সোমবার কলকাতার ভবানীপুরে দেশ বাঁচাও গণমঞ্চের এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হল। এই সভায় বিশিষ্টজনেরা বাংলায় বহিরাগতদের ঢুকিয়ে ভোট করানোর চেষ্টা ও ভবানীপুরে নৈরাজ্য তৈরির বিরুদ্ধে সরব হন। দেশ বাঁচাও গণমঞ্চের সভায় বক্তারা স্পষ্ট ভাষায় জানান, সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে ও ভোটাধিকার রক্ষার্থে নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে। একটাই মন্ত্র গণতন্ত্র বাঁচাও, ভোটাধিকার বাঁচাও। এদিনের সভায় বিজেপির ফ্যাসিবাদ এবং নির্বাচন কমিশনের দলদাস হয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্টজনেরা। উপস্থিত ছিলেন অমিত কালি, সৈয়দ তানভীর নাসরিন, চিত্রা বসু, জয় গোস্বামী, হরনাথ চক্রবর্তী, পর্ণাভ ব্যানার্জী, ডঃ শান্তিরঞ্জন দাশগুপ্ত, রন্তিদেব সেনগুপ্ত, রাহুল চক্রবর্তী, সুমন ভট্টাচার্য প্রমুখ।

এদিন সভায় বক্তারা বলেন, সংবিধানকে তোয়াক্কা না করে বেপরোয়াভাবে পশ্চিমবঙ্গকে দখলের ষড়যন্ত্র করছে। গণমঞ্চের প্রতিনিধিরা বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের মুখোশ খুলে দিতে ও চক্রান্তের কথা বৃহত্তর পরিসরে পৌঁছে দিতে আহ্বান জানান। এদিন সভায় উপস্থিত বক্তারা বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সরব হন। বক্তারা স্পষ্ট জানান, বাংলা ও বাঙালি বিরোধী বিজেপির স্বরূপ উন্মোচনে, সংবিধানকে তোয়াক্কা না করে, বেপরোয়াভাবে পশ্চিমবঙ্গকে দখলের ষড়যন্ত্র করছে। এর প্রতিবাদে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশন বিজেপির নির্দেশে সাধারণ মানুষদের যেভাবে হয়রানি করে চলেছে, তা সকলের সামনে তুলে ধরতে আজকের এই সভা। তাঁদের স্পষ্ট দাবি, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে লড়াই করতে পারছে না বিজেপি। সেই কারণে কোনও নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই ভোটার তালিকা সংশোধনীর (SIR) নামে বাংলার বহু বৈধ নাগরিকের নাম ‘ডিলিট’ করে দিয়েছে এবং তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চাইছে।