| | |
এই মুহূর্তে ::
শিল্পী সোমনাথ হোর : যোগেন চৌধুরী ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯৭/১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ মহাবিশ্বের ব্ল্যাকহোলের সন্ধানে দুই বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার বিস্মৃতপ্রায় শিশুসাহিত্যিক যোগীন্দ্রনাথ সরকার : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯৫/৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ ফ্রানস বালথাজার সলভিনস ও উত্তর কলকাতার ঘোড়ার সহিস : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯৫/২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার জনসংযোগের বিপণনে দুর্গোৎসব : পান্নালাল রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯৫/১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ আকাশ প্রদীপ — পুরাণ, ভক্তি ও বিশ্বাস : যশোবন্ত রায় ৮১ বছরে জাতিসংঘ: সবার প্রত্যাশা পূরণে কতটা সক্ষম? : নিকোলাস বিশ্বাস বোধিসত্ত্ব সঞ্জয়-এর ছোটগল্প ‘স্যার’ কুমারটুলির সহিসমহল্লা ও দেবী দুর্গার বাহন ঘোটকমুখী সিংহ : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার বিজয়াদশমীর ভাঙ-সিদ্ধি : অসিত দাস কলকাতায় এমন দুর্গাপুজো দেখিনি তো আগে : দিলীপ মজুমদার বিশ্বজিৎ মণ্ডল-এর ছোটগল্প ‘ওঝা’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ অয়ন মুখোপাধ্যায়-এর ছোটগল্প ‘নিখোঁজের দর্শক সংখ্যা’ নন্দিনী অধিকারী-র ছোটগল্প ‘সর্বংসহা’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯১/২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ রাজারাজড়া ও বণিকের দুর্গাপূজায় নিম্নবর্গ ছিল রবাহূত : অসিত দাস প্রজনন অধিকার নিশ্চিত হলেই সুস্থ্য বাংলাদেশ গড়া সম্ভব : নিকোলাস বিশ্বাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯১/১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমার আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com, আমাদের পোর্টালের কিছু ছবি বাদে প্রায় সব ছবিই অন্তর্জাল থেকে সংগ্রহ করা হয়। কারুর যদি কপিরাইট থাকে জানাবেন। আমরা সেই ছবি পোর্টাল থেকে ডিলিট করে দেব।

আজ ঘানা নামছে : যীশু নন্দী

Reporter
যীশু নন্দী / ৫০০ Views জন পড়েছেন
আপডেট বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২

ঘানাপ্রেম ইউসুফ ইয়াকুবু থেকে। ইউসুফ ইয়াকুবু কোনোদিন মোহনবাগানে খেলেননি, মহিন্দ্রাতে ব্যারেটোর সাথে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন।ইস্টবেঙ্গলে যখন খেলতেন তখন তাঁর উপস্থিতিতে মাঝমাঠের দখল নেওয়ার কথা আমরা, মানে বিরোধীরা, ভুলেও ভাবতামনা। বুড়ো বয়সেও যখন ইউনাইটেড স্পোর্টসে খেলতেন আমরা সিঁটিয়ে থাকতাম, একবার তো একার পায়ে ভর করে মোহনবাগানকে ৩-২ এ হারিয়েও দিলো। এহেন ইউসুফ ইয়াকুবুর দেশ শুনলাম ঘানাতে। ঘানা নামটা আমাদের মধ্যে জনপ্রিয় হলো সেই থেকে। ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপটা যখন চলছিলো তখন আমার এবং আমার সমবয়সী সক্কলেরই স্কুলজীবন।আমার ফারহান বলে একজন বন্ধু ছিলো,কোয়ার্টার ফাইনালে আমরা যখন কেউ আর্জেন্তিনা,কেউ ব্রাজিল বলছি, সেই বন্ধু হাতমুঠো করে বললো, “ঘানা ঘানা”। ১০’এর ফিফা বিশ্বকাপ মাতিয়ে রেখেছিলো  ঘানার আসামোয়া। আমেরিকার বিরুদ্ধে দুরন্ত শ্যুটিংয়ে গোল করে সাইডব্যারিকেড টপকে দৌড়ে যাচ্ছেন আসামোয়া। সার্বিয়ার জালে বল জড়িয়ে আসামোয়া ডেকে নিচ্ছেন ঘানার বাকীজনদের, সাইডলাইন বরাবর ছন্দবদ্ধ নৃত্যে নেচে যাচ্ছেন তাঁরা,তাঁদের সাথে নাচ্ছেন লাল-হলুদ-সবুজ রঙা ঘানাইয়ান ক্রাউড। এহেন ঘানা হেরে গেলো কোয়ার্টারে। তাদের স্বপ্নীল উত্থানের অপমৃত্যু ঘটালেন লুই সুয়ারেজ, হাত দিয়ে নিশ্চিত গোল সেভ করে। সুয়ারেজের লাল কার্ড, ঘানার ভাগ্যে পেনাল্টি। আসামোয়া পেনাল্টি মিস করে লুটিয়ে পড়লেন মাটিতে। ফোরলানের দুরন্ত ফ্রিকিক, টাইব্রেকারে দুরন্ত ওঠানামাকে ছাড়িয়ে সেইম্যাচের সবচেয়ে নজরকারা দৃশ্য বোধহয় আসামোয়া গায়ানের মাটিতে লুটিয়ে পড়া কান্নাটা।

আজ বিশ্বকাপে আবারও নামছে ঘানা, আমাদের স্কুলবেলার ডার্ক হর্স। ২০১০ বিশ্বকাপের দলটার একজনই মাত্র ২০২২ সালের বিশ্বকাপ দলের নিয়মিত মুখ,তিনি আন্দ্রে আয়িউ, মূলত নাম্বার টেন, কিন্তু সাম্প্রতিক সুইজারল্যান্ড-ঘানা ম্যাচটাতে খানিক স্লো মনে হলো। ঘানার ইনাকি উইলিয়ামস নিয়েও মাতামাতি হচ্ছে,মাতামাতি হচ্ছে ঘানার হয়ে ১১০ নম্বর ম্যাচ খেলে ফেলা আন্দ্রে আয়িউকে নিয়েও। কিন্তু আমার নজর থাকছে অন্য দুজনের দিকে — সুলেমানা এবং সেমেনিও। সুইজারল্যান্ড ম্যাচে আন্দ্রে আয়িউয়ের ভাই জর্ডন আয়িউ ঘানার লেফট উইং বরাবর তেমন কিছু করতে পারেননি, স্ট্রাইকার পজিশনে থাকা ইনাকিও সাদামাটা ছিলো। ঘানার কোচ সুলেমানা এবং সেমেনিওকে পরিবর্ত হিসাবে নামিয়েছিলেন। আর সুলেমানার দুরন্ত উইংপ্লে থেকে গোল করেছিলেন সেমেনিও।সেমেনিওর খেলা দেখলে একজন আদর্শ স্ট্রাইকারের কথাই মনে হয়। ঘানার আরেকজনকে দেখার আছে, ওদের নাম্বার থারটিন-আফ্রিয়ি। আজ মন বলছে পেপে, দানিলো, রুবেন ডায়াসেরা খুব একটা শান্তিতে থাকবেননা। রোনালদো নিজের শেষ বিশ্বকাপ স্মরণীয় করে রাখুক এটা আমি চাই, কিন্তু আমার এই চাওয়া-পাওয়া নিয়ে দড়িটানাটানি খেলা খেলছেন আফ্রিয়ি, সুলেমানা, সেমেনিও। ছেলেবেলার অপূর্ণ ঘানাপ্রেম বনাম ক্রিশ্চিয়ানোর পোর্তুগালের দুরন্ত মিডফিল্ড — নিজের সাথেই নিজেকে লড়তে হবে আজ।

আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

পেজফোরনিউজ-এর নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন

Currently Maintained by the2.dev