কৌশিকী দেবী চণ্ডীরই একটি রূপ। পুরাণে কৌশিকী দেবী সম্পর্কে দু-ধরনের তথ্য রয়েছে। একটি থিয়োরি অনুযায়ী, দেবী যখন শুম্ভ-নিশুম্ভ বধ করতে যান সে সময় কৌশিকীর উৎপত্তি। মহিষাসুর বধের পরে দেবতাদের স্তুতির পরেই শুম্ভ-নিশুম্ভ বধের কাহিনী রয়েছে। সেই কাহিনী অনুযায়ী, দেবী স্তুত হওয়ার পরেই শরীর থেকে কোষ ত্যাগ করেছিলেন। ‘শরীর কোষতশ্চাস্যা সমদ্ভূতাভবচ্ছিবা’। এই যে শিবা অর্থাৎ পার্বতী