বৃহস্পতিবার | ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | সকাল ১১:৫৭
Logo
এই মুহূর্তে ::
অবসর ঠেকাতেই মোদী হেডগেওয়ার ভবনে নতজানু : তপন মল্লিক চৌধুরী লিটল ম্যাগাজিনের আসরে শশাঙ্কশেখর অধিকারী : দিলীপ মজুমদার রাঁধুনীর বিস্ময় উন্মোচন — উপকারীতার জগৎ-সহ বাঙালির সম্পূর্ণ মশলা : রিঙ্কি সামন্ত রামনবমীর দোল : অসিত দাস মহারাষ্ট্রে নববর্ষের সূচনা ‘গুড়ি পড়বা’ : রিঙ্কি সামন্ত আরামবাগে ঘরের মেয়ে দুর্গাকে আরাধনার মধ্য দিয়ে দিঘীর মেলায় সম্প্রীতির মেলবন্ধন : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় ‘বিজ্ঞান অন্বেষক’ পত্রিকার ২২তম বর্ষ উদযাপন : ড. দীপাঞ্জন দে হিন্দিতে টালা মানে ‘অর্ধেক’, কলকাতার টালা ছিল আধাশহর : অসিত দাস আত্মশুদ্ধির একটি বিশেষ দিন চৈত্র অমাবস্যা : রিঙ্কি সামন্ত চাপড়া বাঙ্গালঝি মহাবিদ্যালয় : ড. দীপাঞ্জন দে রায়গঞ্জে অনুষ্ঠিত হল জৈব কৃষি বিপণন হাট অশোকবৃক্ষ, কালিদাসের কুমারসম্ভব থেকে অমর মিত্রর ধ্রুবপুত্র : অসিত দাস কৌতুকে হাসতে না পারলে কামড় তো লাগবেই : তপন মল্লিক চৌধুরী জাতিসংঘ মহাসচিবের সফর ও রোহিঙ্গা সংকটে অগ্রগতি : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন এথেন্সের অ্যাগনোডাইস — ইতিহাসের প্রথম মহিলা চিকিৎসক : রিঙ্কি সামন্ত সন্‌জীদা খাতুন — আমার শিক্ষক : ড. মিল্টন বিশ্বাস হিমঘরগুলিতে রেকর্ড পরিমাণ আলু মজুত, সস্তা হতে পারে বাজার দর : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় শিশুশিক্ষা : তারাপদ রায় জঙ্গলমহল জৈন ধর্মের এক লুপ্তভুমি : সসীমকুমার বাড়ৈ ওড়িশা-আসাম-ত্রিপুরার অশোকাষ্টমীর সঙ্গে দোলের সম্পর্ক : অসিত দাস পাপমোচনী একাদশী ব্রতমাহাত্ম্য : রিঙ্কি সামন্ত ভগত সিংহের জেল নোটবুকের গল্প : কল্পনা পান্ডে নন্দিনী অধিকারী-র ছোটগল্প ‘অমৃতসরী জায়কা’ মহিলা সংশোধনাগারগুলিতে অন্তঃসত্ত্বা একের পর এক কয়েদি, এক বছরে ১৯৬ শিশুর জন্ম : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় ‘শোলে’র পঞ্চাশ বছর : সন্দীপন বিশ্বাস বিভাজনের রাজনীতি চালিয়ে হিন্দুত্ববাদীরা ইতিহাস পালটাতে চায় : তপন মল্লিক চৌধুরী অশোক সম্পর্কে দু-চারটে কথা যা আমি জানি : অসিত দাস চৈত্রের শুরুতেই শৈবতীর্থ তারকেশ্বরে শুরু হলো সন্ন্যাস মেলা : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় প্রথম বাঙালি পরিচালকের প্রথম নির্বাক লাভ স্টোরি : রিঙ্কি সামন্ত গোপিনী সমভিব্যাহারে রাধাকৃষ্ণের হোলি ও ধ্যানী অশোকবৃক্ষ : অসিত দাস
Notice :

পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোলপূর্ণিমা ও হোলি ও বসন্ত উৎসবের  আন্তরিক শুভেচ্ছা শুভনন্দন।  ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন,  ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

মূঢ়তা বোঝেনা

পেজ ফোর, বিশেষ প্রতিনিধি / ২৯৩ জন পড়েছেন
আপডেট বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২১

নির্জন দ্বীপে রবিনসন ক্রুশো নিজের খেয়ালখুশি মত দিন কাটাতেই পারেন, কিন্তু একটা জনবসতে তা সম্ভব নয়। সেখানে সভ্য সমাজের নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়, ভাবতে হয় আরও পাঁচ জনের কথা। আমার ব্যবহারে বা কাজকর্মে অন্যরা বিপদে পড়ছেন কিনা দেখতে হয় সেটাও। কোভিডের প্রকোপ একটু কমার সঙ্গে সঙ্গে দেখতে পাচ্ছি, কিছু মানুষ মাস্ক ছাড়াই নির্ভয়ে চলাফেরা করা শুরু করে দিয়েছেন। এই দলে গণপরিবহণের ‘দায়িত্বশীল’ চালক এবং কন্ডাক্টরও রয়েছেন। তাদের অতি তৎপর সংগঠনের এব্যাপারে কোন হেলদোল নেই! প্রতিবাদ করতে গেলেই শুনছি — আপনার ইচ্ছে হয় আপনি পরুন না, আমি পরবো না। বলতে বলতেই মাস্কবিহীন কোন যাত্রীকে দেখিয়ে দিয়ে বলছেন এই তো দেখুন উনিও পরেননি। বোঝাই যাচ্ছে গণতন্ত্র বলতে এরা বোঝেন যা কিছু করার স্বাধীনতা। ‘পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম গণতন্ত্র’ ইত্যাদি কথাকে তখন অর্থহীন মনে হয়।

এদের কে বোঝাবে নিজের গাড়ি, নিজের টাকায় কেনা পেট্রল, এমনকি নিজের জীবনটুকু বাজি রেখেও খেয়ালখুশি মত গাড়ি চালানো যায়না। কারণ একাজ করতে গিয়ে আপনি অন্যের জীবন বিপন্ন করতে পারেন, ক্ষতি করতে পারেন অন্যের বা সরকারি সম্পত্তিরও। কোভিডের টিকা না নিয়ে, মাস্ক না পরে, স্রেফ আমোদ করার জন্য ভিড়ে গিয়ে আপনি ঠিক এই কাজটিই করছেন। এই বিপজ্জনক এবং কাণ্ডজ্ঞানহীন মানুষগুলি একশ্রেণীর রাজনীতিবিদদেরও পুঁজি। এই যুগলবন্দী যে কোন সিস্টেমের বারোটা বাজিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। কিছু বলতে গেলেই এরা বলবেন — কই মাস্ক না পরে, টিকা না নিয়ে রাম আর শ্যামের তো কিছু হয়নি? এদের কে বোঝাবে, রাম আর শ্যামের না হলেও যদুর হয়েছে, মধু তো কোভিডেই মারা গেল!

গণতন্ত্র ব্যাক্তির অধিকারের জয়ধ্বনি করে। তবে তা যে সমাজকে বিপন্ন করে যা ইচ্ছা তাই করার স্বাধীনতা নয়, সে কথাটাই আমরা ভুলে যাই। ভুলে যাই গণতন্ত্র মানে মিলেমিশে চলা, অন্যকে সহায়তা করা। দুঃখের কথা হল, বয়স হলেও আমাদের প্রবীণ গণতন্ত্র একথা দেশের মানুষকে এখনও বুঝিয়ে উঠতে পারেনি।

এই ব্যর্থতার দায় আপনার, আমার, সবার। তবে সবকিছু ব্যর্থ হয়েছে এতটা হতাশ হওয়াও ঠিক নয়। কারণ এই ব্যবস্থাই তো জাতিভেদ প্রথার বিরুদ্ধে গিয়ে দেশের সব মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। উচ্চবর্ণের কথা এখন আর দেশের আইন নয়। ভ্রাতৃঘাতী দাঙ্গার ধাক্কা সামলে দেশে সব ধর্মের মানুষদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছি আমরা। সমাজের একটা বড় অংশের মানুষদের মধ্যে গণতন্ত্রের বোধ না থাকলে ভারত নামে দেশটাই তো আর থাকতো না!

মুশকিল হল, কিছু মানুষ একথা ভুলে যান। এই ভুলে যাওয়ার ব্যাপারটা বহু দেশেই ঘটে। কিন্তু কোথাও তা আমাদের দেশের মত অবাধ প্রশ্রয় পায়না। এরা ভুলে যান ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স’ যেমন আছে ঠিক তেমনই আছে ‘ইন্টারডিপেন্ডেন্স’। স্বাধীনতার পাশাপাশি রয়েছে মানুষের পারস্পরিক নির্ভরতা। এ দুটো মিলিয়ে চলতে আমরা শিখিনি বলে হেলমেট ছাড়া বাইক চালানো কিংবা কোভিডকালে ভ্যাকসিন এবং মাস্ক ছাড়াই ভিড়ে মিশে যাওয়ার ঘটনা বাড়ছে। আমরা ভুলে যাচ্ছি এতে শুধু নিজের বা প্রিয়জনের ক্ষতি তাই নয়, বহু সাধারণ মানুষেরও বিপদ ডেকে আনছি আমরা। এর দায় শেষ পর্যন্ত সরকারকেই নিতে হয়। সামগ্রিকভাবে এটা মানব সম্পদের ক্ষতি, রাষ্ট্রের ক্ষতি।

মুঢ়তা একথা বোঝেনা!


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ১৪৩১ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন