বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে আলাদা করতে চাইছেন মোদী এবং অমিত শাহ। ইতিহাসকে পরিবর্তন করতে চাইলে, এর যোগ্য জবাব দেবেন মানুষ। বুধবার স্পষ্ট ভাষায় একথা জানান, রাজ্যসভার সাংসদ সদস্যা দোলা সেন। তিনি জানান, আমি বাঙালি তথা ভারতীয় হিসেবে গর্ববোধ করি। কারণ আমাদের জাতীয় সংগীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “জনগণমন অধিনায়ক জয় হে” এবং রাষ্ট্রীয় গান বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের “বন্দেমাতরম”। বিজেপি চক্রান্ত করে বিভেদ তৈরি করতে চাইছে। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ওরা কী জানে? রবীন্দ্রনাথের প্রস্তাবকে অস্বীকার করে নিজের মতো প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মুসলিম লীগের চাপে বন্দে মাতরমের পূর্ণ সংস্করণকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন, যাকে কংগ্রেস “দেশাত্মবোধক গান নিয়ে রাজনীতি” বলে অভিহিত করেছে। মনে রাখতে হবে ১৯৫০ সালে সাংবিধানিক সভার সিদ্ধান্তে এই গানটিকে অনুষ্ঠানের জন্য অনুমোদিত হয়। সে সময় উপস্থিত ছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও মহাত্মা গান্ধী। অথচ বিজেপি এখন বিতর্ক তৈরি করছে।
এদিকে দোলা সেন আরও জানান, বাংলায় বিধানসভা ও লোকসভা ভোট এলেই কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে সিবিআই, ইডি, এনআই-কে কাজে লাগায়। বিজেপি যেটা করছে সেটা ঠিক নয়। ইতিমধ্যে সুপ্রিমকোর্ট চোখে আঙুল দিয়ে তা দেখিয়ে দিয়েছে। এজন্য দেশের সর্বোচ্চ আদালতের কাছে কৃতজ্ঞ। তবে বাংলার মানুষ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জমানত জব্দ করবেই।