‘দেশ-বিদেশে’ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই যিনি পাঠকের হৃদয় জয় করেছিলেন, তিনি আমার বাবা সৈয়দ মুজতবা আলী। ১৯৭৪ সালে বাবা মারা যান। তারপর দেখতে দেখতে কতগুলো মাস, বছর চলে গেছে, ভাবাই যায় না। এভাবেই বছর আসবে, যাবে, বাবা আর আসবেন না। তবে বাবাকে আমি প্রতিনিয়ত দেখতে পাই, প্রায়ই পেছন থেকে ‘ফিরোজ’ (আমার ডাকনাম) ডাক শুনে দ্বিধাগ্রস্ত হই।
বিস্তারিত...