| | |
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (পঞ্চম কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার হাসানের ইতিহাস ও বর্তমান ছুঁয়ে : নন্দিনী অধিকারী গান্ধীজী : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কবরের ইতিহাস : সসীমকুমার বাড়ৈ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (চতুর্থ কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার ছেলে বেলার পুজো : সুব্রত দত্ত SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (তৃতীয় কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার শাশ্বত বোস-এর গল্প ‘সর্বভূক’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (দ্বিতীয় কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার শত সুরের সারস্বত সাধক — নলিনীকান্ত সরকার : রিঙ্কি সামন্ত পীযূষ কান্তি দাস-এর ছোটগল্প ‘ঝন্টু মামা ও তাঁর শিকারের গল্প’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (প্রথম কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফেরা — বর্তমান পরিস্থিতিতে একট চ্যালেঞ্জ : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিশ্বজিৎ মণ্ডল-এর ছোটগল্প ‘আদমের চোখ’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার পার্থ সারথি পাত্র-র ছোটগল্প ‘টাইম-ব্যাঙ্ক’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সার্ধশতবর্ষে কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও শতবর্ষে সুরসম্রাট ভূপেন হাজারিকার স্মরণে : যশোবন্ত রায় মাটির নিচের ইন্টারনেট — অণুজীব ও উদ্ভিদের এক অদৃশ্য নেটওয়ার্ক : অন্বেষা গাঙ্গুলী ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ ব্রম্পটনে জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুরের সমাধি : অসিত দাস শৌনক দত্ত-র ছোটগল্প ‘হোয়েন আই ওয়াজ ডেড’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ ডোকরা শিল্পীদের কাহিনি : স্বর্ণাভা কাঁড়ার
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com, আমাদের পোর্টালের কিছু ছবি বাদে প্রায় সব ছবিই অন্তর্জাল থেকে সংগ্রহ করা হয়। কারুর যদি কপিরাইট থাকে জানাবেন। আমরা সেই ছবি পোর্টাল থেকে ডিলিট করে দেব।
/ উপন্যাস

কাজলদীঘি

জ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ৭৪ নং কিস্তি মিলি তাকিয়ে তাকিয়ে অনিসাকে দেখছে। আর মনে পড়ে যাচ্ছে অনিদাকে। অনিদা ঠিক এরকম এক রোখা ছিল। যে কাজটা হাত দেবে করে ছাড়বে। অনিসা কি তাহলে কিছু বুঝতে পেরেছে? কই মিত্রাদি কিছু বললো না। একবার জিজ্ঞাসা করতে হবে। ঠিক আছে, আসছি। অনিসা শুভ দু-জনেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর আবার […]

কাজলদীঘি

জ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ৭১ নং কিস্তি রাতে অনিমেষদার সঙ্গে কথা বললাম। বাড়িতে যাওয়ার অনুমতি চাইলাম। আমাকে সময় দিল। পরদিন অনিমেষদার বাড়িতে গেলাম। বৌদি প্রথমে একটু অবাক হয়েছিল। অনির কথা বলে কিছুটা চোখের জল ফেললেন। তারপর অনিমেষদা এলেন। বৌদি কিছুতেই আমাদের কাছ থেকে উঠে গেলেন না। আমার চলন বলনে ধরতে পেরেছিলেন আমি কিছু শলা-পরামর্শ করতে এসেছি। সুরো […]

কাজলদীঘি

জ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ৭০ নং কিস্তি ইদানীং মায়ের ব্যবহারটা অনিসার ঠিক ভালো লাগে না। দিন দিন মা কেমন যেন হয়ে যাচ্ছে। কখনও ভীষণ খিটখিট করে, কখনও কেমন যেন চুপচপ হয়ে যায়। কারণে অকারণে মায়ের প্রতি অনিসার ভীষণ অভিমান হয়। একটা সময় ছিল মা তার শরীরের সমস্ত সত্তা দিয়ে ওদের দুই ভাইবোনকে আগলে রাখতো। কিছু হলে মায়ের […]

কাজলদীঘি

জ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ৬৯ নং কিস্তি বড়োমা, ছোটোমাকে নিয়ে এক জায়গায় যাব। সেখানে আগে থেকে বলা আছে। ফিরবি কখন। ফিরতে রাত হয়ে যাবে। রাজনাথকে ছেড়ে দে। অনিমেষদার দিকে স্থির দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকলাম। ও কি রাজনাথকে….! ডাক্তারদাদা বললেন। হ্যাঁ সামন্তদা। অনিমেষদা আমার থেকে চোখ সরায়নি। দাদা, বড়োমা, ছোটোমা, মিত্রার চোখেও ভাঁজ পড়েছে। দায়িত্ব তোমার, এরপর আমার […]

কাজলদীঘি

জ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ৬৮ নং কিস্তি এ সপ্তাহে এক লাখ টাকা প্রফিট করেছি। কোথা থেকে! মিলে চার গাড়ি সাপ্লাই দিলাম। তাহলে সব ধান শেষ করে দিলি? ও বাড়িটা খালি করেছি। এবারেই তো ধানের টান ধরা শুরু হয়েছে। মৌসুমি মাসি বললো কিছু চাল করে দে আমার ছেলেগুলো হাটে গিয়ে বেচে আসবে। কুঁড়ো গুলো কি করছিস? এখানে গরুর […]

কাজলদীঘি

জ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ৬৭ নং কিস্তি সবাই আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। আমি ভদ্রমহিলার মুখের দিকে তাকালাম। মুখটা চক চক করছে। এই দেখুন এতক্ষণ আপানাদের বসতেই বলা হয়নি। বৌমাকে দেখতে চাইছেন, তাই তো? ভদ্রমহিলা মাথা নীচু করে হাসলেন। ওই যে চেয়ারে বসে আছে। মিত্রা প্রথমে একটু হকচকিয়ে গেছিল। তারপরে উঠে এলো। নমস্কার করতে গেলো, ভদ্রমহিলা ওর […]

কাজলদীঘি

জ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ৬৬ নং কিস্তি ওটা পকেটে রাখ। অনিমেষদা আমার দিকে তাকিয়ে। আমি অর্ক, অরিত্রকে আর ওই মেয়েদুটোর কি যেন নাম….। রাত্রি আর খুশী। মিত্রা ফুট কাটল। হ্যাঁ। ছোটো আমাকে আরও দুটো মিষ্টি দাও। ছোটোমা উঠে দাঁড়ালো। সেকিগো! এ মাসের সুগারটা একটু নর্মাল আছে তাই বলে….। বৌদি বললো। অনি আমার সুগার নর্মাল রাখতে দেবে না। […]

কাজলদীঘি

জ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ৬৫ নং কিস্তি সবাই আমার দিকে তাকিয়ে। এমনকি রথীন ডাক্তার পর্যন্ত অবাক হয়ে গেছে। চোখে মুখে তা ফুটে উঠছে। আমি অনিমেষদার পেছন পেছন জ্যেঠিমনির ঘরে এলাম। আমাদের দেখেই ভজুরাম হেসে ফেললো। আমরা ওপরেরে ঘরে গিয়ে খেলা করি। তাই কর। অনিমেষদা পিকুর গালটা ধরে একটু টিপে দিল। ভেতরে এলাম। অনিমেষদা জ্যেঠিমনির ইজিচেয়ারে হেলান দিয়ে […]

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন

Currently Maintained by the2.dev