Logo
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ উম্মে মুসলিমা-র ছোটগল্প বারবনিতা সাহিত্যিক উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও বঙ্গসাহিত্য : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ কবিতার আয়ুষ্কাল — নজরুলের বিদ্রোহী : রফিকুর রশীদ বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ হেলালগীতি : ড.মুন্সি আবু সাইফ সোনাম ওয়াংচুক — গান্ধিবাদী অনশনের ঐতিহ্য : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ নুসরাত সুলতানা-র ছোটগল্প ‘ইনকিউবেটর’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ স্পেন — রবীন্দ্রনাথ কখনও এখানে খেতে আসেননি : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ জাতি সংঘের চিঠি : নির্বাচন কমিশন ও ভারত সরকার : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি ডালিয়া — ডায়েট ফ্রেন্ডলি রেসিপি : রিঙ্কি সামন্ত ছানি অপারেশন কোথায় ও কখন করা উচিত : ডা. তনুশ্রী চক্রবর্তী ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (১০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ অপারেশন লোটাসের ইতিবৃত্ত : দিলীপ মজুমদার ওড়িশার পঞ্চদশ শতকের মহাকবি সরলা দাসের কোটিপূজাই আজ খুঁটিপূজা : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ ঢেউ-এর দোলায় তসলিমা নাসরিন : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ রথ নিয়ে বাংলা প্রবাদ ও তার সামাজিক তাৎপর্য : অসিত দাস মৌসুমী মিত্র ভট্টাচার্য্য-র ছোটগল্প ‘গোধূলির চিতায়’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ এনকাউন্টার : দিলীপ মজুমদার
Notice :

পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন,  ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

সাহিত্যিক উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও বঙ্গসাহিত্য : অসিত দাস

অসিত দাস / ৪১ জন পড়েছেন
আপডেট শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভাই উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক, পরিব্রাজক ও আইনজ্ঞ। তাঁর জন্ম ১২ অক্টোবর, ১৯০২, মৃত্যু ১২ অক্টোবর, ১৯৯৭।

তাঁর লেখা বই ‘শ্যামাপ্রসাদের ডায়েরী ও মৃত্যুপ্রসঙ্গ’ বইয়ে তিনি শ্যামাপ্রসাদের উজ্জ্বল ছাত্রজীবনের কথা লিখে গেছেন। শ্যামাপ্রসাদ যে প্রেসিডেন্সী কলেজে ইংরেজি অনার্সে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়েছিলেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএ ক্লাসে বাংলায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়েছিলেন, তা তাঁর বইটি থেকে জানা যায়। আরও জানতে পারি, ছাত্রজীবনেই শ্যামাপ্রসাদ বিদগ্ধ অধ্যাপক ও লেখকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। প্রেসিডেন্সী কলেজের ইতিহাস ও ইংরেজির অধ্যাপক ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেটের সদস্য বিখ্যাত শেক্সপীয়ার-বিশেষজ্ঞ H. M. Percival-এর সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত পত্রবিনিময় হত। পার্সিভাল সাহেব কলকাতা ছেড়ে বিলেতে পাকাপাকিভাবে চলে যাওয়ার পরেও সেই অভ্যাস তিনি বজায় রেখেছিলেন।

শুধু পার্সিভাল সাহেবই নয়, তিনি পত্রবিনিময় করতেন শার্লক হোমসের স্রষ্টা স্যার আর্থার কোনান ডয়্যালের সঙ্গেও। পরে বিলেতে ব্যারিষ্টারি পড়তে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎও করেছিলেন।

১৯২২-এ মাসিক বঙ্গবাণী পত্রিকা প্রকাশিত হয় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও তাঁর বড়দা রমাপ্রসাদের নেতৃত্বে। এম এ-তে বাংলায় তাঁর থিসিস ছিল, ‘গিরিশচন্দ্র ঘোষের সামাজিক নাটক’। যদিও তখন ইংরেজিই ছিল বাংলাপরীক্ষার বাহন। এসবই জানা যায় উমাপ্রসাদের লেখা থেকে।

সাহিত্যিক ছাড়াও উমাপ্রসাদ ছিলেন শিল্পী, সংগীতজ্ঞ, আলোকচিত্রশিল্পী, কিন্তু নিজেকে তিনি কখনোই প্রচারের আলোয় আনতে চাননি। তাঁর প্রাণের টান ছিল দুর্গম হিমালয়ের প্রতি। বারবার বলেছেন, ‘আমি অভিযাত্রী নই, কৌতূহলী পথিক মাত্র’। প্রথমবার হিমালয়ে যান ১৯২৮ সালে আর শেষবার যখন যান, তখন বয়স ৭৮ বছর, সালটা ১৯৮০।

তাঁর মুখ্য ভ্রমণতালিকা দেখতে গেলে দেখা যাবে, ১৯১৬ তে বিন্ধ্যগিরি দিয়ে শুরু, এছাড়া পঞ্চকেদার, পশুপতিনাথ, মানস-সরোবর, গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রী, নাথুলা, বৈষ্ণোদেবী, গোমুখ, পরশুরামকুন্ড, কোথায় না গেছেন! তিনি ছিলেন ভ্রমণপিপাসু, আর সেই সূত্র ধরে তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন জঙ্গলে, মরুভূমিতে, সমুদ্রে। প্রথম জীবন থেকেই হিমালয়ের প্রতি তাঁর বিশেষ আকর্ষণ ছিল। হিমালয়কে তিনি যে শুধু ভালোই বেসেছিলেন, তাই নয়, তাঁর লেখার মধ্যে দিয়ে হিমালয়কে তিনি মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে দিয়েছেন। অসাধারণ সব বই তিনি লিখেছেন, মণিমহেশ, পঞ্চকেদার, কৈলাস ও মানস সরোবর, হিমালয়ের পথে পথে, পালামৌয়ের জঙ্গলে, ভ্রমণ অমনিবাস, জলযাত্রা, স্যার আশুতোষের দিনলিপি, শ্যামাপ্রসাদের ডায়েরী ও মৃত্যুপ্রসঙ্গ, দুই দিগন্ত ইত্যাদি। মণিমহেশের জন্য ১৯৭১ সালে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারও পেয়েছেন। তাঁর লেখা যেমন অসাধারণ বর্ণনাবহুল, ঘটনার ঘনঘটায় তেমনি আকর্ষণীয় এবং আজ এতদিন পরেও সমানভাবে পাঠযোগ্য ও উচ্চমানের।

তাঁর লেখায় দাদা শ্যামাপ্রসাদের ছেলেবেলার স্মৃতিচারণও নিখুঁত। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের যেমন ছিল ভাই শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন তাঁর জীবনীকার হিসেবে, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় পেয়েছিলেন উমাপ্রসাদকে।

উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় একবার গঙ্গোত্রী গোমুখ বেড়াতে গিয়েছিলেন। তাঁর একটি ডায়রিতে এই ভ্রমণের রোজনামচা লিখেছিলেন। সেটি অতুল গুপ্ত মশাই পড়ে মোহিত হন এবং তাঁকে বারবার একটি পূর্ণাঙ্গ ভ্রমণকাহিনী তৈরি করতে পীড়াপীড়ি করেন। সেটি লেখা সম্পূর্ণ হলে উমাপ্রসাদ নিজের খরচে ছাপেন। সজনীকান্ত দাস বইটির কথা শুনে স্বতঃপ্রবৃত্ত প্রকাশক হতে রাজী হন। এইভাবে গঙ্গাবতরণ বইটি যখন প্রকাশের জন্য প্রস্তুত, কানাইবাবু অর্থাৎ কানাইলাল সরকার অতুলবাবুর কাছে বইটির সুখ্যাতি শুনলেন। কানাইবাবু অতুলবাবুর মাধ্যমে সজনীবাবুকে বললেন, সজনীবাবু যদি কয়েক সপ্তাহ অপেক্ষা করেন, তাহলে এই বইটি দেশ পত্রিকায় ধারাবাহিক হিসেবে প্রকাশ করা যেতে পারে। সজনীবাবু শোনামাত্র রাজী হয়ে গেলেন। বললেন, ভালোই তো, দেশ-এ বেরোলে প্রচারও হয়ে যাবে। গঙ্গাবতরণ বেরোবার সঙ্গে সঙ্গে পাঠকের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা পেল। কানাইবাবুর উপস্থিত বুদ্ধির জন্যই দেশ এই ছোট অথচ সুন্দর ভ্রমণকাহিনী প্রকাশের গৌরব অর্জন করল। কানাইবাবুর এই কাজে অন্যতম উৎসাহদাতা ছিলেন আনন্দবাজার পত্রিকারই অন্যতম আর্টিস্ট অর্ধেন্দু দত্ত। অর্ধেন্দুবাবুই খোঁজখবর করে কানাইবাবুর সঙ্গে উমাপ্রসাদবাবুর আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন।

তাঁর জন্ম কলকাতার ভবানীপুর অঞ্চলের রসা রোডের বিখ্যাত মুখোপাধ্যায় বাড়ির দোতলার একটি ঘরে। পৈতৃক ভিটা হুগলিজেলার বলাগড়ের জিরাটে। তাঁর পিতা ছিলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ বাংলার বাঘ আশুতোষ মুখোপাধ্যায় এবং মাতা ছিলেন যোগমায়া দেবী। আশুতোষ এবং যোগমায়ার সাতটি সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। মা যোগমায়া দেবী ছিলেন অত্যন্ত সুন্দরী এবং সুরুচিসম্পন্না প্রগতিশীলা নারী, যাঁর প্রভাব অবধারিতভাবেই পড়েছিল সমস্ত সন্তানের উপরে। শৈশবে উমাপ্রসাদ অত্যন্ত সুশ্রী দেখতে হলেও, তার শরীর স্বাস্থ্য ভালো ছিল না; মাত্র পাঁচ বছর বয়সে টাইফয়েডে আক্রান্ত হন তিনি। শিশুকাল থেকেই তিনি ছিলেন মেধাবী, অন্তর্মুখী, পশুপ্রেমী এবং দরদী মনের মানুষ। তাঁর ছেলেবেলার বিবরণ পাওয়া যায় তাঁর রচিত প্রবন্ধ “আমার ছেলেবেলা” তে। হাতেখড়ির পরে, বাড়ির বিশাল লাইব্রেরীতেই শুরু হয় উমাপ্রসাদের প্রথম পাঠ। তাঁর প্রথম শিক্ষক ছিলেন প্রিয়নাথ বসু এবং মহেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়।

সাত বছর বয়সে ভবানীপুর মিত্র ইন্স্টিটিউশনে শুরু হয় তাঁর প্রথাগত শিক্ষাজীবন। ১৯১৯ সালে উমাপ্রসাদ এন্ট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন প্রথম বিভাগে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে। এরপর ১৯২১ সালে প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে আই এ পরীক্ষায় প্রথম স্থান লাভ করেন। এই পরীক্ষায় বাংলা রচনায় দক্ষতার জন্যে বঙ্কিমচন্দ্র রৌপ্য পদক এবং দ্বিজেন্দ্রলাল রায় বৃত্তি ও পারিতোষিক, ভাষা ও অঙ্কে ভালো নম্বরের জন্যে ডাফ বৃত্তি, ইংরাজি ও অঙ্কের জন্যে সারদাপ্রসাদ পুরস্কার এবং পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার জন্যে স্টিফেন বিনে পদকপ্রাপ্ত হন। এরপর ওই কলেজ থেকেই ১৯২৩ সালে ইংরাজিতে অনার্স সহ বি এ পাশ করেন প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করে। এরপরে ১৯২৫ সালে “প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতি” বিষয়ে প্রথম শ্রেণীতে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এম এ পাশ করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এরপর আইন পড়া শুরু করেন এবং ১৯২৮ সালে বি এল পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে সপ্তম স্থান অধিকার করেন।

এরপর আইন কলেজে অধ্যপনা শুরু করেন। আত্মগম্ভীর কিন্তু রসবোধে পূর্ণ এই লেখক আজীবন ছিলেন কর্তব্যনিষ্ঠায় অবিচল এবং অত্যন্ত নিয়মানুবর্তী ব্যক্তিত্ব। তাঁর প্রখ্যাত ছাত্রদের মধ্যে অন্যতম প্রাক্তন ভারতীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রতাপ চন্দ্র চন্দ্র এবং সাংবাদিক অরুণ বাগচী। অধ্যাপনা ছাড়াও আইনজ্ঞ হিসেবেও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন তিনি। আলিপুর কোর্ট, বিড়লা কোম্পানীর লিগ্যাল আডভাইসার, বেঙ্গল লাইব্রেরির অর্থ দপ্তরের কাউন্সিল মেম্বার, চেয়ারম্যান, লিকুইডেটার এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যট্রিকুলেশন পরীক্ষার ট্যাবুলেটর হিসেবেও তিনি দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন তিনি।

ভ্রমণ এবং পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধূলা নিয়েও তাঁর উৎসাহ ছিল দেখার মত। তিনি বেঙ্গল লন টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং নিজে একজন টেনিস খেলোয়াড় ছিলেন। এছাড়াও ১৯৩২ সালে রেফারি ট্রেনিং নিয়ে পাশ করেন আই এফ এ থেকে এবং পরবর্তীকালে রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ছিলেন তিনি। এছাড়াও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোয়িং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তিনি।

বস্তুত উমাপ্রসাদবাবু না লিখে গেলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অনেক অজানা তথ্যই জানা যেত না। আকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক উমাপ্রসাদকে কি বাঙালি ভুলে গেল?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন