| | |
এই মুহূর্তে ::
পেজফোরনিউজ-এর শারদোৎসব বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ প্রকাশিত হল ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ একটি অব্যক্তিগত বয়ান : তপোধীর ভট্টাচার্য মহালয়ার প্রার্থনা : সুব্রত দত্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিশ্বজিৎ মণ্ডল-এর ছোটগল্প ‘এক টুকরো ভোর’ আশ্বিনের শারদপ্রাতে : যশোবন্ত রায় আমার ছেলেবেলার মহালয়ার সকাল : পীযূষ কান্তি দাস পর্দার দাপুটে নায়ক, বাস্তব জীবনে মানবতাবাদী — নানা পাটেকরের জীবন ও অবিনশ্বর কীর্তি : রিঙ্কি সামন্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সসীমকুমার বাড়ৈ-এর ছোটগল্প ‘প্রকৃতি বিভাজন খেলা’ মিরকাশিমের বীরকুল, হেস্টিংসের ব্রাইটন, জন ফ্র্যাঙ্ক স্নেইথ-এর দীঘা : সুব্রত গুহ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (শেষ কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাঁচ দফা কৌশল বাস্তবায়নের রোডম্যাপ : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন কলকাতার নব্য কাজিয়ার দুর্গা : অসিত দাস SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (সপ্তম কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার আমাদের নিখোঁজ শিশুরা: সংখ্যার বাইরে যে প্রশ্নগুলো জরুরি : নিকোলাস বিশ্বাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে নয়া পুঁজিবাদ : সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (ষষ্ঠ কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (পঞ্চম কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার হাসানের ইতিহাস ও বর্তমান ছুঁয়ে : নন্দিনী অধিকারী গান্ধীজী : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কবরের ইতিহাস : সসীমকুমার বাড়ৈ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (চতুর্থ কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার ছেলে বেলার পুজো : সুব্রত দত্ত SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (তৃতীয় কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই পিতৃ পক্ষের শেষ, মাতৃপক্ষের সূচনা শুভ মহালয়ার আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com, আমাদের পোর্টালের কিছু ছবি বাদে প্রায় সব ছবিই অন্তর্জাল থেকে সংগ্রহ করা হয়। কারুর যদি কপিরাইট থাকে জানাবেন। আমরা সেই ছবি পোর্টাল থেকে ডিলিট করে দেব।

মহিলা সংশোধনাগারগুলিতে অন্তঃসত্ত্বা একের পর এক কয়েদি, এক বছরে ১৯৬ শিশুর জন্ম : মোহন গঙ্গোপাধ্যায়

Reporter
মোহন গঙ্গোপাধ্যায় / ৮২৯ Views জন পড়েছেন
আপডেট শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫

এ রাজ্যের মহিলা সংশোধনাগারগুলিতে গত এক বছরে ১৯৬ জন শিশুর জন্ম হয়েছে। এদের বাবা কে? উঠেছে জনমানসে প্রশ্ন। অবাক দেশের সর্বোচ্চ আদালত ও এ রাজ্যের হাইকোর্ট। কীভাবে জন্মালো এই সমস্ত শিশু! দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি নিয়ে মনোযোগ দিয়েছে এবং বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করে এর উপর তদন্ত শুরু করার কথা বলেছে। সেই সঙ্গে এ রাজ্যের হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ”এটা খুবই অদ্ভুত যে, জেল-বন্দি মহিলারা জেলে থাকতে কীভাবে গর্ভবতী হচ্ছেন এবং তাদের মধ্যে শিশু জন্মাচ্ছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন মহিলা সংশোধনাগারগুলিতে ১৯৬ জন শিশু অবস্থান করছে। তবে, তাদের বাবা কে? যা নির্ধারণ করা এখনও বাকি”। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রসঙ্গত, বাংলার মহিলা সংশোধনাগারে ১৯৬ শিশুর জন্ম! কীভাবে গর্ভবতী হলেন বন্দি মহিলারা? এক অদ্ভুত এবং আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটে চলেছে। ২০২৪ থেকে ২০২৫-র ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ১৯৬ জন শিশু জন্মেছে জেলের মধ্যে। যেখানে এসব শিশুর মা-রা সকলেই দণ্ডিত মহিলা বন্দি। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হল, এই মহিলারা তাদের দণ্ডের সময় গর্ভবতী ছিলেন না এবং এসব শিশুর বাবার পরিচয় আজও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এই পরিস্থিতি নিয়ে এখন তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এই মহিলারা কার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিলেন এবং তারা কীভাবে গর্ভবতী হলেন? পশ্চিমবঙ্গের সংশোধনাগারগুলি নিয়ে রাজনৈতিক সমালোচনা এখন তুঙ্গে। একটি পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন (পিআইএল) কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে। যেখানে এই অস্বাভাবিক ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ১৯৬ শিশু, কিন্তু বাবা কে?

যাদের মধ্যে বেশিরভাগই সদ্যজাত। এই মহিলাদের মধ্যে কিছু অবিচার বা দণ্ডিত বন্দি, আবার কিছু এখনও বিচারাধীন। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়-এই মহিলাদের মধ্যে কোনও পুরুষের সংস্পর্শে আসার সুযোগ ছিল না, কারণ মহিলা বন্দিরা এবং কারারক্ষীরা সকলেই মহিলা। তাহলে, এই ১৯৬ জন শিশুর জন্ম হল কীভাবে? কেন এ ঘটনা ঘটছে? এ ধরনের ঘটনা প্রথমে নজরে আসতে শুরু করে যখন কিছু বন্দি মহিলা গর্ভবতী অবস্থায় কোর্টে হাজির হয়ে জানান যে, তারা জেলের মধ্যে গর্ভবতী হয়েছেন। এমনকি এই বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে একাধিকবার শুনানি হয়েছে। “এটা সত্যিই বিস্ময়কর যে, যখন মহিলারা বন্দিত্বে রয়েছেন, তখন তারা গর্ভবতী হচ্ছেন। এটি কি শুধুমাত্র ঘটনা? নাকি এর পিছনে অন্য কোনো গভীর কারণ আছে?” এদিকে, রাজ্যের মন্ত্রী ডা. শশী পাঁজা এই বিষয়ে জানান, “আমি এই তথ্য জানি না, তবে কারাগারের জন্য আলাদা মন্ত্রী রয়েছেন। আমি বিষয়টি যাচাই করব।” অপরদিকে, মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা বলেছেন, “এই বিষয় বিচারাধীন রয়েছে। আইজি (সংশোধনাগার) এই রিপোর্ট আদালতে জমা দিয়েছেন এবং তদন্ত চলছে।” তবে সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হল, এত বড় ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সে প্রশ্নচিহ্নও দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, কোন পরিপ্রেক্ষিতে কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হল, তা নিয়ে জেল প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠছে। এ বিষয়টির উপর হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের পক্ষ থেকে বলা হয়, “এটা খুবই অদ্ভুত যে, জেল বন্দি মহিলারা জেলে থাকতে গর্ভবতী হচ্ছেন এবং তাদের মধ্যে শিশু জন্মাচ্ছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলে ১৯৬টি শিশু অবস্থান করছে।

তবে, তাদের বাবা কে, তা নির্ধারণ করা এখনও বাকি।” এছাড়া, এই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টও মনোযোগ দিয়েছে এবং তারা বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করে এর উপর তদন্ত শুরু করার কথা বলেছে।

এখন কী হতে পারে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক চলছে, তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অজানা রয়েছে — এই ঘটনাগুলির পিছনে কারা দায়ী? কীভাবে বন্দি মহিলারা গর্ভবতী হচ্ছেন? সরকারি তরফে তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হলেও, এখনও পর্যন্ত কোনো সুস্পষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

আসন্ন হাইকোর্টের শুনানির পর হয়তো এই ঘটনার একটি পরিষ্কার দিক জানা যাবে। সমাজের কাছে এক কঠিন প্রশ্ন পশ্চিমবঙ্গের এই ঘটনায় যেমন রাজ্য সরকারের উপর আক্রমণ শুরু হয়েছে, তেমনি সমাজে প্রশ্ন উঠছে — এ ধরনের ঘটনা কীভাবে ঘটতে পারে, যেখানে জেলে কোনো পুরুষ বন্দী নেই? কোথা থেকে আসছে এই সমস্যা, এবং এর পরিণাম কী হতে পারে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তবে এই ঘটনার মাধ্যমে অনেক অদেখা এবং অব্যাখ্যাত দিক সামনে আসবে, যা জনসাধারণের পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

পেজফোরনিউজ-এর নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন

Currently Maintained by the2.dev