শুক্রবার | ২৮শে মার্চ, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৫:০৬
Logo
এই মুহূর্তে ::
অশোকবৃক্ষ, কালিদাসের কুমারসম্ভব থেকে অমর মিত্রর ধ্রুবপুত্র : অসিত দাস কৌতুকে হাসতে না পারলে কামড় তো লাগবেই : তপন মল্লিক চৌধুরী জাতিসংঘ মহাসচিবের সফর ও রোহিঙ্গা সংকটে অগ্রগতি : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন এথেন্সের অ্যাগনোডাইস — ইতিহাসের প্রথম মহিলা চিকিৎসক : রিঙ্কি সামন্ত সন্‌জীদা খাতুন — আমার শিক্ষক : ড. মিল্টন বিশ্বাস হিমঘরগুলিতে রেকর্ড পরিমাণ আলু মজুত, সস্তা হতে পারে বাজার দর : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় শিশুশিক্ষা : তারাপদ রায় জঙ্গলমহল জৈন ধর্মের এক লুপ্তভুমি : সসীমকুমার বাড়ৈ ওড়িশা-আসাম-ত্রিপুরার অশোকাষ্টমীর সঙ্গে দোলের সম্পর্ক : অসিত দাস পাপমোচনী একাদশী ব্রতমাহাত্ম্য : রিঙ্কি সামন্ত ভগত সিংহের জেল নোটবুকের গল্প : কল্পনা পান্ডে নন্দিনী অধিকারী-র ছোটগল্প ‘অমৃতসরী জায়কা’ মহিলা সংশোধনাগারগুলিতে অন্তঃসত্ত্বা একের পর এক কয়েদি, এক বছরে ১৯৬ শিশুর জন্ম : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় ‘শোলে’র পঞ্চাশ বছর : সন্দীপন বিশ্বাস বিভাজনের রাজনীতি চালিয়ে হিন্দুত্ববাদীরা ইতিহাস পালটাতে চায় : তপন মল্লিক চৌধুরী অশোক সম্পর্কে দু-চারটে কথা যা আমি জানি : অসিত দাস চৈত্রের শুরুতেই শৈবতীর্থ তারকেশ্বরে শুরু হলো সন্ন্যাস মেলা : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় প্রথম বাঙালি পরিচালকের প্রথম নির্বাক লাভ স্টোরি : রিঙ্কি সামন্ত গোপিনী সমভিব্যাহারে রাধাকৃষ্ণের হোলি ও ধ্যানী অশোকবৃক্ষ : অসিত দাস শেখাওয়াটির হোলী-হাভেলী : নন্দিনী অধিকারী সংস্কৃত সাহিত্যে অশোকবৃক্ষ যখন দোহলী : অসিত দাস প্রাণগৌরাঙ্গের প্রিয় পঞ্চব্যঞ্জন : রিঙ্কি সামন্ত ‘দ্য স্টোরিটেলার’ — শিল্প এবং বাজারের মধ্যে দ্বন্দ্ব : কল্পনা পান্ডে অপুষ্টি আর দারিদ্রতা ঢাকতে সরকার আর্থিক উন্নয়নের পরিসংখ্যান আওড়ায় : তপন মল্লিক চৌধুরী দোহলী মানে অশোকবৃক্ষ, তা থেকেই দোল ও হোলি : অসিত দাস সিনেমা প্রেমীদের হোলির গান : রিঙ্কি সামন্ত দোলের আগের দিনের চাঁচর নিয়ে চাঁচাছোলা কথা : অসিত দাস খোল দ্বার খোল, লাগল যে দোল — দোলা লাগল কি : দিলীপ মজুমদার শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর বৃন্দাবন যাত্রা (শেষ পর্ব) : রিঙ্কি সামন্ত সিঙেরকোণ-এর রাধাকান্ত এখনও এখানে ব্যাচেলর : মৈত্রেয়ী ব্যানার্জী
Notice :

পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোলপূর্ণিমা ও হোলি ও বসন্ত উৎসবের  আন্তরিক শুভেচ্ছা শুভনন্দন।  ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন,  ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

দেশে বেড়ে চলেছে সিংহ সংখ্যা

রিপোর্টার / ৩৮৬ জন পড়েছেন
আপডেট বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২০

সৌম্য সিংহ

পশু এবং অরণ্যপ্রেমীদের জন্য অবশ্যই সুখবর। করোনা-অবসাদের মাঝে কিছুটা বৈচিত্র্যের স্বাদও। পশুরাজের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে চলেছে ভারতে। দেশে ম্যাজেস্টিক এশিয়াটিক লায়নের একমাত্র প্রাপ্তিস্থান গুজরাটের গির অরণ্যে সিংহ সংখ্যা ৫ বছরে ৫২৩ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৭৪। শতকরা হিসেবে যা প্রায় ২৯-৩০শতাংশ। শুধু তাই নয়, বেড়েছে পশুরাজের ভৌগলিক বিচরণক্ষেত্রও। ২২,০০০ বর্গকিমি থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০,০০০ বর্গকিমি। শতকরা হিসেবে যা প্রায় ৩৬ শতাংশ। সিংহ গণনা হয় প্রতি ৫ বছরে একবার। এর আগে হয়েছিল ২০১৫তে। এবারে হওয়ার কথা ছিল মে মাসে। কিন্তু করোনার দাপটে তা পিছিয়ে যায়। গত ৫-৬জুন টানা দু’দিনরাত গণনায় নেমেছিলেন ১৪০০ কর্মী।

বনদপ্তরের হিসেব বলছে, গিরে সিংহ–সিংহির অনুপাতটা বেশ স্বাস্থ্যকর। সিংহ ১৬১ এবং সিংহি ২৬০। অপ্রাপ্ত বয়স্ক সিংহর সংখ্যা ৪৫ এবং অপ্রাপ্ত বয়সের সিংহির সংখ্যা ৪৯। বাচ্চা রয়েছে মোট ১৩৭টা। এর বাইরে ২২টাকে ভালোভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে না এখনও।

লক্ষণীয়, ২০১৮তে ভাইরাস আক্রমণে বিপর্যস্ত হতে বসেছিল পশুরাজের গির-সৌরাষ্ট্র সম্রাজ্য। ‘ক্যানাইন ডিসটেম্পার ভাইরাস’ বা সিডিভি-র আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছিল ৩৬টা সিংহ। শেষ পর্যন্ত বিদেশ থেকে প্রতিষেধক আমদানি করে অবস্থা সামাল দিতে হয় সরকারকে।

তবে ধাক্কা সামলে উঠে সিংহ সংখ্যা কিন্তু বেড়েই চলেছে সেই থেকে। কারণ, রীতিমতো গণচেতনা জাগিয়ে তুলে মানুষ আর সিংহর মধ্যে শত্রুতার মনোভাব ক্রমশ কমিয়ে আনা হচ্ছে। স্বাভাবিক বিচরণক্ষেত্রে সিংহ-র শিকার বা খাদ্যের অভাব যাতে না হয়, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। সবথেকে বড় কথা এদের স্বাস্থ্যরক্ষার প্রশ্নেও নেওয়া হচ্ছে যথেষ্ট সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ১৪৩১ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন