Logo
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ তসলিমা নাসরিন — সবিনয় নিবেদন : দিলীপ মজুমদার গুরুপূর্ণিমার ‘শতকোটি প্রণাম’-এর ব্যাখ্যা ও ব্যুৎপত্তি (দ্বিতীয় পর্ব) : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার গুরুপূর্ণিমার ‘শতকোটি প্রণাম’-এর ব্যাখ্যা ও ব্যুৎপত্তি : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সংগ্রাম, মানবিকতা ও আত্মমর্যাদার জীবনকাব্য — সত্যজিৎ নাথের উপন্যাস “শেষের বেলা” : যশোবন্ত রায় যে জীবন ফড়িঙের, দোয়েলের,… কিছুটা আরশোলারও… : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ কৃষক আন্দোলনের ঐতিহ্য ও সাম্প্রতিক কৃষক আন্দোলন : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ উম্মে মুসলিমা-র ছোটগল্প বারবনিতা সাহিত্যিক উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও বঙ্গসাহিত্য : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ কবিতার আয়ুষ্কাল — নজরুলের বিদ্রোহী : রফিকুর রশীদ বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ হেলালগীতি : ড.মুন্সি আবু সাইফ সোনাম ওয়াংচুক — গান্ধিবাদী অনশনের ঐতিহ্য : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ নুসরাত সুলতানা-র ছোটগল্প ‘ইনকিউবেটর’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ স্পেন — রবীন্দ্রনাথ কখনও এখানে খেতে আসেননি : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ জাতি সংঘের চিঠি : নির্বাচন কমিশন ও ভারত সরকার : দিলীপ মজুমদার
Notice :

পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন,  ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

গুরুপূর্ণিমার ‘শতকোটি প্রণাম’-এর ব্যাখ্যা ও ব্যুৎপত্তি (দ্বিতীয় পর্ব) : অসিত দাস

অসিত দাস / ৫৪ জন পড়েছেন
আপডেট বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

অভিধানে ‘শতকোটি’ শব্দের অর্থ দেখতে গিয়ে পিলে চমকে উঠল। জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাসের ‘বাঙ্গালা ভাষার অভিধান’-এ এর অর্থ দেওয়া হয়েছে ‘শতধারাবিশিষ্ট বজ্রাস্ত্র’। আবার নগেন্দ্রনাথ বসু প্রণীত বিশ্বকোষ-এ ‘শতকোটি’ শব্দের অর্থ — বজ্র, হীরক। বামন শিবরাম আপ্তের The Practical Sanskrit-English Dictionary-তে পাচ্ছি, ‘শতকোটি’ মানে Indra’s Thunderbolt(Hundred-edged)। অর্থাৎ দেবরাজ ইন্দ্রের শত-ধারালো-প্রান্তবিশিষ্ট বজ্র। মনে হল, বৌদ্ধধর্মের বজ্রযান ধারায় প্রণামের সঙ্গে বজ্রের কোনও সম্পর্ক থাকতে পারে। তাহলে শতকোটি প্রণামের মূল সোর্স কি বৌদ্ধধর্মে আত্মগোপন করে আছে?

বৌদ্ধধর্মে প্রণাম কেবল একটি আনুষ্ঠানিক অভিবাদন নয়; এটি শ্রদ্ধা, বিনয়, আত্মসমর্পণ এবং আত্মশুদ্ধির একটি গভীর আধ্যাত্মিক অনুশীলন। অন্যদিকে, “বজ্র” (সংস্কৃত: বজ্র, তিব্বতি: দোর্জে) বৌদ্ধধর্ম, বিশেষত বজ্রযান বৌদ্ধধারায়, অটল সত্য, অদম্য জ্ঞান এবং বুদ্ধত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রণাম ও বজ্র—এই দুটি ধারণার মধ্যে গভীর আধ্যাত্মিক সম্পর্ক বিদ্যমান। প্রণামের মাধ্যমে সাধক নিজের অহংকার ত্যাগ করেন, আর বজ্র সেই বিশুদ্ধ চেতনার অবিনাশী শক্তিকে নির্দেশ করে। তাই বৌদ্ধ সাধনায় এই দুইয়ের সমন্বয় আত্মোন্নতির একটি অপরিহার্য ভিত্তি।

বৌদ্ধধর্মে প্রণামের তাৎপর্য

বৌদ্ধধর্মে প্রণামকে সাধারণত “নমস্কার” বা “পঞ্চাঙ্গ প্রণিপাত” হিসেবে অভিহিত করা হয়। এটি বুদ্ধ, ধর্ম ও সংঘ — এই ত্রিরত্নের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা প্রকাশের একটি মাধ্যম। প্রণামের সময় শরীর, বাক্য এবং মন — এই তিন কর্মকে পবিত্র করার সংকল্প গ্রহণ করা হয়। মাথা নত করার মাধ্যমে ব্যক্তি নিজের অহংকার, আত্মগর্ব এবং আসক্তিকে পরিত্যাগ করার অঙ্গীকার করেন।

প্রণাম কেবল বাহ্যিক আচরণ নয়; এর অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য হলো নিজের মধ্যে বিনয়, করুণা, কৃতজ্ঞতা এবং সমবেদনার বিকাশ ঘটানো। বৌদ্ধ শাস্ত্রে বলা হয়েছে, প্রকৃত প্রণাম তখনই সম্পূর্ণ হয় যখন হৃদয়ে সত্যিকারের শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস জাগ্রত হয়। তাই প্রণাম একটি ধ্যানমূলক অনুশীলন, এটি মনকে নম্র ও একাগ্র করে।

“বজ্র” শব্দের আক্ষরিক অর্থ বজ্রপাত বা হীরক। প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্যে এটি ছিল অজেয় শক্তির প্রতীক। বজ্রযান বৌদ্ধধর্মে বজ্রের অর্থ আরও গভীর। এটি অবিনাশী জ্ঞান, শূন্যতার উপলব্ধি এবং বুদ্ধত্বের অখণ্ড স্বরূপকে নির্দেশ করে।

বজ্র সাধারণত একটি আচার-উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা ঘণ্টার (ঘণ্টা বা ঘণ্টা) সঙ্গে যুগলভাবে ধারণ করা হয়। বজ্র উপায় বা কার্যকর প্রজ্ঞার প্রতীক, আর ঘণ্টা প্রজ্ঞা বা শূন্যতার জ্ঞানের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। এই দুইয়ের সমন্বয় করুণা ও প্রজ্ঞার অবিচ্ছেদ্য ঐক্যকে প্রকাশ করে, যা বৌদ্ধ সাধনার অন্যতম মূলনীতি।

বজ্রের অবিনাশী প্রকৃতি এই সত্যকে প্রকাশ করে যে পরম জ্ঞান কোনও অজ্ঞতা, মোহ বা ক্লেশ দ্বারা ধ্বংস করা যায় না। যে মন শুদ্ধ ও জ্ঞানময়, সেই মন বজ্রের মতো দৃঢ়, নির্মল এবং অক্ষয়।

প্রণাম ও বজ্রের সম্পর্ক মূলত আধ্যাত্মিক রূপান্তরের সঙ্গে যুক্ত। প্রণামের মাধ্যমে একজন সাধক নিজের অহংকারকে নম্র করেন এবং বুদ্ধত্ব লাভের উপযুক্ত মানসিক অবস্থা গড়ে তোলেন। অপরদিকে বজ্র সেই পরিপূর্ণ জ্ঞানের প্রতীক, যা অহংকার ও অজ্ঞতার অবসানের পর উদ্ভাসিত হয়।

প্রণামের সময় যখন একজন ভক্ত সম্পূর্ণ আন্তরিকতার সঙ্গে শরীরকে ভূমিতে নত করেন, তখন তিনি প্রতীকীভাবে নিজের অহংকারকে পরিত্যাগ করেন। এই আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়েই বজ্রসম অটল জ্ঞান ও করুণার বিকাশের পথ সুগম হয়। অর্থাৎ প্রণাম হলো সাধনার সূচনা, আর বজ্র সেই সাধনার পরিণত অবস্থার প্রতীক।

বজ্রযান বৌদ্ধধর্মে গুরু, ইষ্টদেবতা এবং ত্রিরত্নের প্রতি প্রণাম করার সময় অনেক ক্ষেত্রেই বজ্র হাতে ধারণ করা হয়। এটি নির্দেশ করে যে বাহ্যিক শ্রদ্ধা এবং অন্তর্নিহিত জ্ঞান একে অপরের পরিপূরক। শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক প্রণাম নয়, বরং বজ্রের প্রতীকী অর্থ উপলব্ধি করেই প্রকৃত সাধনা সম্পূর্ণ হয়।

বজ্রযান বৌদ্ধধর্মে গুরু-যোগ, দেবতা-যোগ এবং মণ্ডল পূজার পূর্বে প্রণাম একটি অপরিহার্য অনুশীলন। অনেক সাধক শতবার পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রণাম করেন, যা কেবল শারীরিক অনুশীলন নয়; বরং কর্মশুদ্ধি ও মানসিক পরিশুদ্ধির একটি উপায়।

এই প্রণামের মাধ্যমে শরীরের ক্লান্তি সহ্য করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, মন একাগ্র হয় এবং অহংবোধ ক্রমশ ক্ষীণ হতে থাকে। যখন এই প্রক্রিয়া বজ্রের প্রতীকী জ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন সাধক উপলব্ধি করতে শেখেন যে প্রকৃত শক্তি বাহ্যিক ক্ষমতায় নয়, বরং অন্তর্নিহিত জ্ঞান, করুণা ও সমত্ববোধে নিহিত।

দার্শনিক দৃষ্টিকোণ

মহাযান ও বজ্রযান দর্শনে বলা হয় যে প্রত্যেক প্রাণীর মধ্যেই বুদ্ধত্বের সম্ভাবনা বিদ্যমান। কিন্তু লোভ, দ্বেষ ও মোহ সেই সম্ভাবনাকে আচ্ছন্ন করে রাখে। প্রণাম সেই আবরণ দূর করার একটি কার্যকর উপায়। অন্যদিকে বজ্র সেই অন্তর্নিহিত বুদ্ধত্বের অবিনাশী প্রকৃতির প্রতীক।

শূন্যতা (শূন্যতা) এবং করুণার সমন্বয়ই বৌদ্ধ দর্শনের কেন্দ্রবিন্দু। বজ্র এই অদ্বৈত জ্ঞানের প্রতীক, আর প্রণাম সেই জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় বিনয় ও প্রস্তুতির প্রকাশ। অতএব, প্রণাম ছাড়া বজ্রের প্রতীকী তাৎপর্য সম্পূর্ণরূপে উপলব্ধি করা কঠিন; আবার বজ্রের আদর্শ ছাড়া প্রণাম কেবল একটি আনুষ্ঠানিক আচারে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়তে পারে।

বর্তমান সমাজে মানুষ প্রায়ই অহংকার, প্রতিযোগিতা এবং আত্মকেন্দ্রিকতার দ্বারা প্রভাবিত হয়। বৌদ্ধধর্মের প্রণাম মানুষকে শেখায় বিনয়, সহমর্মিতা এবং কৃতজ্ঞতা। অন্যদিকে বজ্র শেখায় সত্যের প্রতি দৃঢ় থাকা, নৈতিকতায় অবিচল থাকা এবং জ্ঞানের পথে অগ্রসর হওয়া।

এই দুই আদর্শ একত্রে মানুষের ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং আধ্যাত্মিক জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম। একজন ব্যক্তি যখন বিনয়ের সঙ্গে সত্য ও প্রজ্ঞাকে ধারণ করেন, তখন তিনি নিজের জীবনকে যেমন উন্নত করেন, তেমনি সমাজেও শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারেন।

বৌদ্ধরীতি অনুসারে প্রণাম ও বজ্র পরস্পরের পরিপূরক দুটি আধ্যাত্মিক প্রতীক। প্রণাম মানুষের অহংকার ভেঙে বিনয়, শ্রদ্ধা ও আত্মশুদ্ধির পথ উন্মুক্ত করে, আর বজ্র সেই শুদ্ধচিত্তে উদ্ভাসিত অবিনাশী জ্ঞান, করুণা ও বুদ্ধত্বের প্রতীক। বিশেষত বজ্রযান বৌদ্ধধর্মে এই দুইয়ের সমন্বয় সাধকের আধ্যাত্মিক অগ্রগতির অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই বলা যায়, প্রণাম হল আত্মসমর্পণের অনুশীলন এবং বজ্র হল সেই অনুশীলনের মাধ্যমে অর্জিত অটল প্রজ্ঞার প্রতীক। এই দুইয়ের সমন্বিত শিক্ষা ব্যক্তি ও সমাজ উভয়ের জন্যই শান্তি, নৈতিকতা এবং মুক্তির পথ নির্দেশ করে।

মনে হয় আমাদের শতকোটি প্রণামের রেওয়াজ বৌদ্ধধর্মেরই অবদান। এবিষয়ে আরও গভীর গবেষণা দরকার। তবে দু’বছর আগে লে-লাদাখে বেড়াতে গিয়ে দেখেছি, অনেক দুর্গম গুম্ফায়(Monastery) অনেক প্রতীকের মধ্যে বজ্র বা বাজপড়ার প্রতীকচিহ্ন আছে। সেসব দেখতে দেখতে মন যেন সুদূর অতীতের কপিলাবস্তুতে চলে যায়। অনেক ইউরোপিয়ান সাহেবকে ক্যামেরা হাতে ঘুরঘুর করতে দেখতাম গুম্ফাগুলির আনাচেকানাচে। যদিও নোটিশবোর্ডে লেখা আছে, এখানে ফটো তোলা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

মনে হয় গুম্ফার লামাদের শতকোটি প্রণাম নিবেদন করে তারা ফটো তোলার পারমিশন আদায় করত!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন