শনিবার | ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | রাত ১:৫৩
Logo
এই মুহূর্তে ::
ওড়িশার হীরক ত্রিভুজ : ললিতগিরি, উদয়গিরি ও রত্নগিরি (দ্বিতীয় পর্ব) : জমিল সৈয়দ হুমায়ুন-এক স্মৃতি-এক আলাপ : মৈত্রেয়ী ব্যানার্জী সনজীদা যার সন্তান : শুভপ্রসাদ নন্দী মজুমদার ওড়িশার হীরক ত্রিভুজ : ললিতগিরি, উদয়গিরি ও রত্নগিরি (প্রথম পর্ব) : জমিল সৈয়দ অবসর ঠেকাতেই মোদী হেডগেওয়ার ভবনে নতজানু : তপন মল্লিক চৌধুরী লিটল ম্যাগাজিনের আসরে শশাঙ্কশেখর অধিকারী : দিলীপ মজুমদার রাঁধুনীর বিস্ময় উন্মোচন — উপকারীতার জগৎ-সহ বাঙালির সম্পূর্ণ মশলা : রিঙ্কি সামন্ত রামনবমীর দোল : অসিত দাস মহারাষ্ট্রে নববর্ষের সূচনা ‘গুড়ি পড়বা’ : রিঙ্কি সামন্ত আরামবাগে ঘরের মেয়ে দুর্গাকে আরাধনার মধ্য দিয়ে দিঘীর মেলায় সম্প্রীতির মেলবন্ধন : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় ‘বিজ্ঞান অন্বেষক’ পত্রিকার ২২তম বর্ষ উদযাপন : ড. দীপাঞ্জন দে হিন্দিতে টালা মানে ‘অর্ধেক’, কলকাতার টালা ছিল আধাশহর : অসিত দাস আত্মশুদ্ধির একটি বিশেষ দিন চৈত্র অমাবস্যা : রিঙ্কি সামন্ত চাপড়া বাঙ্গালঝি মহাবিদ্যালয় : ড. দীপাঞ্জন দে রায়গঞ্জে অনুষ্ঠিত হল জৈব কৃষি বিপণন হাট অশোকবৃক্ষ, কালিদাসের কুমারসম্ভব থেকে অমর মিত্রর ধ্রুবপুত্র : অসিত দাস কৌতুকে হাসতে না পারলে কামড় তো লাগবেই : তপন মল্লিক চৌধুরী জাতিসংঘ মহাসচিবের সফর ও রোহিঙ্গা সংকটে অগ্রগতি : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন এথেন্সের অ্যাগনোডাইস — ইতিহাসের প্রথম মহিলা চিকিৎসক : রিঙ্কি সামন্ত সন্‌জীদা খাতুন — আমার শিক্ষক : ড. মিল্টন বিশ্বাস হিমঘরগুলিতে রেকর্ড পরিমাণ আলু মজুত, সস্তা হতে পারে বাজার দর : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় শিশুশিক্ষা : তারাপদ রায় জঙ্গলমহল জৈন ধর্মের এক লুপ্তভুমি : সসীমকুমার বাড়ৈ ওড়িশা-আসাম-ত্রিপুরার অশোকাষ্টমীর সঙ্গে দোলের সম্পর্ক : অসিত দাস পাপমোচনী একাদশী ব্রতমাহাত্ম্য : রিঙ্কি সামন্ত ভগত সিংহের জেল নোটবুকের গল্প : কল্পনা পান্ডে নন্দিনী অধিকারী-র ছোটগল্প ‘অমৃতসরী জায়কা’ মহিলা সংশোধনাগারগুলিতে অন্তঃসত্ত্বা একের পর এক কয়েদি, এক বছরে ১৯৬ শিশুর জন্ম : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় ‘শোলে’র পঞ্চাশ বছর : সন্দীপন বিশ্বাস বিভাজনের রাজনীতি চালিয়ে হিন্দুত্ববাদীরা ইতিহাস পালটাতে চায় : তপন মল্লিক চৌধুরী
Notice :

পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোলপূর্ণিমা ও হোলি ও বসন্ত উৎসবের  আন্তরিক শুভেচ্ছা শুভনন্দন।  ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন,  ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

লঞ্চে বসে গঙ্গা আরতি দর্শন

পেজ ফোর, বিশেষ প্রতিনিধি / ১৫২ জন পড়েছেন
আপডেট শনিবার, ১৮ মার্চ, ২০২৩

এবার গঙ্গাবক্ষে লঞ্চে বসেই গঙ্গা আরতি দর্শনের সুযোগ মিলতে চলেছে কলকাতাতেই। হ্যাঁ ঠিক শুনছেন! বারানসী শুধু নয়, কলকাতাতেও এই সুযোগ পাওয়া যাবে। খরচ হবে জনপতি ১০০ টাকা। সময় এক ঘণ্টা।

পর্যটন দপ্তেরর খবর লঞ্চ থেকে আরতি দেখার জন্যে নির্ধারিত সময়ে ফেরিঘাট থেকে দর্শনার্থীদের লঞ্চে তোলা হবে। আরতি শেষে ফেরিঘাটে পৌছে দেওয়া হবে। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে অনলাইনে টিকিটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ভ্রমণে চা-স্ন্যাক্সসের সুবিধা মিলবে।

প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইচ্ছা অনুসারে কলকাতার বাজে কদমতলা ঘাটে গঙ্গা আরতি চালু হয়েছে ৩ মার্চ ২০২৩ থেকে। এর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে কলকাতা পুরসভা।

মাস দুয়েক আগে শুরু হয়েছিল প্রস্তুতি। ৩ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী এই আরতীর উদ্বোধন করেন।

আগামী দিনে অত্যাধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির আলোর ব্যবহার দেখা যাবে গঙ্গা আরতির সময় গঙ্গার ঘাটে। সম্প্রতি এই সংক্রান্ত বিষয়ে কলকাতা পুরসভায় এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। এই প্রকল্পের দায়িত্ব যাঁর কাঁধে ছিল, সেই মেয়র পারিষদ তারক সিং জানান, ‘গঙ্গা আরতি দেখতে বাজে কদমতলা ঘাটে প্রতিদিন বিকেলে কয়েকশো মানুষ উপস্থিত হচ্ছেন। প্রথম কিছুদিন গঙ্গা আরতির জন্য ২০০টি বসার চেয়ার ভাড়া নিয়েছিল কলকাতা পুরসভা। এখন ৪০০টি বসার চেয়ার এই উদ্যেশ্যে কিনেছে পুরসভা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইচ্ছাক্রমে ও মেয়র ফিরহাদ হাকিমের তত্ত্বাবধানে খুব কম সময়ের মধ্যে গঙ্গা আরতির সূচনা সম্ভব হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে গঙ্গার বুকে লেজার শো করা ইচ্ছা আছে আমাদের। এর জন্য জার্মানি থেকে অত্যাধুনিক যন্ত্র কিনে আনা হবে।’ বর্তমানে সন্ধে ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান চলছে। শীতকালে সময় পরিবর্তন করে বিকাল ৫টা থেকে ৬টা করা হবে। কলকাতার আলোক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মেয়র পারিষদ সন্দীপ রঞ্জন বক্সি জানাচ্ছেন, ‘এলইডি আলো ব্যবহার করার জন্য বিদ্যুতের খরচ অনেক সাশ্রয় হবে।’ রোজ সন্ধেবেলায় গঙ্গা আরতি চলার সময় কলকাতা পুলিশ ও পুরসভার নিরাপত্তারক্ষীরা থাকছেন।

প্রসঙ্গত, বেনারসের গঙ্গা আরতি সারা দেশে বিখ্যাত। বেনারসের ৮৪টি গঙ্গার ঘাটের মধ্যে একাধিক ঘাটে এই আরতি হয় এবং তা দেখার জন্য দেশ-বিদেশ থেকে পর্যটকরা আসেন। আগে দশাস্রমেধ ঘাটের আরতি সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় হলেও এখন আর এই ঘাটে আরতি হচ্ছে না। এখন অসি ঘাট গঙ্গা আরতির নির্বাচন করা হয়েছে। কারণ গঙ্গার জলস্তর বৃদ্ধি। বেনারসের ঘাটগুলির অনেক ওপরে গঙ্গার জল উঠে আসায় অনেক ঘাটেই গঙ্গা আরতি বন্ধ আছে। মনে প্রশ্ন জাগে কলকাতার গঙ্গা আরতি কি বেনারসের সমকক্ষ হয়ে উঠবে? উত্তর ভবিষ্যৎ দেবে। তবে এ কথা বলাই যায়, বেনারসের গঙ্গার তীরের সঙ্গে কলকাতার গঙ্গার তীর অনেক তফাৎ। কলকাতার গঙ্গা উচ্চতার দিকে শহরের অনেক কাছে। তাই জোয়ার-ভাটার প্রত্যক্ষ প্রভাব কলকাতাবাসী অনেক বেশি উপলব্ধি করে বেনারসবাসীর থেকে।

 

এখনও সন্ধে ৬টা নাগাদ হাওড়া ব্রিজে উঠতে গেলে চোখে পড়বে গঙ্গার জল নিকাশি নালা দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে শহরের মধ্যে এসে। কিন্তু বেনারসে এরকম দেখা যায় না। কলকাতার গঙ্গার ঘাটের তুলনায় বেনারসের গঙ্গার ঘাট অনেক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং এখানের ঘাটগুলিকে কেন্দ্র করে পর্যটন শিল্পের বিস্তার অনেক বেশি। আমরা কলকাতাবাসীরা কখনই গঙ্গার ঘাট নিয়ে গর্ববোধ করতে পারি না। প্রশাসনিক দৃষ্টি এবং মানুষের সচেতনতা — উভয়ের অভাবের জন্য এখনও গঙ্গার ঘাট কলকাতায় দর্শনীয় স্থায় হয়ে উঠতে পারেনি। তবে আশার কথা, কাজ শুরু হয়েছে। হয়তো ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কলকাতার গঙ্গার ঘাট নিয়েও কখনো গর্বিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ১৪৩১ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন