শনিবার | ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | রাত ১২:২৭
Logo
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ পরিবেশ দিবসে রবীন্দ্রনাথ : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সিন্ধুসভ্যতা বিশেষজ্ঞ র‍্যান্ডাল ল’-র সুতকাগেনদোর-সফরের নির্যাস : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ অয়ন মুখোপাধ্যায়-এর ছোটগল্প ‘পঞ্চাশ নম্বরে নাম’ ক্ষয়িষ্ণু পুরুষ লেখক সসীম কুমার বাড়ৈ আলোচক সুতপা দত্ত দাশগুপ্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ কলকাতার হকার, উচ্ছেদ অভিযান, ইতিহাসের প্যারাডক্স : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিনোদিনী দিন ফিরিবার নয় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১১৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ আইসক্রিমের দারুন স্বাদে গরম হোক উধাও : রিঙ্কি সামন্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১১৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ মৌসুমী মিত্র ভট্টাচার্য্য-এর ছোটগল্প ‘পদ্মপাতার জল’ নজরুলের চোখে ক্ষুদিরাম : শৌনক ঠাকুর ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১১৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ ইতিহাসসাধক স্বদেশরঞ্জন মণ্ডল : দিলীপ মজুমদার এবারে দশহরাতে আরামবাগের মনসাডাঙ্গার মনসা মাতার পূজায় ছাগবলি বন্ধের সিদ্ধান্ত : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১১৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১১৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বরেন্দ্র ও গৌড়ীয় ব্রাহ্মণ সমাজের ইতিহাস, কুলপঞ্জি ও অভিলিখনের সমন্বয়ে একটি পুনঃপাঠ : অত্রি ভট্টাচার্য ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১১৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ অয়ন মুখোপাধ্যায়-এর ছোটগল্প ‘ছেঁড়া জামার ঈশ্বর’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১১৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১১২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ
Notice :

পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন,  ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ

ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গা / ৫১ জন পড়েছেন
আপডেট শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬

এই আদেশ জারির পরবর্তী ঘটনাবলির বিবরণ একই উৎস থেকে আহরণ করে মিল এমন একটি বর্ণনা দিয়েছেন, যা পাঠকদের এই ধারণা দিতে পারে যে — বিধবা নারী, যার নাম নেদেরা বেগম — তিনি পুরো সময়টা জুড়ে প্রায় উন্মাদসুলভ হিংস্রতা নিয়ে আচরণ করেছিলেন; অন্যদিকে স্যার জেমস স্টিফেনের বিবরণ এমন একটি মতের দিকে ইঙ্গিত করে, যা পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতিও গ্রহণ করেছিলেন — আর তা হলো, এই বিশেষ ঘটনায় “দেশিয় কর্মকর্তারা” (black officers) ওই বিধবাকে “লুণ্ঠন ও সহিংসতার উপযুক্ত লক্ষ্যবস্তু” হিসেবে গণ্য করেছিলেন। নেদেরা বেগম বাড়ি থেকে পালিয়ে যান এবং সঙ্গে করে সম্পত্তির কিছু মালিকানাস্বত্ব-সংক্রান্ত দলিলপত্র ও মৃত ব্যক্তির নারী দাসদের নিয়ে যান; তবে তাঁর এই পলায়নের উদ্দেশ্য কি আইন কর্মকর্তাদের জনচক্ষে হেয় করা ছিল, নাকি আইন কর্মকর্তাদের সহিংসতাই তাঁকে পালাতে বাধ্য করেছিল — তা নিশ্চিতভাবে নির্ণয় করা সম্ভব নয়। ১৭৭৭-এর ২০শে জানুয়ারির কিছুকাল পূর্বে কাজী ও মুফতিরা তাঁদের প্রতিবেদন পেশ করেন; এই নথিপত্র থেকে জানা যায় যে, মৃত ব্যক্তির ভ্রাতুষ্পুত্র বাহাদুর বেগ নিজেকে মৃত ব্যক্তির দত্তক পুত্র হিসেবে দাবি করে তাঁর চাচার সম্পত্তির ওপর স্বত্ব দাবি করেন, অন্যদিকে বিধবা নারী একটি উইল ও একটি দানপত্রের ভিত্তিতে সম্পত্তির ওপর নিজের অধিকার দাবি করেন। কাজী ও মুফতিরা বলেন, উইল এবং দানপত্র — দুটোই জাল; তাই তাঁরা সুপারিশ করেন, সম্পত্তিকে চারটি ভাগে ভাগ করা হোক — তবে একটা ‘আলতামঘা’ (বিশেষ অনুদানপ্রাপ্ত জমি) এর আওতামুক্ত থাকবে, কারণ তা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির অংশ হিসেবে গণ্য হবে না। এই চার ভাগের মধ্যে তিন ভাগ বাহাদুর বেগকে এবং অবশিষ্ট এক ভাগ বিধবা নারীকে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। প্রাদেশিক পরিষদ এই প্রতিবেদন গ্রহণ করে এবং সেই অনুযায়ী সম্পত্তি বণ্টনের আদেশ জারি করে। বিধবা নারী তাঁর জন্য নির্ধারিত এই এক-চতুর্থাংশ অংশ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান; যেহেতু তিনি বাড়িতে ফিরে আসতে এবং নিজের সঙ্গে নিয়ে যাওয়া সম্পত্তি ফেরত দিতে রাজি হননি, তাই পরিষদ তাঁর আশ্রয়স্থলের ওপর পাহারার ব্যবস্থা করে — তাঁর আশ্রয়স্থল ছিল জনৈক মুসলিম সাধকের মাজার, যেখানে হিন্দু ফকিররা বসবাস করতেন। পরিশেষে, তিনি বাহাদুর বেগ এবং কাজী ও মুফতিদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে একটা মামলা দায়ের করেন; এই মামলায় তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে আক্রমণ, শারীরিক নিগ্রহ এবং টানা ছয় মাস ধরে তাঁকে অবৈধভাবে আটক রাখার অভিযোগ আনেন।

রায় দেওয়ার সময় প্রধান বিচারপতি ঘোষণা করেন যে, উইল এবং দানপত্র জাল — কাজী ও মুফতিদের উত্থাপিত এই দাবি বা বক্তব্যটি প্রমাণিত হয়নি। স্যার এলিজা মন্তব্য করেন যে, এই পরিস্থিতি “আমাদের মনে প্রবল সন্দেহের উদ্রেক করে যে, এই সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদনের আসলে কোনো অস্তিত্বই ছিল না; কেবল বর্তমান মামলার প্রয়োজনে এটিকে কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছে।” মূল ফারসি প্রতিবেদনটি আদালতে পেশ করা হয়নি; বরং কেবল একটি স্বাক্ষরহীন অনুবাদ উপস্থাপন করা হয়েছিল। বস্তুত, সেই অনুবাদটি দেখে মনে হচ্ছিল না যে সেটি কোনো প্রকৃত বা বিশ্বস্ত অনুবাদ; বরং মনে হচ্ছিল সেটি এমন একটি বিবরণ, যা কোনো ইংরেজ কর্মকর্তা একজন স্থানীয় ব্যক্তির জবানবন্দির ভিত্তিতে প্রস্তুত করেছেন। তবে এই রায়ের বিস্তারিত বিবরণ নিয়ে এখানে বিশদ আলোচনার প্রয়োজন নেই। বর্তমান অনুসন্ধানের সাথে প্রাসঙ্গিক মূল বিষয়টি হলো — ‘পাটনা মামলা’য় (Patna Cause) সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দিয়েছিল যে, প্রাদেশিক রাজস্ব পরিষদের আইন কর্মকর্তাদের দ্বারা সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে গৃহীত পদক্ষেপগুলোর ক্ষেত্রে, তাঁদের বিরুদ্ধে ‘আক্রমণ’ (assault) এবং ‘অবৈধ আটক’ (false imprisonment)-এর অভিযোগ আনা যেতে পারে এবং তাঁরা সেই অভিযোগের জবাবদিহি করতে বাধ্য। কাজী ও মুফতিদের পক্ষে এই দাবি উত্থাপন করা হয়েছিল যে, প্রাদেশিক রাজস্ব পরিষদগুলো ছিল স্বীকৃত বিচারালয়। তাঁদের যুক্তি ছিল যে, প্রাদেশিক পরিষদগুলোর একটি প্রতিষ্ঠিত প্রথা ছিল — যেসব মামলায় পক্ষদ্বয় মুসলমান এবং যেখানে মুসলিম উত্তরাধিকার আইন প্রযোজ্য, সেসব মামলা কাজী ও মুফতিদের কাছে প্রেরণ করা। কাজী ও মুফতিরা তখন উভয় পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ করতেন এবং পরিষদের কাছে একটি প্রতিবেদন পেশ করতেন। আলোচ্য মামলায় পক্ষদ্বয় ছিলেন মুসলমান এবং কাজী ও মুফতিরা যেসব কাজ করেছিলেন, তার সবই তাঁরা পরিষদের নিয়মিত আইন কর্মকর্তা হিসেবে তাঁদের দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবেই করেছিলেন। বাহাদুর বেগের আত্মপক্ষ সমর্থনের বিষয়টি স্বভাবতই ওই আইন কর্মকর্তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল ছিল; কারণ তিনি যা গ্রহণ করেছিলেন, তা তো ওই কর্মকর্তাদেরই প্রদত্ত বিষয় ছিল।

সুপ্রিম কোর্ট আত্মপক্ষ সমর্থনের এই যুক্তিটি প্রত্যাখ্যান করে। বিচারকরা এই রায় দেন যে, কাজী ও মুফতিদের গৃহীত কার্যপদ্ধতি ছিল সম্পূর্ণ বেআইনি। তাঁরা আরও অভিমত প্রকাশ করেন, প্রাদেশিক পরিষদের হাতে যে ক্ষমতা ছিল, তা ছিল মূলত ‘প্রেসিডেন্ট ও পরিষদ’-এর কাছ থেকে অর্পিত বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রাপ্ত ক্ষমতা। আর “ইংল্যান্ডের আইনের একটি স্বীকৃত মূলনীতি হলো — ‘delegatus non potest delegare’ (অর্থাৎ, প্রতিনিধি হিসেবে ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি সেই ক্ষমতা পুনরায় অন্য কাউকে অর্পণ করতে পারেন না)। সুতরাং, প্রাদেশিক পরিষদের এমন কোনো অধিকার ছিল না যে, তারা মামলার শুনানির দায়িত্ব নিজেদের আইন কর্মকর্তাদের ওপর ন্যস্ত করবে এবং কেবল একটি প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত রায় প্রদান করবে।

উপরের বিবরণ ‘পাটনা মামলা’র (Patna Cause) একটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ মাত্র; স্বভাবতই এই মামলার বেশ কিছু কৌতূহলোদ্দীপক দিক এখানে বাদ পড়ে গেছে। আমরা যদি ইম্পের (Impey) এই মত মেনে নিই যে — বিধবা নারীটি যে নথিপত্রের ওপর ভিত্তি করে নিজের দাবি উত্থাপন করেছিলেন, সেগুলো জাল ছিল না; এবং কাজী ও তাঁর অধীনস্থ কর্মকর্তারা ‘সৎ উদ্দেশ্যে’ (good faith) কাজ করছিলেন না — তবে মিলের (Mill) বর্ণনায় তাঁদের দুর্দশার কথা পড়ে আমাদের মনে গভীর সহানুভূতির সঞ্চার হবে (আশ্চর্যজনকভাবে, স্যার জে. এফ. স্টিফেন দলিলগুলো জাল ছিল কি ছিল না, সেই প্রশ্নের গুরুত্ব কমিয়ে দিয়ে বলতে থাকেন, “বিষয়টির আকর্ষণ এতটাই চলে গেছে যে আমি কেবল ওপর ওপর চোখ বুলিয়েছি এবং এটি নিয়ে গভীরভাবে ভাবিনি।”)। অবশ্য, কোম্পানির আইন-সংক্রান্ত মামলার কমিশনার বোগল (Bogle) (তিব্বতে দৌত্যের জন্য বিখ্যাত) ভিন্ন মত পোষণ করতেন; তাঁর মতে, ওই দলিলগুলো ছিল জাল এবং কাজী ও মুফতিদের প্রতিবেদনটি কেবল সৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতই ছিল না, বরং তা মূলত সত্যও ছিল। কাজী ও মুফতিদের কার্যপ্রণালীতে যে অনিয়ম ছিল, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। হেস্টিংস (Hastings) লিখেছিলেন, “আইন কর্মকর্তাদের কার্যপ্রণালীতে যে অনিয়ম ঘটেছে, তা উল্লেখ না করে আমি পারছি না; অথচ তাঁদের একমাত্র কাজ ছিল কেবল আইনের ব্যাখ্যা দেওয়া। দেওয়ানি আদালতের কাজ ছিল ঘটনার সত্যতা বিচার করা; অথচ সাক্ষীদের জেরা করার দায়িত্ব তাঁরা নিজেরাই নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন — যা তাঁদের কর্তব্যের সম্পূর্ণ পরিপন্থী ছিল। সাক্ষীদের জেরা করা উচিত ছিল আদালতের (আদালত) সামনেই।” তাছাড়া, স্যার জে. এফ. স্টিফেনের (Sir J. F. Stephen) ভাষায়, ওই প্রতিবেদনে “ঘটনার সত্যতা যাচাই বা তদন্তের জন্য যেসব প্রাথমিক ও মৌলিক বিষয় জানা থাকা আবশ্যক, তার একান্ত অভাব পরিলক্ষিত হয়।” অন্যদিকে, এমনটা মনে করারও কোনো জোরালো ভিত্তি নেই যে — বিধবা নারীটি কাজী ও মুফতিদের ভয়ভীতি দেখানোর জন্যই বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিলেন, কিংবা তাঁর আশ্রয়স্থলের সামনে পেয়াদা মোতায়েন করার কারণেই তিনি পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, পেয়াদা মোতায়েনের এই কাজের জন্য আইন কর্মকর্তারা নন, বরং ‘কাউন্সিল’ই (Council) দায়ী ছিল। তাছাড়া, মনে হয় না যে এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল বিধবাটিকে বন্দী করে রাখা; বরং এর মূল উদ্দেশ্য ছিল — বাড়ি থেকে তিনি যেসব সম্পত্তি সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন, সেগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; এবং প্রয়োজনে তাঁকে এমন কোনো আত্মঘাতী বা সহিংস কাজ করা থেকে বিরত রাখা — যা আইন কর্মকর্তাদের বিপাকে ফেলার উদ্দেশ্যে অজ্ঞ ও উত্তেজিত প্রাচ্যবাসীরা সচরাচর করে থাকে।

চলবে

ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট ফ্রম দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দি অ্যাফেয়ার্স অফ দি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সংক্ষেপে দ্য ফিফথ রিপোর্ট।

বিশ্বেন্দু নন্দ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন