| | |
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সাহিত্যে নোবেলজয়ী অ্যান কারসন-এর শব্দের ব্যুৎপত্তির ধারণা : অসিত দাস মিয়ানমার সংকটের রাজনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন কানাডার কবি অ্যান কারসন : অসিত দাস পেজফোরনিউজ-এর শারদোৎসব বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ প্রকাশিত হল ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ একটি অব্যক্তিগত বয়ান : তপোধীর ভট্টাচার্য মহালয়ার প্রার্থনা : সুব্রত দত্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিশ্বজিৎ মণ্ডল-এর ছোটগল্প ‘এক টুকরো ভোর’ আশ্বিনের শারদপ্রাতে : যশোবন্ত রায় আমার ছেলেবেলার মহালয়ার সকাল : পীযূষ কান্তি দাস পর্দার দাপুটে নায়ক, বাস্তব জীবনে মানবতাবাদী — নানা পাটেকরের জীবন ও অবিনশ্বর কীর্তি : রিঙ্কি সামন্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সসীমকুমার বাড়ৈ-এর ছোটগল্প ‘প্রকৃতি বিভাজন খেলা’ মিরকাশিমের বীরকুল, হেস্টিংসের ব্রাইটন, জন ফ্র্যাঙ্ক স্নেইথ-এর দীঘা : সুব্রত গুহ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (শেষ কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাঁচ দফা কৌশল বাস্তবায়নের রোডম্যাপ : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন কলকাতার নব্য কাজিয়ার দুর্গা : অসিত দাস SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (সপ্তম কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার আমাদের নিখোঁজ শিশুরা: সংখ্যার বাইরে যে প্রশ্নগুলো জরুরি : নিকোলাস বিশ্বাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৮০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে নয়া পুঁজিবাদ : সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (ষষ্ঠ কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৭৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ SIR-এর ফাঁসে জ্ঞানেশ কুমার, কমিশনের অন্দরে অশান্তি (পঞ্চম কিস্তি) : দিলীপ মজুমদার
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই পিতৃ পক্ষের শেষ, মাতৃপক্ষের সূচনা শুভ মহালয়ার আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com, আমাদের পোর্টালের কিছু ছবি বাদে প্রায় সব ছবিই অন্তর্জাল থেকে সংগ্রহ করা হয়। কারুর যদি কপিরাইট থাকে জানাবেন। আমরা সেই ছবি পোর্টাল থেকে ডিলিট করে দেব।

বিদায়, ‘একটু উষ্ণতার জন্য’-এর প্রিয় লেখক : পিয়াস মজিদ

Reporter
পিয়াস মজিদ / ৪০৮ Views জন পড়েছেন
আপডেট সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১

শেষরাতে ঘুম ভাঙতেই ফেসবুক দেখছি, না এবার আর গুজব না। সত্যিই চলে গেলেন বুদ্ধদেব গুহ। অনেকের প্রিয় লালাদা। কিন্তু আমার কাছে তিনি ‘একটু উষ্ণতার জন্য’ উপন্যাসের প্রিয় লেখক।

এখানে বইয়ের যে কপিটি দেখা যাচ্ছে তা প্রীতি স্টোর্স, কুমিল্লা থেকে গত শতকের নব্বইয়ের দশকে কেনা। আমাদের পারিবারিক সংগ্রহ থেকেই প্রথমে স্কুলছাত্র, তারপর কলেজছাত্র, তারপর বিশ্ববিদ্যালয়-ছাত্র থেকে এই এখন বছর সাড়ে ছত্রিশে দাঁড়িয়ে উপন্যাসটির মুগ্ধ পাঠক আমি। ফেসবুকে একাধিকবার লিখেছিও এটা নিয়ে। আমার অনেক কথাসাহিত্যিক বন্ধুর বিস্ময়, কী করে আমার এত প্রিয় হতে পারে এই বই!

আমি বলি অপার অরণ্যের জন্য ছুটির জন্য আর শীতঋতুর জন্য এটা আমার এত প্রিয়। বেঁচে থাকতে মানুষি হিংস্রতায় যখন ক্ষতবিক্ষত হই তখন আমি বিভূতিভূষণ আর বুদ্ধদেবে আশ্রয় নিই। বিশেষত ‘একটু উষ্ণতার জন্য’ পড়ে পড়ে ম্যাকলাস্কিগঞ্জের প্রেমিক আমি। যেখানে ‘সামনে একটা বড় ঝাঁকড়া মহুয়াগাছ।।মাঝে মাঝে পিটিস এবং ঝাঁটি জঙ্গল। পশ্চিমের পাহাড়ের কাঁধ বরাবর সন্ধ্যাতারাটা উঠেছে। সমস্ত আকাশ সেই একটি তারার আলোয় উজ্জ্বল’।

জঙ্গুলে আবহে বসত গাড়া ছন্নছাড়া ছোট্ট রাজকুমার লাবু, ছোট হলেও স্বপ্নে সে উপন্যাসের কথক সফল মানুষ সুকুমারের চেয়ে অনেক বড়। কারণ লাবু তার ভালবাসার নারী যাযাবর নুড়ানীর জন্য সমাজ-সংসার ছেড়ে পাড়ি দিতে পারে চাঁদের পাহাড়, সাদা ঘোড়া আর অচেনা পাখির শিসে ভরা জঙ্গল কিন্তু সুকুমার তার ভালবাসার ‘ছুটি’-র জন্য ত্যাগ করতে পারেনা সংসার কিংবা সমাজের শেকল। ছুটি তার জীবনকে কানায় কানায় ভরে দিলেও সুকুমার তার দ্বিধার মুদ্রায় ছুটিকে হারাল। ছুটি সেই মেয়ে যে শরীরদেবতার শুচি-অশুচির চেয়ে মনোদেবতার শুদ্ধতাকে বেশি গুরুত্বে রাখে। ছুটির ঘরে তুষার রায়ের কবিতার বই দেখে চমকে উঠেছিল সুকুমার। আমারও সেই প্রথম ‘ব্যান্ডমাস্টার’-এর কবির নাম পড়া। ছুটি সুকুমারের সংসারী ও সন্ন্যাসীময় দ্বিচারিতাকে ব্যঙ্গ করে তুষার রায়ের কবিতায় আত্মার উলঙ্গ প্রকাশের কথা বলেছিল; যে প্রকাশ স্থগিত রাখতে রাখতেই সামাজিক গিলোটিনের বলি হয়ে যাই আমরা সবাই।

কী করে ভুলি প্যাটকে! সেই ‘রাতের বনের অন্ধকারে স্বয়ংসম্পূর্ণতার স্বপ্নবিলাসী একজন অভিশপ্ত একাকী ভঙ্গুর পুরুষমানুষ’, যিনি দীর্ঘ নারীহীন-সংসারচ্যুত জীবনের লোনলিলেস সেলিব্রেট করতে জানেন এভাবে রাতচেরা গান গাইতে গাইতে:

Show me the way to go home,

I am tired,

And i want to go to bed;

Show me the way to go home.

যেন সেই কবিতার কথা ‘ঘর নেই, আছে শুধু ঘরের দিকে যাওয়া’।

যেমন জীবন-ঘর থেকেও মৃত্যুঘরের দিকে যেতে চেয়েছেন জঙ্গলে একাকী বসতকারী বৃদ্ধ বয়েলস। কয়েকদিন আগে মরে থাকা মানুষটার চোখমুখ খুবলে নিচ্ছিল শকুন, পরে প্যাট-সুকুমার গিয়ে দেখেন বৃদ্ধের হাতে ধরা বাইবেলের গায়েও মাংসরক্তের টুকরো আর ছিটা। জীবনের এসব ভয়াবহ আরতি দেখেও শীতার্ত মানুষ বেঁচে থাকার বসন্তবাগান খোঁজ করে।

আর প্রতি শীতঋতুতে যেকোনো পৃষ্ঠা থেকে ‘একটু উষ্ণতার জন্য’ পড়তে শুরু করে মাঝেমধ্যে আমি এই উৎসর্গবাক্য বা বিভাব-কবিতাটা পড়ে কুয়াশার আভায় মরি এবং বাঁচি:

“ভবিষ্যতের কোনো এক পড়ন্ত পৌষের শান্ত সুন্দর বিকেলে, মৃত ব্যাঙের মত শীতল আমার স্তব্ধ হৃদয়কে যারা তাদের নির্দয় ঠোঁটে উপড়ে নিয়ে আছড়ে ফেলবে তোমার অন্তরের অন্তঃপুরের বদ্ধ জানালায়, যারা তোমার উদ্দাম ইচ্ছার দূতী, তোমার হীন স্বার্থপরতার বাহক- সেই সব যূথবদ্ধ আশ্চর্য নিষ্ঠুর পিঙ্গল ঈগলদের উদ্দেশ্যে:

আমার স্পন্দিত হৃদয়ের অনুযোগহীন সমস্ত উষ্ণতার সঙ্গে; অতীতের ক্বচিৎ উষ্ণতার স্মারক আজকের এই পাণ্ডুর পাণ্ডুলিপি’।

আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

পেজফোরনিউজ-এর নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন

Currently Maintained by the2.dev