Logo
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৪১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ কবি ধনঞ্জয় সাহার মুক্তছন্দে লেখা কাব্যগ্রন্থ বহুমাত্রিক স্বর : সসীমকুমার বাড়ৈ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৪০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ তারাশঙ্করের উপন্যাসে সমাজগতির ধারা : ড. অলোক রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ অয়ন মুখোপাধ্যায়-এর ছোটগল্প ‘নিউরাল কারেন্সি’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ কালীঘাট পটচিত্রের ইতিকথা : মনোজিৎকুমার দাস খোলাখাম : অশোক মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ জামা, জামি, জামাইষষ্ঠী : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় পলিসি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন আবশ্যক : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ পলাশীর যুদ্ধ ও একটি সিদ্ধান্ত (শেষ পর্ব) : সুব্রত দত্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ পলাশীর যুদ্ধ ও একটি সিদ্ধান্ত (প্রথম পর্ব) : সুব্রত দত্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিজুরিকা চক্রবর্তী-র ছোটগল্প ‘একাকিনী’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ মৈত্রেয়ী ব্যানার্জী-র ছোটগল্প ‘আবহমান’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সুস্বাদু ও রসালো আলুবোখারা–প্রকৃতির এক অনন্য উপহার : রিঙ্কি সামন্ত
Notice :

পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন,  ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৪১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ

ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গা / ৮৩ জন পড়েছেন
আপডেট রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

ফ্রান্সিসের প্রস্তাব ছিল, “বর্তমানের বিভ্রান্তিকর পাট্টা ও জমাবন্দি ব্যবস্থা বিলুপ্ত হোক”। তাঁর বক্তব্য ছিল, জমিদারদের উচিত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নতুন পাট্টা দেওয়া — যা হয় জমিদারদের নিজস্ব নির্ধারিত খাজনার মেয়াদের সমকাল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে, অথবা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বছরের জন্য কার্যকর হবে। এই নতুন পাট্টা হতে হবে যথাসম্ভব সহজ-সরল এবং এর সঙ্গে কোনো রকম আবওয়াব বা মাথোট (Mathaut) জুড়ে থাকবে না; বরং এতে চাষের প্রতি বিঘা জমির জন্য নির্ধারিত খাজনার পরিমাণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে — যা কেবল উৎপাদিত ফসলের ধরন বা মাটির গুণাগুণ ভেদে পরিবর্তিত হবে। এছাড়া, বার্ষিক খাজনা পরিশোধের পর রায়ত বা প্রজারও অধিকার থাকা উচিত যে, সে জমিদারের থেকে স্বাক্ষরিত হিসাব বিবরণী গ্রহণ করবে, যার পাদদেশে একটি ‘দায়মুক্তি সনদ’ (release) সংযুক্ত থাকবে। রায়তদের মুদ্রার বাট্টা বা বিনিময়জনিত লোকসান থেকে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্যে, তিনি উপনিবেশে একক, সাধারণ রৌপ্যমুদ্রা প্রবর্তনের সুপারিশ করেন, যা সর্বত্র সমমূল্যে বা ‘পার’ (at par) দরে চালু থাকবে।

অনেকেই মনে করছিলেন জমির মূল্য বৃদ্ধির ফলে স্বভাবতই জমিদাররা পূর্ব সময়ের দাতব্য বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে হস্তান্তরিত জমি নতুন করে নিজেদের দখলে আনার চেষ্টা করতে পারেন; তাই যেসব জমির ক্ষেত্রে কোনো ‘পাট্টা’ বা মালিকানার দলিল দেখানো সম্ভব নয়, সেগুলো বিনা বাধায় বা নিরবে নতুন করে দখলে আনার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ জরুরি। এছাড়া ভবিষ্যতে জমিদারদের এমন কোনো দাতব্য অনুদান দেওয়া থেকে বিরত রাখা উচিত যার মেয়াদ তাদের নিজেদের জীবৎকালের চেয়ে বেশি হয়; এবং সরকারের কাছে বকেয়া পাওনা থাকা অবস্থায় কোনো জমিদারের দেওয়া এ ধরনের কোনো অনুদান বা হস্তান্তর বৈধ রূপে গণ্য করা হবে না।

জমিদারদের অর্থ ঋণ দেওয়ার প্রক্রিয়া বিষয়ে ফ্রান্সিস লিখছেন: “যারা তাদের অর্থ ঋণ হিসেবে দিচ্ছেন, তাদের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের উচিত সৎ অভিপ্রায়ের প্রমাণ দেওয়া। সুদের হার নির্দিষ্ট করা উচিত এবং জামানত বা নিরাপত্তার পদ্ধতি — সেটা বন্ধক রাখাই হোক অথবা অন্য কোনো উপায়েই হোক — তাও উপযুক্তভাবে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।” এরপর তিনি রাজস্ব প্রশাসনের নির্বাহী কাঠামোর প্রসঙ্গ তোলেন। প্রাদেশিক পরিষদগুলোর বিষয়ে তাঁর বক্তব্য বেশ কৌতূহলোদ্দীপক; কারণ হেস্টিংস যখন এই পরিষদগুলো লুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিশংসন (impeachment) প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য দেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি সেই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেন। প্রাদেশিক পরিষদগুলোর বিষয়ে ফ্রান্সিস লিখছেন:

“এই প্রতিষ্ঠান মূলত ছিল ত্রুটিপূর্ণ। রাষ্ট্রে কেবল একটাই পরামর্শদাতা পরিষদ থাকা উচিত ছিল। সেই কর্তৃপক্ষের দ্বারা অর্পিত ক্ষমতাগুলো হওয়া উচিত সম্পূর্ণভাবে নির্বাহী বা প্রশাসনিক প্রকৃতির। বিতর্ক বা আলোচনার সাথে নির্বাহী ক্ষমতাকে মিশিয়ে ফেলাটা সমস্ত নীতির পরিপন্থী বলে মনে হয়। এটা অনেকটা যেন দুটো ভিন্ন ভিন্ন ক্ষমতা, যাদের প্রকৃতি একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত, জোর করে একে অপরের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে বাধ্য করা। এমন কাঠামোর কোনো সরকার, কোনো বিষয়েই যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না, আর দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারবে না। কাজের ধীরগতি, ক্লান্তিকর বিতর্ক এবং দীর্ঘস্থায়ী পরামর্শ-সভাগুলোর মতো দৃশ্যমান সমস্যা একপাশে সরিয়ে রাখলেও, প্রাদেশিক পরিষদগুলোর বিরুদ্ধে আরও একটা বড় মারাত্মক আপত্তি রয়েছে — যা খোদ পরিষদগুলোর সদস্যরাও সাধারণত অনুভব করেন এবং স্বীকার করেন। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে তারা নিজস্ব জ্ঞানের ভিত্তিতে দূরবর্তী জেলাগুলোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে, অভিযোগ শুনতে কিংবা সময়মতো প্রতিকার প্রদান করতে — সংক্ষেপে বলতে গেলে, সরকারের খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে — অক্ষম।”

নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ফ্রান্সিস ‘সুপারভাইজার’ অথবা তত্ত্বাবধায়ক পদ নতুন করে চালু করার সুপারিশ করলেন। তিনি মনে করতেন, এটা হয়তো কেবল সাময়িক প্রয়োজনে নেওয়া পদক্ষেপ হিসেবেই গণ্য হবে; কারণ জমিদাররা যখন নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করবেন এবং রায়তরা তাদের ‘পাট্টা’ (জমিস্বত্ব বা বন্দোবস্তের দলিল) বুঝে পাবেন, তখন আশা করা যায় যে জমিদাররা সরাসরি ‘খালসা’ বা সরকারি কোষাগারে খাজনা জমা দেবেন এবং তখন সুপারভাইজারদের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া সম্ভব হবে। ভাষা আর স্থানীয় অঞ্চল সম্পর্কে জ্ঞানের বিষয় বিবেচনায় রেখে ‘সবচেয়ে বিচক্ষণ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের’ মধ্য থেকে এই জেলা-স্তরের কর্মকর্তাদের নির্বাচন করা উচিত এবং তাঁদের সংগৃহীত নিট অর্থের ওপর কমিশন ও সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যয়ের জন্য ভাতা প্রদান করা উচিত। “তাঁদের আনুষ্ঠানিক পারিশ্রমিক বা বেতন ঠিক কত হওয়া উচিত, সে বিষয়ে আমি কোনো নির্দিষ্ট অভিমত দেব না; তবে আমি এ বিষয়ে নিশ্চিত যে, কোনো সরকারই তার কর্মীদের উদারভাবে পুরস্কৃত না করে সততার সাথে সেবা পেতে পারে না।” (১৭৮১-র ২৮শে এপ্রিল লেখা চিঠিতে হেস্টিংস নির্দিষ্ট পরিমান বেতনকে ‘নিষ্ফল এবং নিরর্থক শ্রমের জন্য নামমাত্র পারিশ্রমিক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। গ্লেইগ: মেমোয়ার্স অফ ওয়ারেন হেস্টিংস, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৩৭৫-৭৬।) যখন রাজস্ব আদায়কারী হিসেবে তত্ত্বাবধায়ক বা সুপারভাইজারদের আর প্রয়োজন হবে না, তখন “পুরান ফৌজেদারদের পরিকল্পনা অনুসারে, শুধুমাত্র দেশের শান্তি আর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য তাদের কয়েকজনকে সুবিধামত অঞ্চলে নিয়োগ করা যেতে পারে; এবং যুদ্ধের ক্ষেত্রে এটা অপরিহার্যভাবে প্রয়োজনীয় হবে।” স্থানীয় দেওয়ানি আদালতগুলোর তত্ত্বাবধান তত্ত্বাবধায়কের কার্যকলাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হবে, এবং যেহেতু ফ্রান্সিস বুঝতে পেরেছিলেন যে দেওয়ানি আদালতে বর্তমানে নিযুক্ত কোম্পানির কর্মচারীরা ছিলেন নিছকই কেরানি, তাই তিনি মনে করতেন যে “তাদের অধিকাংশকেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যেতে পারে।” এছাড়াও তত্ত্বাবধায়কদের “কোম্পানির প্রতিনিধি বা অন্যদের বাণিজ্যে একচেটিয়া আধিপত্য বা অযাচিত প্রভাব” রোধ করার এবং “বণিকদের সুরক্ষা এবং উৎসাহ দেওয়ার” মত ক্ষমতা দেওয়া উচিত। যেহেতু ফ্রান্সিসের পরিকল্পনা সামগ্রিকভাবে গ্রহণ করলে হস্তবুদ গঠন, নথি সংগ্রহ ইত্যাদির প্রয়োজনীয়তা দূর হবে, তাই তত্ত্বাবধায়কের কাজ অনেক সহজ হয়ে যাবে, এবং ফলে জেলায় কর্মচারীদের সংখ্যা কম হলেও সমস্যা হওয়ার কথা না। দেশের বিভাগগুলো আগের সময়ের কালেক্টরেট ব্যবস্থার মতোই থাকতে পারে, তবে ঢাকা অনেক বড় হওয়ায় এবং এতে অনেক ছোট ছোট জমিদারি থাকায়, একে অন্তত তিন বিভাগে ভাগ করা উচিত। এই ব্যবস্থার অধীনে কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য শুধুমাত্র যে হিসাবগুলো প্রয়োজন হবে, সেগুলো হলো প্রত্যেক জমিদারের প্রদান ও বকেয়ার বিবরণী এবং একটি জামা খরচ বা প্রাপ্তি-ব্যয়ের হিসাব। এই নতুন ব্যবস্থা কার্যকর করার জন্য, প্রাদেশিক পরিষদগুলোকে তাদের বিলুপ্তির পূর্বে তত্ত্বাবধায়কদের কাছে প্রস্তুত করে হস্তান্তর করতে হবে —

১. সমস্ত ভূসম্পত্তির একটি নির্ভুল তালিকা বা রেজিস্টার — যা জমিদারি, তালুকদারি ইত্যাদি সাধারণ শিরোনামের অধীনে বিন্যস্ত থাকবে এবং যার অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি পরগনার নাম সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে;

২. বিগত তিন বছরের আয়ের একটি সারণী;

৩. প্রতিটি জমিদারের চরিত্র, পারিবারিক পরিচয় এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াবলির বিবরণ।

চলবে

ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট ফ্রম দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দি অ্যাফেয়ার্স অফ দি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সংক্ষেপে দ্য ফিফথ রিপোর্ট।

বিশ্বেন্দু নন্দ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন