পরিশিষ্ট।
১লা জানুয়ারি ১৭৬২ থেকে ১লা অক্টোবর ১৭৭৪ পর্যন্ত কলকাতার কোয়ার্টার সেশনস আদালতে ইংল্যান্ডের আইন অনুসারে ফৌজদারি অপরাধের জন্য অভিযুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তির বিবরণ; এতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নাম ও অপরাধ, সেইসাথে সংশ্লিষ্ট বিচারের তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে, এবং সেই সব ব্যক্তির মধ্যে কারা দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন এবং সেই দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর কী দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছিল, তাও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। (Early Parliamentary Papers relating to India — ১৭৮৮ সালে মুদ্রিত। সংগ্রহ নং ২২)



দ্রষ্টব্য: পূর্ববর্তী বিবরণটি মাননীয় সভার আদেশ অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়েছে, তবে তা কেবল ইস্ট ইন্ডিয়া হাউসের নথি নির্ভর করেই সম্ভব হয়েছে, কারণ কলকাতা কোয়ার্টার সেশনস আদালতের কার্যবিবরণী কেবল ১৭৬২-র ২৭শে আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে; এবং উক্ত আদালতের ১৭৬৮-র ২৭শে নভেম্বরের পরের কোনো কার্যবিবরণী পাওয়া যায়নি।
ইউরোপে কোম্পানির অধিকারে থাকা কোনো নথি থেকে এটি নিশ্চিত করা যায় না যে কোন কোন দণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়েছে বা হয়নি, কেবল রাধাচরণ মিত্রের দণ্ডাদেশটি ছাড়া, যাকে ক্ষমার জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল এবং পরে মহামান্য সম্রাট ক্ষমা করেছিলেন।
ইস্ট ইন্ডিয়া হাউস,
৩রা মার্চ, ১৭৮৮।
আর. হাডসন,
প্রো. পরীক্ষক, ভারত চিঠিপত্র।
চলবে
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট ফ্রম দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দি অ্যাফেয়ার্স অফ দি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সংক্ষেপে দ্য ফিফথ রিপোর্ট।

বিশ্বেন্দু নন্দ