
২২৬. সাধারণত সমগ্র বাংলা জুড়েই রায়তরা নগদ অর্থে খাজনা পরিশোধ করে থাকে; তবে কিছু কিছু এলাকায় চাষি ও জমিদারের মধ্যে উৎপাদিত ফসলের একটা অংশ বিভিন্ন অনুপাতে ভাগ করে নেওয়া হয়। এই প্রথাটি মূলত ‘খামার’ (বা নিজ-চাষাধীন) হিসেবে পরিচিত জমির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
২২৭. একজন রায়ত কোনো আনুষ্ঠানিক বা পরোক্ষ (উহ্য) চুক্তির মাধ্যমে তার খাজনা পরিশোধ করে থাকে।
২২৮. প্রথমটি হলো একটা দলিল বা চুক্তিপত্র, যাকে ‘পাট্টা’ বলা হয়; এতে তার ভূমিস্বত্বের প্রকৃতি, শর্তাবলি এবং খাজনার পরিমাণ উল্লেখ থাকা উচিত। তবে অনেক সময় এতে কিছু শর্তের বিষয়ে অস্পষ্ট বা অনির্দিষ্ট নিয়মের উল্লেখ থাকে — যেমন গ্রামের বা পরগনার প্রচলিত প্রথা, বিগত কোনো বছরের নির্ধারিত হার কিংবা তার পূর্বসূরি বা আগের চাষির দেওয়া খাজনার পরিমাণ।
২২৯. পরোক্ষ বা উহ্য চুক্তির শর্তাবলি কখনও কখনও সুনির্দিষ্ট হয় — যেমন চট্টগ্রামে, যেখানে ১৭৬৭ সালে জমি পরিমাপের ভিত্তিতে নির্ধারিত হার অনুযায়ী প্রতি বছর খাজনা দেওয়া হয়; আবার কখনও তা অনির্দিষ্টও হতে পারে — যেমন নদীয়া জেলায়, যেখানে বিগত বছর বা তার আগের বছরের খাজনার হারের ওপর ভিত্তি করে বর্তমান খাজনা নির্ধারণ করা হয়।
২৩০. কোনো কোনো স্থানে, যেমন ঢাকা জেলার উত্তরাংশে, ফসল তোলার ঠিক আগে ‘হস্তবুদ’ (hustabood) বা প্রতিটি ভাড়াটিয়ার দখলে থাকা জমির পরিমাপের মাধ্যমে খাজনা আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়; এই পরিমাপের ভিত্তিতেই জমির মূল্যমান নির্ধারণ ও খাজনা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।
২৩১. রায়তদের ভূমিস্বত্ব বা শর্তাবলির ক্ষেত্রে বিদ্যমান নানাবিধ গৌণ বৈচিত্র্যের বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া এক অন্তহীন কাজ। একটা স্পষ্ট যে, এমন এক দেশে — যেখানে দীর্ঘকাল ধরে স্বেচ্ছাচারী বিবেচনাবোধই ছিল কর বা খাজনা আদায়ের মাপকাঠি; যেখানে মাটির গুণাগুণ ও ফসলের প্রকৃতি অনুযায়ী খাজনার হার নির্ধারিত হয়; যেখানে জমি পরিমাপের মানদণ্ড ভিন্ন ভিন্ন; এবং যেখানে একই জেলা ও গ্রামে অসংখ্য ও প্রায়শই পরস্পরবিরোধী প্রথা প্রচলিত — সেখানে এই কাজ সম্পন্ন করা প্রায় অসম্ভব। এ বিষয়ে রাজশাহীর কালেক্টর মন্তব্য করেছেন যে, ‘মাটির অগণিত বৈচিত্র্য এবং স্থানীয় পরিস্থিতির কারণে এর মূল্যের যে তারতম্য ঘটে, তা কেবল একজন কালেক্টরের পক্ষেই নয়, বরং যিনি এটাকে তাঁর জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেননি, এমন যেকোনো ব্যক্তির পক্ষেই অনুসন্ধান করা বা এমনকি অনুধাবন করাও প্রায় অসম্ভব।’
২৩২. উপরে উল্লিখিত পার্থক্যগুলো কোনো না কোনো নিয়মের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে; কিন্তু বর্তমানে বিদ্যমান অনিয়ম বা অপব্যবহারগুলো অত্যন্ত ব্যাপক এবং সেগুলো সম্পর্কে জানা অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। এগুলোর মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখ করা যেতে পারে।
২৩৩. প্রথমত। জমিদার, ইজারাদার ও অন্যান্যদের দ্বারা রায়তদের ওপর চাপানো স্বেচ্ছাচারী কর বা অতিরিক্ত দাবি; সাধারণত রায়তদের অর্থ প্রদানের সম্ভাব্য ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই এসব করের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। এই অতিরিক্ত কর আদায়ের অজুহাতও নানাবিধ; যেমন — জমিনদারের মৃত্যু, পুত্রসন্তানের জন্ম কিংবা সরকারের পক্ষ থেকে জমিদারের ওপর বাড়তি করের বোঝা চাপানো ইত্যাদি। অনেক সময় এমন শর্ত দেওয়া ও মেনে নেওয়া হয় যে, এই করের মেয়াদ কেবল সেই বছরের জন্যই প্রযোজ্য হবে; কিন্তু সমপরিমাণ অর্থের অন্য কোনো কর বা আবওয়াব (অতিরিক্ত কর) চালু না করে এগুলো খুব কমই প্রত্যাহার করা হয়।
২৩৪. দ্বিতীয়ত। ভাড়াটিয়া (বা মধ্যস্বত্বভোগী, যেমন ইজারাদার) ও রায়তদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তির অভাব। এটা একটা অত্যন্ত সাধারণ অভিযোগ, কারণ এর ফলে অতিরিক্ত বা অবৈধ আদায় শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
২৩৫. তৃতীয়ত। কর বা খাজনা নির্ধারণে বৈষম্য; প্রভাবশালী পক্ষের (উচ্চতর স্তরের ব্যক্তিদের) স্বার্থ রক্ষার্থে এবং সাধারণ বা নিম্নস্তরের রায়তদের চরম ক্ষতির বিনিময়ে এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়, যা মূলত প্রভাবশালী পক্ষের প্রভাব বা চাপ প্রয়োগের ফল।
২৩৬. চতুর্থ। কোনো কোনো স্থানে পাট্টার শর্তাবলি অস্পষ্ট হওয়া — যেখানে জমির পরিমাণ ও গুণাগুণ কিংবা খাজনার হার — কোনোটিই সুনির্দিষ্ট থাকে না।
২৩৭. পঞ্চম। জেলার কোনো কোনো অংশে ফসলহানি বা অন্য কোনো কারণে সৃষ্ট খাজনার ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য অন্যান্য রায়তদের ওপর সেই বাড়তি বোঝা চাপানোর স্বেচ্ছাচারী প্রথা।
২৩৮. ষষ্ঠ। জমিদার বা ভূস্বামী এবং ইজারাদারদের পক্ষ থেকে রায়তদের সাথে করা চুক্তির শর্তাবলি ক্রমাগত লঙ্ঘন করা।
২৩৯. সপ্তম। রায়তরা যে খাজনা পরিশোধ করেন, তার বিপরীতে তাদের নিয়মিতভাবে কোনো রসিদ বা খালাসপত্র (discharges) প্রদান না করা।
২৪০. অন্যদিকে, রায়তরা নানা অনিয়ম বা অপব্যবহার থেকেও সুবিধা ভোগ করে থাকে। চুক্তির অভাব কিংবা চুক্তির শর্তাবলীতে অস্পষ্টতা তাদের জমিদারদের ঠকানোর সুযোগ করে দেয়; জোরকরে অর্থ আদায়ের (exaction) বিরুদ্ধে তারা চালাকির আশ্রয় নেয় এবং প্রায়শই তাতে সফল হয়। তারা এমন সব জমি চাষাবাদ করে যার কোনো সরকারি হিসাব নেই এবং চুক্তিকরা পরিমাণের চেয়ে অনেক বেশি জমি নিজেদের দখলে রাখে; ফলে আপাতদৃষ্টিতে অত্যধিক বা লুঠমূলক মনে হওয়া খাজনা ও করও তারা পরিশোধ করতে সক্ষম হয়। যোগসাজশে তারা কম খাজনা হারে জমি ভোগ-দখল করে; অবিলম্বে চাষযোগ্য জমিকে পতিত জমি হিসেবে দেখিয়ে কম শর্তে তার বন্দোবস্ত বা অনুদান হাতিয়ে নেয়; এবং ইজারার মেয়াদ শেষে ইজারাদারের সাথে আঁতাত করে ভুয়া ‘পাট্টা’ (জমির স্বত্ব বা ইজারা দলিল) ও হিসাবপত্র তৈরি করায়, যার উদ্দেশ্য হলো পরবর্তী ইজারাদারকে প্রতারিত করা।
২৪১. দেখা গেছে যে, কোনো কোনো জেলার রায়তরা ‘পাট্টা’ (জমির বন্দোবস্ত-পত্র) গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করেছে — অথচ এই পাট্টাই তাদের জোরকরে অর্থ আদায় বা লুঠ থেকে সুরক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। তাদের এই অনীহার কারণ হিসেবে বলা হয় যে, খাজনার হার নির্দিষ্ট বা অপরিবর্তনীয় হয়ে গেলে ভবিষ্যতে তার ওপর ভিত্তি করেই হয়তো নতুন কোনো কর বা বাড়তি বোঝা চাপানো হতে পারে। তবে এই যুক্তির গুরুত্ব স্বীকার করেও বলা যায় যে, তাদের এই আপত্তির পেছনে পূর্বোল্লিখিত অন্যান্য কারণও বিদ্যমান থাকতে পারে। রাজশাহীর কালেক্টর আমাদের জানিয়েছেন যে, ‘তিনি আশঙ্কা করছেন — নতুন ধরনের ‘পাট্টা’ প্রবর্তনের কথা শুনলে রায়তদের (কৃষকদের) মনে এমন এক ভীতি বা সংশয় সৃষ্টি হবে, যা কোনো ব্যাখ্যার মাধ্যমেই দূর করা সম্ভব হবে না।’
২৪২. গ্রামের আয়তন অনুযায়ী প্রায় প্রতিটি গ্রামেই একজন বা একাধিক প্রধান রায়ত থাকেন — যাঁরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন নামে পরিচিত — এবং তাঁরাই অনেকাংশে অন্যান্য রায়তের কাজকর্ম পরিচালনা ও তদারকি করেন। পার্থক্যের খাতিরে আমি এখানে তাঁদের ‘মণ্ডল’ (Mundul) হিসেবেই উল্লেখ করব; তাঁরা খাজনা নির্ধারণ, চাষাবাদ পরিচালনা এবং খাজনা আদায়ের কাজে সহায়তা করেন।
২৪৩. আপাতদৃষ্টিতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই শ্রেণির মানুষজনই বর্তমানে প্রচলিত নানা অনিয়ম ও অপকর্মের প্রসারে বড় ভূমিকা রেখেছেন বলে মনে হয়; তাঁরা জমিদার, ভূস্বামী, ইজারাদার এবং সাধারণ রায়ত — সবারই স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে নিজেদের সুবিধা আদায় করে নিয়েছেন।
২৪৪. সাধারণ রায়তদের ওপর তাঁদের ক্ষমতা ও প্রভাব অত্যন্ত ব্যাপক; তাঁরা সাধারণ রায়তদের স্বার্থের বিনিময়ে ইজারাদারের সাথে সমঝোতা করেন এবং নিজেরা কম খাজনা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন — অথচ ইজারাদারের প্রাপ্য অর্থের কোনো কমতি হয় না, কারণ সেই বাড়তি বা ঘাটতি অংশের বোঝা সাধারণ রায়তদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয় এবং নানা ধরনের করের মাধ্যমে তা আদায় করা হয়। তাঁরা ‘পাট্টা’ নিয়ে কারবার করেন — গোপন চুক্তির মাধ্যমে এর হার কমিয়ে দেন এবং জমি আলাদা করা বা গোপন রাখার বিষয়টিতে প্রশ্রয় দেন। অনিয়ম রোধের কোনো চেষ্টা করা হলে তাঁরা রায়তদের অভিযোগ জানাতে এবং কখনও কখনও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে উসকানি দেন। বীরভূমে এর একটা প্রকট উদাহরণ দেখা গিয়েছিল; যখন নিম্নবর্গের রায়তদের ওপর থেকে করের বোঝা কমিয়ে এবং মণ্ডলদের অবৈধ আয় বাজেয়াপ্ত করে করের হার সমান করার চেষ্টা করা হয়েছিল, তখন তাৎক্ষণিক বিরোধিতা দেখা দেয় এবং অভিযোগকারীরা কলকাতায় ছুটে আসেন। সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে সরকারকে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল; আর বর্তমানে রায়তরা তাঁদের নিজেদের মঙ্গলের জন্য এবং তা নিশ্চিত করার নীতিমালার ভিত্তিতে প্রস্তাবিত কোনো ব্যবস্থার প্রতিই যেন বিমুখ। এর আগে যখন একই জেলার জমিদার একটা সাধারণ ও সমান কর-নির্ধারণের ভিত্তি হিসেবে জমির সামগ্রিক পরিমাপের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তখন মণ্ডলরা চাঁদা তুলে তাঁকে সেই উদ্যোগ থেকে বিরত থাকতে রাজি করিয়েছিল। পূর্ণিয়াতেও কালেক্টরের ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টির ক্ষেত্রে তাঁদের এই প্রভাব একইভাবে কাজ করেছে। রাজশাহীর কালেক্টরের কাছ থেকে আমরা জানতে পারি যে, সেখানকার প্রধান ‘মণ্ডল’রাই এখন জমির প্রকৃত কর্তায় পরিণত হয়েছেন; তাই একজন জমিদারের প্রাথমিক লক্ষ্য হওয়া উচিত তাঁদের ক্ষমতা ধীরে ধীরে হ্রাস করা।
২৪৫. ১৭৭৭ সালে তদন্ত পরিচালনার জন্য গঠিত কমিটি ১৭৭৮ সালের ২৫শে মার্চ তাদের প্রতিবেদনে ‘মণ্ডল’ বা ‘মোকদ্দম’-এর কার্যাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার পর এই কর্মকর্তা বিষয়ে একটা পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে, যা বিশেষভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি: ‘তাই প্রবীণ ও বুদ্ধিমান বাসিন্দাদের মধ্য থেকেই মণ্ডলকে নির্বাচন করা হয় এবং তাঁর প্রভাব ও সেবার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে রায়তদের ভালো মতামতের ওপর নির্ভর করে; যতক্ষণ তিনি রায়তদের আস্থা বজায় রাখেন, ততক্ষণ তাঁকে পরিবর্তন করা জমিদারের স্বার্থের অনুকূল নয়।’
২৪৬. আমি এই নীতির যথার্থতা স্বীকার করি এবং বিষয়টি বিবেচনার ক্ষেত্রে এটা বিশেষ মনোযোগের দাবি রাখে। তাহলে এখন যে বিষয়টি নির্ণয় করা প্রয়োজন তা হলো — এতটা আপাত-উপকারী একটা ব্যবস্থা কেন অপব্যবহারের শিকার হলো? এর উত্তরটি স্পষ্ট: একদিকে জমিদার ও ইজারাদারদের অজ্ঞতা ও অযোগ্যতা এবং অন্যদিকে নিয়ন্ত্রণমূলক প্রাচীন ব্যবস্থাগুলো বজায় রাখার ক্ষেত্রে সরকারের উদাসীনতা। অজ্ঞতা ও অসতর্কতার কারণে যখন সমস্ত নিয়ন্ত্রণ ও বাধ্যবাধকতা শিথিল বা অপসারিত হয়ে যায়, তখন কোনো গোষ্ঠী তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্বের অপব্যবহারের মাধ্যমে পাওয়া সুযোগ-সুবিধা ত্যাগ করবে — এমনটা আশা করা অত্যধিক প্রত্যাশা হবে।
২৪৭. আমি এখানে পূর্বোল্লিখিত কমিটির একটা মন্তব্য উদ্ধৃত করছি, যা আমার নিজস্ব তথ্য ও বিশ্বাসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
২৪৮. ‘এ দেশে একটা সুপ্রতিষ্ঠিত রীতি ছিল যে, জমির প্রতিটি অংশের খাজনা এবং রাজস্বের অন্যান্য উৎসের হিসাব সরকারি কর্মকর্তাদের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে; সরকারের কাছে থাকা এই বিশদ তথ্য ও দ্রুত তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থার মাধ্যমেই মূলত রাজস্ব আদায় করা হতো এবং জমিদারদের দমন-পীড়ন ও অন্যায্য অর্থ আদায় থেকে নিবৃত্ত রাখা সম্ভব হতো।’ ‘এইসব ‘প্রাচীন প্রতিষ্ঠানের প্রতি অবহেলা’ এবং ‘রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা ও দেশের সম্পদ সম্পর্কে তথ্যের অভাব’-এর কারণেই সম্ভবত রাজস্ব ব্যবস্থায় অনুপ্রবেশকারী অধিকাংশ অনিয়ম ও অপকর্মের জন্য দায়ী করা যেতে পারে।’
চলবে
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট ফ্রম দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দি অ্যাফেয়ার্স অফ দি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভলিউম-২, ইন্ট্রোডাকশন অ্যান্ড বেঙ্গল এপেন্ডিক্স।

বিশ্বেন্দু নন্দ