| | |
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৬৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সৃজন-মানসের অন্তর্বয়ন ও লেখাজীবনের প্রেক্ষিত : আনন্দগোপাল হালদার কেতকী কুশারী ডাইসন, রবীন্দ্রনাথের বর্ণান্ধতা ও আমাদের রক্ষণশীল সমাজ : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৬৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৬২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ রাষ্ট্রের বিধি বনাম মায়ের শেষ ইচ্ছে — চিন্ময়কৃষ্ণের ঘটনা যে প্রশ্ন রেখে গেল : যশোবন্ত রায় বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার নেপালের পর কি কলকাতা জলের তলায় চলে যাবে — চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় বিশ্বাসঘাতকতার পরিণতি : রিঙ্কি সামন্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৬১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বৈশ্বিক অস্থিরতায় জাতিসংঘের ছয় অগ্রাধিকার : নিকোলাস বিশ্বাস বাম-ব্যানারে শারদোৎসব না দুর্গোৎসব : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৬০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ গুরুবাবাদের প্রবঞ্চনা-শোষণ-যৌনতা ও রাজনীতির জম-জমাট রঙ্গ : দিলীপ মজুমদার সিরাত : জীবন খুঁজে দেয় : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ অয়ন মুখোপাধ্যায়-এর ছোটগল্প ‘টেবিলের নিচে একটি দেশ’ বানভাসি এলাকায় মানুষ ও সাপের সহাবস্থান, দংশনে বাড়ছে মৃত্যু : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিশ্বজিৎ মণ্ডল-এর ছোটগল্প ‘সংকোচ’ পাখণ্ডী শব্দটির অর্থ যুগে যুগে পরিবর্তিত হয়েছে : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ লাইন অব প্যাসেজ — সংগ্রামী জীবনের দর্পণ : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয় বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার কেন উত্তম মহানায়ক : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ হড়পা বানের হাড়হিম করা দৃশ্য : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৫৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ উত্তম কুমার : বাঙালির সমাজভাষ্য, মূল্যবোধ ও মনস্তাত্ত্বিক উত্তরাধিকার : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয়
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ রাখি পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

দেশের জেলে সাজাপ্রাপ্তদের থেকে বিচারাধীন বন্দীর সংখ্যা বেশি

Reporter
পেজ ফোর, বিশেষ প্রতিনিধি / ৩৫২ Views জন পড়েছেন
আপডেট শনিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২২

পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম গণতন্ত্রে জেলগুলি মূলত তৈরি হয়েছিল সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদের রাখার জন্য। এখন ছবিটা পুরোপুরি বদলে গেছে, ভারতের জেলগুলিতে বিচারাধীন বন্দীদের সংখ্যা সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদের থেকে বেশি। সম্প্রতি প্রকাশিত ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর দেওয়া তথ্য থেকে এমন ছবিটাই ফুটে উঠেছে। বিরোধী দলগুলির মতে এটা সরকারি ব্যর্থতার একটা বড় উদাহরণ। বিচারের বিলম্ব হওয়া মানে বিচারাধীন বন্দীদের জেলে থাকার মেয়াদ বাড়া। বিজেপি সরকারের ব্যর্থতার ফলে ঠিক এই ঘটনাটাই ঘটছে।

বিজেপির শাসনে দেশ কেমন চলছে তা বলছে ভারতের জেলগুলির অবস্থা। বর্ষশেষের হিসেবে দেখা যাচ্ছে এখন জেলে রয়েছে সাড়ে পাঁচ লাখেরও বেশি বন্দী। এদের অর্ধেকেরই বেশি বিচারাধীন বন্দী। এদের বিরুদ্ধে আনা মামলাগুলির নিষ্পত্তি হতে দেরী হওয়া এবং দেশে অপরাধ ও হিংসাত্মক ঘটনা বাড়া এর একটা বড় কারণ। বিরোধী দলগুলির মতে শাসকদলের অসহিষ্ণুতাও জেলে বন্দীদের সংখ্যা বাড়ার জন্য দায়ী। যেকোন হাঙ্গামাতেই সাম্প্রদায়িক রঙ লাগিয়ে চলছে ব্যাপক ধরপাকড়, এটা একটা বিপজ্জনক প্রবণতা।

ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর হিসেব অনুযায়ী বন্দীদের মধ্যে বিচারাধীন বন্দীর অনুপাত ৭৭.১ শতাংশ। অন্যদিকে নানা অপরাধের কারণে সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদের অনুপাত ২২.২ শতাংশ। ওয়ার্ল্ড প্রিজন ব্রিফ এর হিসেব অনুযায়ী সারা বিশ্বে বিচারাধীন বন্দীর সংখ্যা হিসেবে ভারত রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। আমাদের আগে রয়েছে মাত্র ৫টি দেশ। লিয়েচটেনস্টেইন, সান মারিনো, হাইতি, গিবন এবং বাংলাদেশ।

বিচারের গতি দ্রুত না হলে শুধু সুবিচারেরই বিলম্ব হয় না, আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের অনাস্থাও বাড়ে। আমাদের দেশে বিচারে বিলম্ব হওয়াটা অবশ্য খুব একটা সাম্প্রতিক ঘটনা নয়। ১৯৭৫ সালে ল কমিশনের একটা রিপোর্ট জানাচ্ছে,  তখনই দেশে বিচারাধীন বন্দীর অনুপাত ছিল ৫৭.৬ শতাংশ। বিচারের বিলম্বের ফলে অপরাধ না করেও জেলে কাটাতে হচ্ছে বহু মানুষকে।

এটা ঘটনা কোভিডের ফলে বিচার সংক্রান্ত কাজ খুবই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ২০২০র ২৫ মার্চ দেশজুড়ে লকডাউন চালু হওয়ার পর আদালতের কাজ ঠিকভাবে করা যায়নি। এর ফলে একদিকে বন্দীর সংখ্যা বেড়েছে অন্যদিকে কমেছে সাজাপ্রাপ্তদের সংখ্যা। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে একাজটা ভালোভাবে করা সত্যিই কঠিন। অথচ সুপ্রিম কোর্ট প্রথম থেকেই বলে আসছিল, কোভিড সংক্রমণ রুখতে হলে জেলে আটকদের সংখ্যা কমাতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন

Currently Maintained by the2.dev