শুক্রবার | ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ভোর ৫:০০
Logo
এই মুহূর্তে ::
সনজীদা যার সন্তান : শুভপ্রসাদ নন্দী মজুমদার ওড়িশার হীরক ত্রিভুজ : ললিতগিরি, উদয়গিরি ও রত্নগিরি (প্রথম পর্ব) : জমিল সৈয়দ অবসর ঠেকাতেই মোদী হেডগেওয়ার ভবনে নতজানু : তপন মল্লিক চৌধুরী লিটল ম্যাগাজিনের আসরে শশাঙ্কশেখর অধিকারী : দিলীপ মজুমদার রাঁধুনীর বিস্ময় উন্মোচন — উপকারীতার জগৎ-সহ বাঙালির সম্পূর্ণ মশলা : রিঙ্কি সামন্ত রামনবমীর দোল : অসিত দাস মহারাষ্ট্রে নববর্ষের সূচনা ‘গুড়ি পড়বা’ : রিঙ্কি সামন্ত আরামবাগে ঘরের মেয়ে দুর্গাকে আরাধনার মধ্য দিয়ে দিঘীর মেলায় সম্প্রীতির মেলবন্ধন : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় ‘বিজ্ঞান অন্বেষক’ পত্রিকার ২২তম বর্ষ উদযাপন : ড. দীপাঞ্জন দে হিন্দিতে টালা মানে ‘অর্ধেক’, কলকাতার টালা ছিল আধাশহর : অসিত দাস আত্মশুদ্ধির একটি বিশেষ দিন চৈত্র অমাবস্যা : রিঙ্কি সামন্ত চাপড়া বাঙ্গালঝি মহাবিদ্যালয় : ড. দীপাঞ্জন দে রায়গঞ্জে অনুষ্ঠিত হল জৈব কৃষি বিপণন হাট অশোকবৃক্ষ, কালিদাসের কুমারসম্ভব থেকে অমর মিত্রর ধ্রুবপুত্র : অসিত দাস কৌতুকে হাসতে না পারলে কামড় তো লাগবেই : তপন মল্লিক চৌধুরী জাতিসংঘ মহাসচিবের সফর ও রোহিঙ্গা সংকটে অগ্রগতি : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন এথেন্সের অ্যাগনোডাইস — ইতিহাসের প্রথম মহিলা চিকিৎসক : রিঙ্কি সামন্ত সন্‌জীদা খাতুন — আমার শিক্ষক : ড. মিল্টন বিশ্বাস হিমঘরগুলিতে রেকর্ড পরিমাণ আলু মজুত, সস্তা হতে পারে বাজার দর : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় শিশুশিক্ষা : তারাপদ রায় জঙ্গলমহল জৈন ধর্মের এক লুপ্তভুমি : সসীমকুমার বাড়ৈ ওড়িশা-আসাম-ত্রিপুরার অশোকাষ্টমীর সঙ্গে দোলের সম্পর্ক : অসিত দাস পাপমোচনী একাদশী ব্রতমাহাত্ম্য : রিঙ্কি সামন্ত ভগত সিংহের জেল নোটবুকের গল্প : কল্পনা পান্ডে নন্দিনী অধিকারী-র ছোটগল্প ‘অমৃতসরী জায়কা’ মহিলা সংশোধনাগারগুলিতে অন্তঃসত্ত্বা একের পর এক কয়েদি, এক বছরে ১৯৬ শিশুর জন্ম : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় ‘শোলে’র পঞ্চাশ বছর : সন্দীপন বিশ্বাস বিভাজনের রাজনীতি চালিয়ে হিন্দুত্ববাদীরা ইতিহাস পালটাতে চায় : তপন মল্লিক চৌধুরী অশোক সম্পর্কে দু-চারটে কথা যা আমি জানি : অসিত দাস চৈত্রের শুরুতেই শৈবতীর্থ তারকেশ্বরে শুরু হলো সন্ন্যাস মেলা : মোহন গঙ্গোপাধ্যায়
Notice :

পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোলপূর্ণিমা ও হোলি ও বসন্ত উৎসবের  আন্তরিক শুভেচ্ছা শুভনন্দন।  ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন,  ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

বাংলা নিয়ে বলার আগে দিলীপ-বাবুলরা দেশে পরিযায়ী শ্রমিকদের হাল দেখুন

রিপোর্টার / ১৪৩ জন পড়েছেন
আপডেট মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২০

গুজরাটের সুরাট তো বটেই। মধ্যপ্রদেশ থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্নাটক থেকে তেলেঙ্গানা, পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশার অন্ত নেই। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এই পরিযায়ী শ্রমিকদের থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত করতে ব্যর্থ মোদী সরকার। মোদীবাবুর কথায় পাত্তা না দিয়ে শ্রমিকদের মজুরি বা বেতন দিচ্ছেন না মালিকরা। হয়তো তাঁদের বেশিরভাগ শ্রমিকদের টাকা মেরে সেই টাকা ঢালছে মোদীবাবুর পিএম কেয়ারসে! আর ডিসট্রেস বাড়ছে শ্রমিক, কর্মচারীদের। টাকা ফুরিয়েছে, তাঁরা বাড়ি ফিরতে মরিয়া। আর মোদীবাবুর সরকার এবং বিজেপি ও বিজেপি বন্ধু সরকারের রাজ্যগুলির ব্যর্থতার কারণে স্রেফ বাড়ি ফিরতে চেয়ে পুলিশের মার খাচ্ছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। মোদীবাবু, আপনি এঁদের আচ্ছে দিনের স্বপ্ন দেখিয়ে, এঁদের ভোট পেয়ে জিতেছেন। আর তাঁদের দুর্দশায় ফেলে নিজের আরাম বাড়িয়ে চলেছেন?

মধ্যপ্রদেশে শ্রমিকদের বিক্ষোভ থামাতে গিয়ে ইটের আঘাতে কিছু পুলিশকর্মী আহত হন। পরিযায়ী শ্রমিকদের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়।

পরিযায়ী শ্রমিকদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে কর্নাটক। সোমবার ৪ মে বাড়ি ফেরানোর দাবিতে বেঙ্গালুরুতে জাতীয় সড়ক অবরোধ শুরু করেন কয়েকশো পরিযায়ী শ্রমিক। অবরোধ তুলতে বেগ পেতে হয় পুলিশকে। শেষমেশ ওই শ্রমিকদের বেঙ্গালুরু ইন্টারন্যাশনাল এগজিবিশন সেন্টারে নিয়ে গিয়ে বোঝানোর চেষ্টা হয়। বিজেপি শাসিত রাজ্যে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং চুলোয় যাওয়া এই সব ঘটনা নিয়ে বাংলার বিজেপি নেতারা নীরব কেন?

এখানেই শেষ নয়। এদিন তেলেঙ্গানায় হায়দরাবাদে রাস্তা ধরে হাজার খানেক শ্রমিক হেঁটে সেকেন্দ্রাবাদ স্টেশনের দিকে যাচ্ছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টকে মিথ্যা বলে আগেই জানিয়েছে, শ্রমিকরা নাকি আর রাস্তায় নেই! যাই হোক, রাতে ওই পরিযায়ী শ্রমিকদের বাহাদুরপাড়ায় আটকায় পুলিশ। স্টেশনের পরিবর্তে বাসে করে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় একটি ফাংশন হলে।

পরিযায়ী শ্রমিকদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে অন্ধ্রপ্রদেশের পশ্চিম গোদাবরী জেলার কোভুরু। সেখানেও বাড়ি ফিরতে মরিয়া পরিযায়ী শ্রমিকরা যথোপযুক্ত ব্যবস্থার দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। পুলিশ বিক্ষোভ হঠাতে গেলে শ্রমিকরা ইট ছুঁড়তে থাকেন বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ জোর লাঠিচার্জ শুরু করে।

মোদীবাবুর হঠকারী সিদ্ধান্ত আর পরিকল্পনায় ব্যর্থতার জন্য দুর্দশা বেড়েই চলেছে দেশে। আর সত্য ঘটনা নিয়ে নীরব থেকে হোয়াটসঅ্যাপ ইউনিভার্সিটি আর ফেক নিউজের ফ্যাক্টরি চালাতেই ব্যস্ত বিজেপি-বাবুরা! কী, দিলীপ-বাবুল চুপ কেন? মানবদরদীর বুকের পাটা এতো যে ৫৬ ইঞ্চিকে বলার সাহস নেই! হাফ প্যান্টের এতো মায়া?


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ১৪৩১ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন