শনিবার | ৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | সকাল ১১:৫৫
Logo
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৫৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ নির্বাচন পরবর্তী মিয়ানমার-রাখাইন পরিস্থিতি ও রোহিঙ্গা সমস্যা : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৫৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৫৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ শ্রীচৈতন্যদেব গরুড়ীয় বৈষ্ণবধর্ম বা গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্মের প্রবর্তক : অসিত দাস বাসুদেব ঘোষের পদাবলীতে চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মবৃত্তান্ত ও বায়ুপূরাণে অবতারত্ব বর্ণন : প্রবুদ্ধ পালিত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৫৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে দোলউৎসব : রিঙ্কি সামন্ত পদে পদে বিস্মৃত জনপদে (তৃতীয় পর্ব) : সুব্রত দত্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৫২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ প্রসূতি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য বাঁকুড়ায় এলেন রবীন্দ্রনাথ : প্রবুদ্ধ পালিত এসআইআর-এর নামে ১ কোটি ২৫ লক্ষ নাগরিকের নাম বাদ সরব দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৫১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ কলকাতা ঘন ঘন কেঁপে উঠছে কেন : তপন মল্লিক চৌধুরী জহির রায়হান-এর ছোটগল্প অনমিতা ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৫০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ নন্দিনী অধিকারী-র ছোটগল্প ‘কান্না হাসির দোলায়’ আ শর্ট ট্রিপ টু ‘জামশেদপুর’ : রিঙ্কি সামন্ত নয় টাকা কেজি দরে বারো লক্ষ টন আলু কিনবে রাজ্য সরকার : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় এআই ইমপ্যাক্ট সামিট নিয়ে প্রশ্ন অনেক উত্তর কম : তপন মল্লিক চৌধুরী ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৪৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ আমার বাবার রসবোধ : সৈয়দ মোশারফ আলী ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৪৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ একটি বই যেভাবে বদলে দিয়েছিল তলস্তয়কে : সাইফুর রহমান কেন্দ্রের দ্বিচারিতায় দীর্ঘ আট বছরেও পশ্চিমবঙ্গের নাম ‘বাংলা’ হল না : সুব্রত গুহ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৪৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ আলুর পর্যাপ্ত ফলন, প্রান্তিক চাষিদের জন্য হিমঘরে ৩০ শতাংশ আলু সংরক্ষণের ব্যবস্থা : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ম্যাজিক লন্ঠনের খোঁজে : মৈত্রেয়ী ব্যানার্জী
Notice :

পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন,  ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

বাংলা জুড়ে উন্নয়নের জোয়ার, লক্ষ লক্ষ পরিবারকে সহায়তা ও পরিষেবা : মোহন গঙ্গোপাধ্যায়

মোহন গঙ্গোপাধ্যায় / ২৩১ জন পড়েছেন
আপডেট শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে বাংলা জুড়ে উন্নয়নের জোয়ার। লক্ষ লক্ষ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ও পরিষেবা প্রদান। রাজ্যের খেটে খাওয়া মানুষের কাছে এ যেন মুখ্যমন্ত্রীর দু-হাত ভ’রে আশীর্বাদ। গত ২৮ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী হুগলির সিঙ্গুরে সারা বাংলাজুড়ে ১৬৯৪টি প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন ও শুভ শিলান্যাস করলেন। ২৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বাংলার বাড়ি’ দ্বিতীয় পর্যায়ের শুভ সূচনা হল। উপকৃত হবেন বাংলার ২০ লক্ষ পরিবার। এছাড়া ঘাটাল ও পাশ্ববর্তী বন্যা প্রবণ এলাকার মানুষকে স্বস্তি দিতে সম্পূর্ণরূপে রাজ্য সরকারের অর্থানুকুল্যে রূপায়িত ‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান’ প্রকল্পের শুভ শিলান্যাস হয়ে গেল। এজন্য ব্যয় ধরা হয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকা। তাছাড়া বিশ্ব ব্যাঙ্কের আর্থিক সহায়তায় রাজ্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামগ্ৰিক বিকাশের লক্ষ্যে ‘উন্নত সুস্বাস্থ্য’ প্রকল্পের জন্য ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। উল্লেখ করতেই হয় বাংলার কৃষকদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী দরাজ হাতে পরিষেবায় এগিয়ে এলেন। সুফল বাংলা সম্প্রসারণ প্রকল্পে আরও ৫০ টি নতুন কৃষিজ পণ্যবাহী গাড়ির পরিষেবারও শুভসূচনা ঘটালেন। সেই সঙ্গে ফসলের ক্ষতিপূরণের জন্য বাংলা শস্য বীমা যোজনা প্রকল্পে মোট ৮০ কোটি টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। এতে উপকৃত হবেন বাংলার ২ লক্ষ ৩৫ হাজারের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চাষি। আর একটি উল্লেখযোগ্য, ফার্ম মেকানাইজেশন স্কিমের অধীনে রাজ্যজুড়ে ২৯ হাজারের বেশি চাষিকে কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান। তাছাড়া রাজ্যের ভূমিহীনদের পাশেও পরিষেবায় অকৃপণ হাতে দান করলেন কৃষি পাট্টা, বাস্তু জমি পাট্টা, বনপাট্টা, ও চা বাগান শ্রমিকদের পাট্টা প্রদান করলেন। এতে খুশি রাজ্যের মানুষ। দেখা যাচ্ছে রাজ্য জুড়ে ১০৭৭টি প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৬৯৬ কোটি টাকা। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী ৬১৬টি প্রকল্পের শুভ শিলান্যাসও করেছেন। এর জন্য মোট প্রকল্প মূল ধরা হয়েছে ২ হাজার ১৮৩ কোটি টাকা।

প্রসঙ্গত, রাজ্যের ২৩ জেলায় উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতেই বিভিন্ন প্রকল্পের নতুন শুভসূচনা ও শিলান্যাস। দেখা যাচ্ছে হুগলি জেলায় মোট ৯৪টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ২১টি প্রকল্পের শিলান্যাস করা হল, যার মোট প্রকল্প মূল্য প্রায় ৪৫৭ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প যেমন আরামবাগ-বন্দর রাস্তা প্রশস্তকরণ, নালিকূলে আরওবি এবং পান্ডুয়া ও মগরায় সাব-স্টেশন। পরিষেবা পাবেন প্রায় ২৬ লক্ষ মানুষ। তাছাড়া রাজ্যের প্রতিটি জেলায় বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় এনে উন্নয়ন ঘটাতে চান মা মাটি মানুষের সরকার। যেমন — আলিপুরদুয়ার জেলায় মোট ২০টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৮টি প্রকল্পের শিলান্যাস হল। যার মোট প্রকল্প মূল্য প্রায় ৪৮ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প যেমন বীরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নতুন ৫০ শয্যার হাসপাতাল শুরু, আলিপুরদুয়ার জার্নালিস্ট ক্লাব ভবন এবং কালচিনিতে একটি নতুন কমিউনিটি হল। এইসব প্রকল্পের ফলে উপকৃত হবেন জেলার প্রায় ৫০হাজারের বেশি মানুষ। বাঁকুড়া জেলার উন্নয়নে মোট ২০টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ২৮ টি প্রকল্পের শিলান্যাস করা হয়েছে। এরজন্য মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ২২৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে উরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি হল সিমলাপাল — ভূতসহর রাস্তা সম্প্রসারণ, গঙ্গাজলঘাটি ব্লকে আইটিআই ভবন এবং রানীবাঁধ এসবিএসটিসি বাস টার্মিনাস। উপকৃত হবেন জেলার প্রায় ১২ লক্ষ মানুষ। বীরভূম জেলায় সরকারের দরাজ হস্ত। এখানে মোট ৩৫টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ২১টি প্রকল্পের শিলান্যাস হল। যার মোট প্রকল্প মূল্য প্রায় ২১৯ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা।যেমন তারাপীঠ – কোটাসুর রাস্তা প্রশস্তকরণ, বোলপুরে বাউল বিতান পর্যটন কেন্দ্র এবং রামপুরহাট মেডিকেল কলেজে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্লক। প্রকল্পে জেলার প্রায় ১৩ লক্ষ মানুষ পরিষেবা পাবেন। কোচবিহার জেলায় মানুষের পরিষেবায় সরকার মোট ৪৪টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৩৬টি প্রকল্পের শিলান্যাস করেছে। মোট প্রকল্প মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ২৬৫ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প।যেমন চ্যাংড়াবান্ধা-মাথাভাঙ্গা- কোচবিহার রাস্তা শক্তিশালীকরণ। এছাড়া তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে ১০০ শয্যার নতুন ভবন এবং শীতলকুচিতে স্টল কমপ্লেক্স। উপকৃত হবেন জেলার প্রায় ১৮ লক্ষ মানুষ। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ১৫টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ২৪টি প্রকল্পের শিলান্যাসে প্রায় ৩৮ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা মঞ্জুর। এর মধ্যে কুশমন্ডিতে কেজিবিভি হস্টেল ভবন, বালুরঘাটে এসবিএসটিসি বাস টার্মিনাস এবং বিভিন্ন স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়ন। পরিষেবা পাবেন প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ।

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। দার্জিলিং জেলায় মোট ৭২টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৩১টি প্রকল্পের শিলান্যাসে মোট প্রকল্প মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ১৮৪ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে ডাউহিলে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় ক্যাম্পাস, সেভক রোড প্রশস্তকরণ এবং শিলিগুড়িতে ফিশ মার্কেট স্টল। উপকৃত হবেন জেলার প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ।

এদিকে হাওড়া জেলায় মোট ৪৫টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৫৬ প্রকল্পের শিলান্যাস করা হল। যার মোট প্রকল্প মূল্য প্রায় ১৯৯ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা। এখানে হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভবন, বাগনান-আমতা রাস্তা সম্প্রসারণ এবং উলুবেড়িয়া ও আমতায় নতুন স্কুল ভবন। পরিষেবা পাবেন জেলার প্রায় ১ লক্ষ মানুষ। জলপাইগুড়ি জেলায় মোট ৩১টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১৫টি প্রকল্পের শিলান্যাস হয়ে গেল। যার মোট প্রকল্প মূল্য প্রায় ১০০ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা। মালবাজারে নতুন অডিটোরিয়াম ভবন, সুকান্ত মহাবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবনের সম্প্রসারণ এবং ক্রান্তি ব্লকে নতুন ব্রিজ। এইসব প্রকল্পের ফলে উপকৃত হবেন জেলার প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ। ঝাড়গ্রাম জেলায় মোট ২৮টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১৩টি প্রকল্পের শিলান্যাস হল। যার মোট প্রকল্প মূল্য প্রায় ১৮০ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা। গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প যেমন লালগড়-রামগড় রাস্তা শক্তিশালীকরণ, ঝাড়গ্রামে একটি নতুন ইনডোর স্টেডিয়াম এবং বিভিন্ন সোলার সেচ প্রকল্প। ফলে উপকৃত হবেন জেলার প্রায় ১৮ লক্ষ মানুষ। কালিম্পং জেলায় নজর আলাদা সরকারের। মোট ৭টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৪টি প্রকল্পের শিলান্যাসে মোট মূল্য প্রায় ৩৯ কোটি ৬ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে আপার ঋষি রোড উন্নয়ন, গোরুবাথানে বহুতল পার্কিং এবং বিভিন্ন ব্লকে কমিউনিটি হল। উপকৃত হবেন জেলার প্রায় ২ লক্ষ মানুষ।

এদিকে কলকাতায় মোট ১৫টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১১টি প্রকল্পের শিলান্যাস করেন। যার মোট প্রকল্প মূল্য প্রায় ৩২৬ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প যেমন নতুন স্টেট ড্রাগ কন্ট্রোল ল্যাবরেটরি, ইনস্টিটিউড অফ নিউরোসায়েন্সের নতুন ভবন এবং বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মজীবী মহিলা হস্টেল। এইসব প্রকল্পের ফলে সারা রাজ্যের মানুষ উপকৃত হবেন।

তাছাড়া মালদা জেলায় মোট ৬১টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ২১টি প্রকল্পের শিলান্যাস করে মোট প্রকল্প মূল ধরা হয়েছে প্রায় ১২৭ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা। গাজোলে আদিবাসী আবাসিক বিদ্যালয়, চচিল-খড়বা-চুরামনঘাট রাস্তা এবং ইংরেজবাজারে আধুনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট। এইসব প্রকল্পের ফলে উপকৃত হবেন জেলার প্রায় ৮ লক্ষ মানুষ। মুর্শিদাবাদ জেলায় মোট ২২টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৭টি প্রকল্পের শিলান্যাস হয়েছে। যার মোট প্রকল্প মূল্য প্রায় ২৬৬ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে কুলি-রামজীবনপুর রাস্তা প্রশস্তকরণ, মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজে ক্যানসার চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং ডোমকল ও লালগোলায় নতুন সাব-স্টেশন। জেলার প্রায় ১২ লক্ষ মানুষ পরিষেবা পাবেন। নদিয়া জেলায় মোট ৩২টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৫৪টি প্রকল্পের শিলান্যাসের ফলে প্রায় ৭ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন। যার মোট প্রকল্প মূল্য প্রায় ২২৬ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা। প্রকল্পগুলি হল যেমন কল্যাণী মেগা ইন্টিগ্রেটেড টেক্সটাইল পার্ক, কল্যাণী পশু খাদ্য প্ল্যান্ট এবং শান্তিপুরে তাঁত শিল্পের জন্য কমন ফ্যাসিলিটি সেন্টার। উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় মোট ১১৭টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৭০টি প্রকল্পের শিলান্যাসের ফলে জেলার প্রায় ১৮ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন। যার মোট প্রকল্প মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৩২১ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা। মিনাখাঁ তে ভাসমান রো-রো জেটি, ব্যারাকপুরে আইটিআই ভবন এবং নিউ টাউন ও রাজারহাটে নতুন বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন।

পশ্চিম বর্ধমান জেলার উন্নয়নে মোট ১৪টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৬টি প্রকল্পের শিলান্যাস হয়েছে। যার মোট প্রকল্প মূল্য প্রায় ৮০ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প যেমন আসানসোলে আধুনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট, দুর্গাপুরে কাজী নজরুল ইসলামের বাড়ি সংস্কার এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ড্রেনেজ ব্যবস্থা। উপকৃত হবেন জেলার প্রায় ৪ লক্ষ মানুষ। পূর্ব বর্ধমান জেলায় মোট ১১৯টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ২৫টি প্রকল্পের শিলান্যাস করে উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের বার্তা দিয়েছে সরকার। মোট প্রকল্প মূল্য প্রায় ২০৬ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। যেমন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে অত্যাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, ভাতারে নতুন স্কুল ভবন এবং গলসিতে ইলেকট্রিক সাব-স্টেশন। এইসব প্রকল্পের ফলে উপকৃত হবেন জেলার প্রায় ৯ লক্ষ মানুষ।

অপরদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সরকার মোট ১১৭টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৪৪টি প্রকল্পের শিলান্যাস করে প্রভূত উন্নয়ন করতে চায়। এজন্য প্রকল্প মূল্য মঞ্জুর প্রায় ৭৪৪ কোটি টাকা চন্দ্রকোনা- -ঘাটাল রাস্তা শক্তিশালীকরণ, কেশিয়াড়িতে ৬০ শয্যার নতুন হাসপাতাল ভবন এবং মেদিনীপুরে অত্যাধুনিক ট্রেনিং সেন্টার গড়ে তোলা হবে। উপকৃত হবেন জেলার প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ৪০টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৪৬টি প্রকল্পের শিলান্যাসের ফলে প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষ পরিষেবা পাবেন। এর জন্য মোট প্রকল্প মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৫৮৭ কোটি ৬২ লক্ষ টাকা। দিঘা মেরিন ড্রাইভ রাস্তা, হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালে নতুন ভবন এবং কাঁথি-বেলদা রাস্তা প্রশস্তকরণ হবে। পশ্চিমের জেলা পুরুলিয়ায় মোট ২৬টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১৬টি প্রকল্পের শিলান্যাস হয়েছে। মোট প্রকল্প মূল্য প্রায় ৩৫৯ কোটি টাকা। গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো যেমন বরাকর-পুরুলিয়া রাস্তা প্রশস্তকরণ, টুটগা সেচ প্রকল্প এবং ঝালদা ও রঘুনাথপুরে নতুন ব্রিজের কাজ। পরিষেবা পাবেন জেলার প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় মোট ৪৯টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৪২টি প্রকল্পের শিলান্যাসের ফলে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন। মোট প্রকল্প মূল্য প্রায় ৯৩৬ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা।

রাজপুর-সোনারপুর জল সরবরাহ প্রকল্প, জোকা বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন এবং ডায়মন্ড হারবারে নতুন ব্রিজ। উত্তর দিনাজপুর জেলার মানুষের পরিষেবায় মোট ৪৯টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১৩টি প্রকল্পের শিলান্যাস করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার মোট প্রকল্প মূল্য প্রায় ১৮১ কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প যেমন রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্লক, কালিয়াগঞ্জ সাধারণ হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং চোপড়ায় নতুন কেজিবিভি হস্টেল। উপকৃত হবেন জেলার প্রায় ৯ লক্ষ মানুষ। সরকার মানুষের পাশে থেকে অভাব অভিযোগ দূর করতে চায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

পেজফোরনিউজ শারদোৎসব বিশেষ সংখ্যা ২০২৫ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন