আমাদের দ্বৈপায়ন ব্যাসও তো এই কাজটা করেছেন। তিনি স্বরূপে আবদ্ধ ভগবানকে স্বর্গ-বৈকুণ্ঠের কল্পিত লোক থেকে নামিয়ে আনলেন ভুঁয়ে। লোকের ভাব এবং ভাবনা বুঝে তিনি ভগবানের রূপও এক প্রকার সৃষ্টি করলেন না, তিনি অনেকগুলি রূপ সৃষ্টি করলেন। তিনি শ্রুতি-প্রমাণের বলেই এটা জানেন যে, একই আদিত্য কিংবা বিষ্ণুকে ঋষিরা বহুরূপে ইন্দ্র, মিত্র, বরুণ, অগ্নি, যম কিংবা মাতরিশ্বা […]