| | |
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ নিম্নচাপের বৃষ্টিতে নষ্ট সবজি, আকাশ ছোঁয়া দামে নাজেহাল মানুষ : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় রামযাত্রার মাঠ ফাঁকা : অয়ন মুখোপাধ্যায় যাদবপুরের যাদবদের গোপালনের ইতিহাস : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ রাম নামে কাম নাই, আমিই তো রাম : দিলীপ মজুমদার তৃষিত মাঠের খসড়া : বিশ্বজিৎ মণ্ডল ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ মাঠের মাছ ও একটি ঢ়োড়া সাপের গল্প : সুব্রত দত্ত রোহিঙ্গা সংকটের নয় বছর — সমস্যা সমাধানে চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ যাদবপুর নামটি এল কোথা থেকে : অসিত দাস ইতিহাস গড়ে নারী, ইতিহাস ধরা থাকে অক্ষরে : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিজেপির দুর্ধর্ষ আই টি সেল থেকে মালব্য বিদায় : দিলীপ মজুমদার বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ গ্রহণ : নিকোলাস বিশ্বাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বার্ধক্যের নিঃসঙ্গ ছায়া: একাকীত্ব, বিচ্ছিন্নতা ও অবসাদ : যশোবন্ত রায় মনসার ঢেলাফেলা পার্বণ মনসাভক্তদের একচক্ষু দেবীকে নিবেদনের লোকাচার : অসিত দাস সংকট সমাধান ও সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্ক উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার এখন বারাণসী যেতে মন চায় না : বিজয় চৌধুরী ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৪০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার কারানল : সসীমকুমার বাড়ৈ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৩৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ দৃশ্যমান দুর্যোগের বাইরে জলবায়ু পরিবর্তনের গভীর সংকট : নিকোলাস বিশ্বাস রামবাগানের ইন্দুবালা : জ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৩৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

রাজ্য উদ্যান পালন দপ্তরের অভিনব উদ্যোগ, প্রতি স্কুলে আদার চাষ : মোহন গঙ্গোপাধ্যায়

Reporter
মোহন গঙ্গোপাধ্যায় / ৬৩৫ Views জন পড়েছেন
আপডেট শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫

অভিনব উদ্যোগ। এবারই প্রথম রাজ্যের স্কুলে স্কুলে আদার চাষ করার পরিকল্পনা। এগিয়ে এসেছে রাজ্যের উদ্যান পালন দপ্তর । শাক-সব্জির চাষ হয়েই থাকে স্কুলগুলিতে। অনেক স্কুলে বাগানের ফলন দিয়েই মিড ডে মিল তৈরি করা হয়। এবার সরকারের লক্ষ্য আদার উৎপাদন বৃদ্ধি করা ।

দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আপাতত প্রতি জেলায় ২০টি করে স্কুলকে বাছাই করা হয়েছে। আধিকারিকরা সেই স্কুলগুলিতে গিয়ে দেখিয়ে দেবেন, কীভাবে আদার চাষ করতে হয়। মূলত গ্রো ব্যাগের (পলিথিন দিয়ে তৈরি) মধ্যে আদার চারা পুঁতে চাষ হবে। সেটি ঘরের বারান্দায়, স্কুলের ছাদে ইত্যাদি স্থানে রাখা যাবে। তার জন্য বিঘের পর বিঘে জমি দরকার পড়বে না। দপ্তরের দাবি, স্কুলের শিশুরাও এই চাষ অনায়াসে করতে পারবে। রাজ্যে কমবেশি ১ লক্ষ ৩৯ হাজার টন আদা উৎপাদন হয়। এই চাষ সব থেকে বেশি  দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় হয়। এছাড়াও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর দিনাজপুর এবং আলিপুরদুয়ারেও কমবেশি হয়। কিন্তু ইদানীংকালে যেভাবে আদা গাছে রোগ ধরছে, তাতে মার খাচ্ছে উৎপাদন। অনেক কৃষক আদার চাষ আর করছেন না। তাই রাজ্যজুড়ে আদার ফলন বৃদ্ধি করতে স্কুলগুলিকেই একপ্রকার টার্গেট করেছে উদ্যানপালন দপ্তর। এই চাষ করতে কোনও বড় প্রস্তুতির প্রয়োজন নেই। তাই স্কুলের শিশুরা এই পদ্ধতি শিখে নিলে তাদের থেকে অভিভাবক ও শিক্ষকরাও বিষয়টি জেনে নিতে পারবেন।

দপ্তর মনে করছে, এভাবে স্কুল ও বাড়িতে আদার চাষের প্রবণতা বাড়লে রাজ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। তাছাড়া মিড ডে মিল তৈরিতে আদা লাগলে স্কুলের বাগান থেকেই সেটা সরবরাহ করা যাবে। অন্যদিকে, রসুনের উৎপাদন বাড়াতেও উদ্যোগী হচ্ছে উদ্যানপালন দপ্তর। কৃষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, উন্নত মানের রসুন চাষ সহ একাধিক বিষয় নিয়ে জেলায় জেলায় কর্মসূচি নেবে তারা। রাজ্যের প্রায় ৯ কোটি মানুষের জন্য ১২৩ হাজার টন রসুন প্রয়োজন। এই চাহিদা পূরণ করতে উৎপাদন বৃদ্ধি একমাত্র পথ বলে তাঁদের মত। তাই রসুন চাষের জন্য নেওয়া হবে একাধিক পদক্ষেপ। এজন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন

Currently Maintained by the2.dev