ব পরিকল্পনার মূল নীতিটিই অনুসরণ করা হয়; এবং যদি অর্জিত আয় জমিদারদের জন্য নির্ধারিত সাধারণ ভাতার বা তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের চেয়ে বেশি হয়, তবে উদ্বৃত্ত অর্থ জমিদারির উন্নয়ন, কোনো ঋণ থাকলে তা পরিশোধ এবং জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য একটা তহবিল গঠনের কাজে লাগানো যেতে পারে।
৩৪৪. দ্বিতীয় পদ্ধতির সুবিধা হলো, এটা পূর্ববর্তী পদ্ধতির হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে সাহায্য করে; এটা জমিদারদের পাওনা অর্থ প্রাপ্তি নিশ্চিত করে এবং মুনাফার পরিমাণ নিয়ে তাদের পক্ষ থেকে আসা বিব্রতকর আবেদন বা আলোচনা থেকে সরকারকে রেহাই দেয়। সামগ্রিকভাবে জমিদাররাও এতে লাভবান হবেন বলে মনে হয়; কারণ ‘জমা’ (নির্ধারিত রাজস্ব) নির্দিষ্ট করে দিয়ে প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা ব্যবস্থাপক কর্মকর্তার অবহেলা বা অসততার কারণে তার অতিরিক্ত মুনাফা তাদের হাতে ছেড়ে দিলে — তারা হয়তো জীবিকা নির্বাহের উপায় থেকে বঞ্চিত হতে পারতেন এবং তখন তাদের দুর্দশা লাঘবে সরকারকে হয়তো সহায়তার ব্যবস্থা করতে হতো; কিন্তু শুরুতেই তাদের ‘মশাইরা’ (নির্ধারিত ভাতা) প্রদানের ব্যবস্থা করলে তারা দুর্দশা থেকে সুরক্ষিত থাকেন এবং সাহায্যের জন্য বাড়তি আবেদনের প্রয়োজন পড়ে না। আমার ধারণা, পূর্ববর্তী পদ্ধতির তুলনায় পরবর্তী পদ্ধতিতে জমিদাররা খুব কম ক্ষেত্রেই কম অর্থ পাবেন। যদি কোনো বছরের মুনাফা মশাহারার সাধারণ পরিমাণের চেয়ে বেশি হতো, তবে ব্যবস্থাপনা সরকারের কর্মকর্তাদের হাতে থাকাকালীন সরকার হয়তো সেই উদ্বৃত্ত অর্থ নিজেরা নিয়ে নেওয়ার বা রাজস্বের দাবি বাড়িয়ে তা আত্মসাৎ করার প্রলোভনে পড়তে পারত। এই সিদ্ধান্ত কেবল সেই সব জমিদারির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে যা বর্তমানে নাবালক বা নারীদের মালিকানাধীন; কারণ অন্যান্য জমিদারির ক্ষেত্রে নির্ধারিত ‘জমা’ অপরিবর্তিত থাকা উচিত এবং সেখানে প্রথম প্রস্তাবটিই গ্রহণ করা সমীচীন।
৩৪৫. প্রতিটি প্রস্তাবের পক্ষেই জোরালো যুক্তি রয়েছে এবং আমি সেগুলো বোর্ডের সিদ্ধান্তের জন্য পেশ করছি।
৩৪৬. তবে, নাবালকত্ব অবসানের বয়সসীমা আমাদের নির্ধারণ করা উচিত। এ বিষয়ে হিন্দু আইনে কিছুটা নমনীয়তা থাকলেও সাধারণত ষোল বা সতেরো বছর বয়সে সাবালকত্ব বা পূর্ণবয়স্ক হওয়ার বিষয়টি গণ্য করা হয়; পণ্ডিত ও মৌলভিদের সাথে পরামর্শ করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। সতেরো বছর বয়সকে হয়তো কোনো জমিদারির দায়িত্ব অর্পণের জন্য খুব কম বয়স বলে মনে করা হতে পারে; সেই প্রারম্ভিক সময়ে কোনো কোনো জমিদার হয়তো তাঁদের মালিকানাসুলভ দায়িত্ব পালনে সক্ষম ছিলেন; কিন্তু অন্যরা — এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই — তাতে সক্ষম ছিলেন না। বিষয়টি বিবেচনার দাবি রাখে যে, এই সীমাবদ্ধতার মেয়াদ কি নাবালকতা বা অপাওয়াবয়স্কতার অবসান পর্যন্ত বর্ধিত করা হবে, নাকি নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা পর্যন্ত তা নির্ধারণ করা হবে। প্রথমোক্ত ক্ষেত্রে, রাষ্ট্র ও জমিদারের প্রকৃত স্বার্থের কথা বিবেচনা করে আমরা যৌক্তিক নীতিই অনুসরণ করি; কিন্তু একই সাথে আমরা হিন্দু আইনের প্রথাগত নিয়মের বাইরে গিয়ে জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাঁদের অক্ষমতা ঘোষণা করি — অথচ ব্যক্তিগত পর্যায়ে জমিদাররা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে দায়বদ্ধ থাকেন এবং তাঁদের পাওনা আদায়ের দাবিতে জমিদারের বিরুদ্ধে আইনি মামলাও দায়ের করা যেতে পারে।
৩৪৭. জমিদারদের শিক্ষার বিষয়ে মিস্টার ফ্রান্সিসের প্রস্তাবের দ্বিতীয় অংশটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; তাই এটাকে উপেক্ষা করা যায় না। তবে আমার আশঙ্কা, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকারকে এমন কিছু কর্তৃত্ব প্রয়োগ করতে হতে পারে যা নিয়ে আপত্তি ওঠার অবকাশ রয়েছে।
৩৪৮. ১৭৮১ সালে রাজস্ব কমিটি দিনাজপুরের নাবালক জমিদারের শিক্ষার জন্য একটা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল, কিন্তু তার মায়ের অনমনীয় মনোভাবের কারণে তা ব্যর্থ হয়। তিনি তাঁর পুত্রকে নিযুক্ত শিক্ষকদের কাছে পাঠাতে রাজি হননি এবং পুত্রের উপস্থিতির বিষয়ে সমস্ত আদেশ ও অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। বালকটিকে তাঁর ব্যক্তিগত আবাসকক্ষে আটকে রাখা হয়েছিল, যেখানে শিক্ষা প্রদান করা ছিল অসম্ভব।
৩৪৯. আমার কোনো সন্দেহ নেই যে বর্তমান পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও একই ধরনের জটিলতা দেখা দেবে। তাই এসব বাধা দূর করতে সরকারকে হস্তক্ষেপ করতেই হবে, নতুবা পরিকল্পনাটি ব্যর্থ হবে। কোনো পদক্ষেপের উদ্দেশ্য যদি যৌক্তিক হয় এবং তার ঘোষিত নীতিমালার ভিত্তিতে তা সমর্থনযোগ্য হয়, তবে তা বাস্তবায়নের জন্য আমি এমন সব উপায় অবলম্বন করতে দ্বিধা করব না যা অন্য পরিস্থিতিতে হয়তো সুপারিশ করতাম না। কোনো জমিদার যদি তাঁর পুত্র বা উত্তরাধিকারীর প্রকৃত মঙ্গলের বিষয়ে এতটাই উদাসীন হন যে যুক্তিসঙ্গত পরামর্শেও কর্ণপাত করেন না, তবে আমি মা ও পুত্রকে অন্তত কিছু সময়ের জন্য আলাদা রাখার প্রস্তাব করব। তাঁকে বাধ্য করার জন্য প্রয়োজনে তাঁর ভরণপোষণ বন্ধ রাখা যেতে পারে অথবা তাঁরই সম্প্রদায়ের নারীদের দিয়ে তাঁর আবাসকক্ষে প্রবেশ করিয়ে বালকটিকে সেখান থেকে সরিয়ে আনা যেতে পারে। তবে সরকারের দৃঢ় সংকল্পের কথা জানতে পারলে এই বিরোধিতা খুব একটা দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলেই আমার ধারণা। শিক্ষার উপযুক্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আলাদা করা উচিত নয়; আবার মা যদি মনোনীত শিক্ষকদের কাছে পুত্রকে পাঠাতে রাজি থাকেন কিংবা নিজেই উপযুক্ত শিক্ষক নিয়োগ করেন, তবে কোনো অবস্থাতেই তাঁদের আলাদা করা ঠিক হবে না।
৩৫০. শিক্ষকরা অবশ্যই এস্টেট পরিচালনার দায়িত্বে থাকা অছি বা ট্রাস্টির চেয়ে আলাদা ব্যক্তি হতে হবে; ট্রাস্টির ক্ষেত্রে ডিরেক্টররা কোনো বিচক্ষণ ও সম্মানীয় আত্মীয়কে নিয়োগের সুপারিশ করেন। আমার বিশ্বাস, সামগ্রিকভাবে বিচার করলে প্রস্তাবিত পরিকল্পনাটি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার সাথে সর্বাধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে প্রতীয়মান হবে, যদিও তা নির্দেশনার গণ্ডি কিছুটা অতিক্রম করেছে বলে মনে হতে পারে। এছাড়া রাজস্ব বোর্ড কালেক্টরদের যে নির্দেশ দিয়েছিল, তার সাথেও এর কিছুটা পার্থক্য রয়েছে; সেই নির্দেশে জমিদারের ওপর নামমাত্র দায়িত্ব বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছিল।
চলবে
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট ফ্রম দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দি অ্যাফেয়ার্স অফ দি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভলিউম-২, ইন্ট্রোডাকশন অ্যান্ড বেঙ্গল এপেন্ডিক্স।

বিশ্বেন্দু নন্দ