| | |
এই মুহূর্তে ::
গড়িয়াহাট কি ছিল অলস, অকর্মণ্য বলদের হাট : অসিত দাস চলচ্চিত্র অভিনয়ের সংজ্ঞা ছিলেন উত্তম : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ আমার প্রিয় গল্পগুলো : নুসরাত সুলতানা ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার কবিদের লেখনীতে শরৎ ঋতু : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ নিঝুম রাতের পাড়ি : সুব্রত দত্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ জলবায়ূ দুর্যোগ কোনো সীমান্ত মানে না : নিকোলাস বিশ্বাস জিয়াউর রহমানের বিএনপি গঠন ও ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ : অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গপুঙ্গবের রাখী : অসিত দাস কবরের মানুষ : সোহেল আর রানা (তরু) আজ রাখী বন্ধন…. : অশোক মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ নিম্নচাপের বৃষ্টিতে নষ্ট সবজি, আকাশ ছোঁয়া দামে নাজেহাল মানুষ : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় রামযাত্রার মাঠ ফাঁকা : অয়ন মুখোপাধ্যায় যাদবপুরের যাদবদের গোপালনের ইতিহাস : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ রাম নামে কাম নাই, আমিই তো রাম : দিলীপ মজুমদার তৃষিত মাঠের খসড়া : বিশ্বজিৎ মণ্ডল ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ মাঠের মাছ ও একটি ঢ়োড়া সাপের গল্প : সুব্রত দত্ত রোহিঙ্গা সংকটের নয় বছর — সমস্যা সমাধানে চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ রাখি পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ : দিলীপ মজুমদার

Reporter
দিলীপ মজুমদার / ২২২ Views জন পড়েছেন
আপডেট শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

এ বছর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ (১৯২৬-১৯৪৭)। আর এ বছরই …। ব্যাপারটা কি কাকতালীয়? এ বছর আর কি? সেটা বলার আগে সুকান্তের কথা বলি। কি তাঁর কবিতার মূলমন্ত্র? মূলমন্ত্র হল অন্যায়, অসাম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ; মনুষ্যত্ববিরোধী সমূহ কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের আহ্বান। আজ যাঁরা সুকান্তের ছবিতে জুতোর মালা পরাচ্ছেন, তাঁরা কবিতা যেমন বোঝেন না তেমনি বোঝেন না মানবতার সুর। কাকতালীয় ব্যাপারটা বলার আগে সুকান্তের ‘অনুভব’ কবিতাটি একবার পড়ে নেওয়া দরকার :

বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকে,

আমি যাই তারি দিন-পঞ্জিকা লিখে,

এত বিদ্রোহ কখনও দেখেনি কেউ,

দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ;

স্বপ্নচূড়ার থেকে নেমে এসো সব—

শুনেছ? শুনেছ উদ্দাম কলরব?…

আমার লেখার শিরোনামে আমি সুকান্তের কবিতার লাইন ব্যবহার করেছি। ‘দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ’। আজ, এই ২০২৬ সালে ভারতের দিকে দিকে অবাধ্যতার ঢেউ উঠছে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে। আর এবছরই বিদ্রোহী কবির জন্মশতবর্ষ। এটাই কাকতালীয়।

স্বাধীনতার এত বছর পরে শুধু কি এই সরকারের বিরুদ্ধে অবাধ্যতার ঢেউ? না, তা নয়। বিক্ষোভ, বিদ্রোহ আগেও হয়েছে। তবে তার পরিসর ছিল স্থানিক বা সীমাবদ্ধ। বিধানসভায় হয়েছে, লোকসভায় হয়েছে, বিরোধী দলের মিছিল ও জনসভায় হয়েছে। কিন্তু দলহীন যুবক-যুবতীদের এমন বিক্ষোভ এর আগে দেখা যায় নি। এই বিক্ষোভকে দমাতে বা কলঙ্কিত করতে শাসকের চেষ্টার ত্রূটি ছিল না। বলা হল এরা বিদেশি অর্থে মদতপুষ্ট। বাংলাদেশের ও নেপালের জেন জি বিক্ষোভের সমানধর্মী বলা হল। কিন্তু বিদেশি অর্থাগমের প্রমাণ দিতে পারল না সরকার। এখানকার বিদ্রোহী যুবশক্তি সংবিধান হাতে নিয়ে, বাবা সাহেব আম্বেদকরকে মাথায় নিয়ে নেমেছে রাস্তায়; লুটপাট ভাঙচুরের নৈরাজ্য তাদের নেই। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দিয়ে যা শুরু হয়েছিল, তা এখন গোটা সিস্টেমের মূলোচ্ছেদ চাইছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ বা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে সিস্টেমের অবলুপ্তি।

আমাদের দেশের জেন জি-রা একটা মিথকে টুকরো টুকরো করে মিশিয়ে দিয়েছে মাটিতে। ‘মোদি- মিথে’র কথা বলছি। তাঁর দল তাঁর ভাবমূর্তিকে মালবীয় নেতৃত্বে ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ করে তুলেছিল। বলেছিল — ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’। সে প্রচার গড়াতে গড়াতে তিনি হয়ে গেলেন নন-বায়োলজিক্যাল, মানে ঈশ্বর স্বয়ং। যিনি ঈশ্বর তিনি তো অবশ্যই বিশ্বগুরু। সুতরাং, চূড়ান্ত অবৈজ্ঞানিক কথা বললেও তাকে গ্রাহ্য করতে হবে। অলীক ন্যারেটিভ তৈরি করলেও মানতে হবে তাকে। তিনি এবং তাঁর প্রচারকরা মোদিমোহমুগ্ধ এক পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছিলেন, যার থেকে অন্ধভক্তের জন্ম। আজ জেন জিদের জেদের কাছে জব্দ সেই অন্ধভক্তি। সমাজ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এত ট্রোল, এত বিদ্রূপ এর আগে কোনদিন দেখা যায় নি।

শুধু ‘মোদি-মিথ’ কেন, তার সঙ্গে ছিল ‘চাণক্য-মিথ’। মন্ত্রীসভার দ্বিতীয় ব্যক্তিকে সংবাদ মাধ্যম বলত চাণক্য। মানে কূট কৌশলী। কি সেই কূটকৌশল? ক্ষমতা লাভের জন্য, ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য ছল-বল-কৌশলের প্রয়োগ। এজেন্সির ব্যবহার, নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে তাঁবে রাখা, দল ভাঙানো, দল -ভেঙে -আসাদের নিজের দলের সমর্থনে রাখা। জেন জি-রা সেই চাণক্যকে হতভম্ব করে দিয়েছে। উনি তাদের উল্টো ঝুলিয়ে সিধা করা তো দূরের কথা, প্রতিবাদও করতে পারছেন না।

স্নেহভাজন সঞ্জয় ভট্টাচার্য বলেছেন জেন জি-রা ‘দেশের মধ্যে থাকা পরজীবী বৌদ্ধিক formal media-র হাঁড়িটা ফাটিয়ে দিয়েছে জনসমক্ষে। যে কাজগুলো আমাদের মতো বৃদ্ধ রাজনৈতিক লিবারেল বিতার্কিকেরা দিনের পর দিন কলম শব্দ আর হতাশা খরচ করেও করতে পারি নি, এরা এই অপরাজেয় সংবাদ মাধ্যমের credibility-টাই ছিনিয়ে নিয়েছে।’ তাই তো আজ গোদি মিডিয়ার সাংবাদিকদের বড় ভয়, আর সেই ভয়েই ভয়-মিছিল।

কিন্তু শুধু গোদি মিডিয়া নয়, বোধ হয় ভয় ধরেছে বিচার ব্যবস্থার ধারক ও বাহকদের। রায় দিয়ে আর নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন না তাঁরা। মনে পড়বে জেন জির জন্মের কথা। অভিজিৎ দীপকে নামে এক অখ্যাত যুবকের সেই আহ্বান : ‘আরশোলারা যদি একজোট হয়!’ কি আশ্চর্য, সেটা আর কথার কথা রইল না। এক জোট হয়ে গেল নানা জাতের, নানা ধর্মের, নানা রাজ্যের আরশোলারা। ধর্মের মিথটাও টুকরো টুকরো করে দিল তারা। বুঝিয়ে দিল হিন্দুরা খতরে মে নয়, খতরে মে হ্যায় এ দেশের মানুষ।

অনেক কিছুই ভেঙে টুকরো করে দিল জেন জি-রা। বাঁধ ভেঙে দাও, বাঁধ ভেঙে দাও, ভাঙো …। কিন্তু ভাঙনের জয়গান গাইলেই হয় না, সৃষ্টিরও তো দরকার। সে কাজ বিরোধী রাজনৈতিক দলের। পারবেন কি তাঁরা সব ইগো, সব সংস্কার আর সব স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে দেশগড়ার সাধারণ কর্মসূচিতে হাত লাগাতে? না পারলে, মনে রাখবেন, জেন জির পরে আসছে আলফারা। শেষ করি সুকান্তকে দিয়ে :

স্বপ্নচূড়ার থেকে নেমে এসো সব

শুনেছ? শুনেছ উদ্দাম কলরব?

আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন

Currently Maintained by the2.dev