বৃহস্পতিবার | ১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | সকাল ৭:৫০
Logo
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ অয়ন মুখোপাধ্যায়-এর ছোটগল্প ‘নিউরাল কারেন্সি’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ কালীঘাট পটচিত্রের ইতিকথা : মনোজিৎকুমার দাস খোলাখাম : অশোক মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ জামা, জামি, জামাইষষ্ঠী : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় পলিসি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন আবশ্যক : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ পলাশীর যুদ্ধ ও একটি সিদ্ধান্ত (শেষ পর্ব) : সুব্রত দত্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ পলাশীর যুদ্ধ ও একটি সিদ্ধান্ত (প্রথম পর্ব) : সুব্রত দত্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১৩০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিজুরিকা চক্রবর্তী-র ছোটগল্প ‘একাকিনী’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ মৈত্রেয়ী ব্যানার্জী-র ছোটগল্প ‘আবহমান’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সুস্বাদু ও রসালো আলুবোখারা–প্রকৃতির এক অনন্য উপহার : রিঙ্কি সামন্ত প্রবাস বাংলা কালচারাল সোসাইটির অনবদ্য সুরঞ্জলি রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী : ফারজানা নাজ শম্পা ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ স্মৃতিবেলা : শিশুবেলা : ড. শিবশঙ্কর পাল ইবোলা ভাইরাস দ্রুত ছড়ালেও আতঙ্ক ছড়াবেন না, সতর্ক থাকাই একমাত্র পথ : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ পরিবেশ দিবসে রবীন্দ্রনাথ : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (১২৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ সিন্ধুসভ্যতা বিশেষজ্ঞ র‍্যান্ডাল ল’-র সুতকাগেনদোর-সফরের নির্যাস : অসিত দাস
Notice :

পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন,  ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

বাংলার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র এবং প্রযোজনায় ম্যাডান থিয়েটারের ইতিহাস : রিঙ্কি সামন্ত

রিঙ্কি সামন্ত / ২৪৮৩ জন পড়েছেন
আপডেট বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৪

আজ থেকে ৯৩ বছর আগে আজকের দিনেই মুক্তি পেয়েছিলো বাংলার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘জামাইষষ্ঠী’। ১৯৩১ সালে ১১ই এপ্রিল ক্রাউন সিনেমা হলে প্রথম কলকাতায় নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্যের সবাক বাংলা ছবি দেখানো হয়। অমর চৌধুরী পরিচালিত ম্যাডান থিয়েটার কোম্পানির প্রযোজনায় সৃষ্টি হয় বাংলা চলচ্চিত্র জগতের এক যুগান্তকারী স্বল্পদৈর্ঘ্যের সিনেমা। পারিবারিক দম ফাটা নিখাদ হাসির ছবিটি জুড়ে রয়েছিলো খাঁটি বাঙালিয়ানার প্রতিচ্ছবি।

চলচ্চিত্রটি সুদখোর ও হাড়কিপ্টে শ্বশুর মশাই ‘কুবের’ এর মজার কাণ্ডকারখানা নিয়ে। কুবের এতটাই কিপটে ছিল যে ‘নুন আনতে পান্তা ফুরায়’ হাল ছিল সংসারের।সহধর্মিণী ইন্দ্রাণীকে সর্বদাই মুখ ঝামটা দিতেন যাতে না তিনি কিছু চাইতে পারেন স্বামীর কাছ থেকে। কুবেরের বিবাহিত কন্যার নাম ছিল সরোজ।জামাই শ্রীধর ছিল অতি নিরীহ, শান্ত ও ভদ্র। এক জামাইষষ্ঠীর দিন তাদের সংসারে ঘটে গেল এক মজার কান্ড। কিপটে শ্বশুর জামাইষষ্ঠীর মতো একটা অনুষ্ঠানে উটকো খরচা করবেন না বলে, নিজের অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে জামাইষষ্ঠীর দিন একরকম জোর করেই জামাইকে ঘর থেকে বের করে দিলেন। এরপর… জানতে দেখতে হবে পুরো সিনেমাটি।

জামাইষষ্ঠী ছবির নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক ছিলেন অমর চৌধুরী। এই সিনেমায় তিনি নিজেও অভিনয় করেছিলেন এছাড়া মিস গোয়েলা, ক্ষীররোদাগোপাল মুখার্জি, রানিসুন্দরী প্রমুখ ছিলেন। সংগীত পরিচালনা করেন ক্ষীরোদগোপাল মুখার্জি।

জামাইষষ্ঠী ছবিটির নির্মাতা ছিলো ম্যাডান থিয়েটার। কোম্পানিটি কলকাতার হলেও সারা ভারত জুড়ে তারা দীর্ঘদিন ফ্লিমের ব্যবসা করে গিয়েছেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এদের বিশাল অবদানের কথা স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। ম্যাডন থিয়েটারের প্রাণপুরুষ ছিলেন জামশেদজি ফ্রামজি ম্যাডান। অনেক সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে তিনি জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।অসাধারণ ব্যাবসায়িক এবং সাংগঠনিক বুদ্ধিবলে কিছুদিনের মধ্যেই তিনি বায়োস্কোপ জগতে প্রবাদপুরুষে পরিণত হন।

বম্বে রিক্ল্যামেশন ব্যাঙ্কের পতনের কারণে ম্যাডানের পিতার অনেক টাকার ক্ষতি হয়। এই ব্যাঙ্কের দায়িত্ব ছিল বম্বের সাতটি দ্বীপের জমি উদ্ধার করা। এহেন পরিস্থতিতে জামশেদজি স্কুল ছাড়তে বাধ্য হন; তারপর তিনি ১৮৬৮ সালে ‘এলফিনস্টোন ড্রামাটিক ক্লাব’-এর থিয়েটারে ‘prop boy’-এর কাজ নেন। ১৮৭৫ সালের মধ্যে এই অপেশাদার ক্লাব একটি পেশাদার থিয়েটার কোম্পানীতে পরিণত হয় এবং সারা ভারত জুড়ে এদের থিয়েটার মঞ্চস্থ হতে শুরু করে।

১৮৮২ সালে থিয়েটার কোম্পানীর কাজ ছেড়ে দিয়ে, ম্যাডান করাচী শহরে ছোটোখাটো ব্যবসা শুরু করেন আর তাতে সাফল্যও অর্জন করেন। ১৮৮৩ সালে তিনি কলকাতায় চলে আসেন। সেখানে সেনাবাহিনীর ক্যান্টনমেন্টে নানান দ্রব্য জোগান দেওয়ার ব্যবসা শুরু করেন। এই ব্যবসায় সাফল্য পেয়ে তিনি কলকাতায় করিন্থিয়ান হল নামক এক থিয়েটার মঞ্চ কিনে ফেলেন। এখান থেকেই তার কর্মজীবনের শুরু। এরপর তিনি ‘এলফিনস্টোন থিয়েটার কোম্পানী নামে একটি স্থায়ী চিত্ৰগৃহ প্রতিষ্ঠা করেন। এটি তিনি কেনেন কুভার্জি নাজিরএর থেকে, যাঁকে ভারতীয় থিয়েটার জগতের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বলে মনে করা হয়।

করিন্থিয়ান হলের নতুন নামকরণ হয় করিন্থিয়ান থিয়েটার আর সেখানে তখনকার জনপ্রিয় পার্সি থিয়েটার মঞ্চস্থ হতে থাকে। এই থিয়েটার অনেক জাঁকজমকপূর্ণ হত আর এতে অভিনয় করতে আসতেন মহিলা অভিনেত্রীরাও, যা তখনকার সময়ে ছিলো বিরল।

১৯০২ সালে, কলকাতার ময়দানে তাঁবু খাটিয়ে তিনি বায়স্কোপ শো দেখানো শুরু করেন। একইসঙ্গে করিন্থিয়ান থিয়েটারেও একইরকম শো শুরু করেন। বিলেতের প্যাথে কোম্পানির রেখে যাওয়া যন্ত্রপাতি কিনে আনা হয়েছিল এসব শোয়ের জন্য। এইসব বায়োস্কোপ শোয়ে ‘প্যাথে প্রোডাকশনস’ কোম্পানীর নির্মিত ছবিই দেখানো হত। এইসব বায়োস্কোপ শোয়ের আয়োজন করা হয়েছিল এলফিনস্টোন বায়োস্কোপ কোম্পানীর নামে। এই কোম্পানীর তত্ত্বাবধানে অনেক স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবিও তৈরি হয়।

একই বছরে আলফ্রেড থিয়েটার কিনে সেখানেও ম্যাডান বায়োস্কোপ শো শুরু করেন।

১৯০৭ সালে তিনি কলকাতার প্রথম স্থায়ী শো হাউস প্রতিষ্ঠা করেন ‘এলফিনস্টোন পিক্‌চার প্যালেস’, যা আজকাল ‘চ্যাপলিন সিনেমা’ নামে পরিচিত। এরপর তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ম্যাডন থিয়েটার এবং ‘প্যালেস অফ্‌ ভ্যারাইটিস’ (যা আজকাল ‘এলিট সিনেমা’ নামে পরিচিত)।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তার ব্যবসায় প্রভূত উন্নতি হয়। ১৯১৯ সালে, চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসায়ে তিনি ‘ম্যাডান থিয়েটার্স লিমিটেড’ নামে একটি যৌথ উদ্যোগ কোম্পানী স্থাপন করেন। এই কোম্পানী আর এর সহযোগী কোম্পানীগুলির তখনকার ভারতীয় থিয়েটার হাউসগুলির ওপর অনেক প্রতিপত্তি ছিল। ১৯১৯ সালে ম্যাডানের প্রযোজনায় তৈরি হয় বিল্বমঙ্গল প্রথম বাংলা চলচ্চিত্র। এ ছবির প্রথম প্রদর্শন হয় ‘কর্ণওয়ালিস থিয়েটার’-এ, যা আজকাল ‘শ্রী সিনেমা’ নামে পরিচিত।

‘দি ইলেক্ট্রিক ধিয়েটার’ (এখনকার ‘রিগ্যাল সিনেমা’), ‘গ্র্যান্ড অপেরা হাউস’ (এখনকার ‘গ্লোব সিনেমা’) আর ‘ক্রাউন সিনেমা’ (এখনকার ‘উত্তরা সিনেমা’)—এসবই ছিল ম্যাডান থিয়েটার্সের অধীনে।

ম্যাডানের তৈরি চলচ্চিত্রে উচ্চমানের কারিগরী দক্ষতার পরিচয় থাকত। বিদেশ থেকে ম্যাডান ইউজেনিও দে লিগুরো, ক্যামিল লে গ্রাঁদ আর জর্জিও ম্যানিনির মত অভিজ্ঞ পরিচালকদের আমন্ত্রণ করে এনে তাঁর ছবির পরিচালনার কাজে নিযুক্ত করেন। এঁদের অভিজ্ঞতার সাথে বিশাল বিশাল ‘সেট’-এর ব্যবহার আর জনপ্রিয় পৌরাণিক কাহিনীর গল্প—এসব উপাদান ম্যাডানকে ব্যবসায়িক সাফল্য এনে দেয়। এর ওপর তার অনেক চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছিল সেই সময়কার জনপ্রিয় থিয়েটারের অনুসরণে। লিগুরো পরিচালনা করেছিলেন নল দময়ন্তী (১৯২০) আর ধ্রুব চরিত্র (১৯২১); লে গ্রাঁদ পরিচালনা করেছিলেন রত্নাবলী (১৯২২) আর ম্যানিনি পরিচালনা করেছিলেন সাবিত্রী সত্যবান (১৯২৩). সেই সময়ের জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেত্রী পেশেন্স কুপার ম্যাডান থিয়েটার্স প্রযোজিত বহু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

ম্যাডান বাংলা সাহিত্যের দিকপাল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নানান রচনাসৃষ্টির চলচ্চিত্র সত্ত্ব সংগ্রহ করার প্রচেষ্টা চালান। ম্যাডান থিয়েটারের প্রযোজনায় বঙ্কিমচন্দ্রের রচনার ওপর ভিত্তি করে বিষবৃক্ষ (১৯২২ আর ১৯২৮), দুর্গেশনন্দিনী (১৯২৭) আর রাধারাণী (১৯৩০) ছবিগুলি তৈরি হয়। রবীন্দ্রনাথের রচনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয় গিরিবালা (১৯২৯)।

এরপর একে একে আরো কয়েকটি ফিল্ম নির্মাতা সংস্থা এসে গেল ম্যাডানের নির্মাণ দৌড়ে। কিন্তু তাতে কোন খামতি আসেনি। নির্বাক যুগে বাংলায় যে ১২২টি ছবি তৈরি হয়েছিল তার মধ্যে ৬২টি টি ছিল ম্যাডানের তৈরি। ইতিমধ্যে ম্যাডান থিয়েটারের প্রাণপুরুষ জে এফ ম্যাডান ১৯২৩ সালে মারা যান। তাই বলে কিন্তু তার কর্মধারা বন্ধ হয়ে যায়নি তার সুযোগ্য বংশধরেরা ম্যাডানকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।

১৯৩১ সালে ১৪ই ফেব্রুয়ারিতে মুন্নি ভাইয়ের গানের মাধ্যমে বাংলা ফিল্মে শব্দের প্রবেশ ঘটে। এরপর এই বছরেই ১১ই এপ্রিল বাংলার প্রথম সব ছবি জামাইষষ্ঠী এসে গিয়েছিল। নতুন প্রযুক্তির সামনে পড়ে নির্বাক ছবির যুগের যে অবসান ঘটবে সেটাই তো স্বাভাবিক। বাংলার শেষ নির্বাক ছবিটি ছিল ‘নিয়তি’, ছবির পরিচালক ছিলেন যোগেশ চৌধুরী (১৯৩৪)। এরপর আর বাংলায় নির্বাক ছবি তৈরি হয়নি।।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন