তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ দোলা সেন বিজেপি-র বিরুদ্ধে বিভাজনমূলক রাজনীতির অভিযোগ তুলেছেন। বৃহস্পতিবার পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেন যে, বিজেপি আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের মেরুকরণ করার চেষ্টা করছে এবং প্রধান জনমুখী বিষয়গুলি থেকে নজর ঘোরাচ্ছে. তিনি এই সময় জোর দিয়ে বলেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনে মনোযোগ ধরে রেখেছে। তিনি রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নিয়ে সরব হয়েছেন। ওরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভয় করে। সত্যি সত্যি ভয় করে। ২০২১ সালে বাংলায় অশ্বমেধের ঘোড়া মুখ থুবড়ে পড়েছিল। সেই থেকে ওদের রাগ। হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট বলার পরেও ১০০ দিনের কাজের ৫২ হাজার কোটি টাকা আটকে রেখেছে। বাংলার মোট ২ লক্ষ কোটি টাকা বাকি রেখেছে। বাংলার মানুষ এর জবাব দেবেন। ২০২৪ এ হেরেছে। ২০২৬ এও হারবে। বাংলার শেষ কথা বলবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, এদিন গ্যাসের দামের প্রতিবাদে দোলা সেন সরব হন। তৃণমূল কংগ্রেস সংসদ এবং বাংলা — উভয় জায়গাতেই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে, কারণ সাধারণ মানুষ গ্যাসে রান্না করতে পারছে না। অটোচালকরা অসুবিধায় পড়েছেন। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর বিবৃতিতে পেট ভরে না। প্রধানমন্ত্রীর যে দায়িত্বের কথা বলেছেন, তা পালন করতে হবে। কেবল মানুষকে একের পর এক লাইনে দাঁড় করিয়ে নাস্তানাবুদ করছে। নোট বন্দীর লাইন থেকে গ্যাসের লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষকে হয়রানি হতে হচ্ছে।
দোলা সেনের আরও অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনকে বিজেপি শাখা সংগঠনে পরিণত করেছে। তাহলে মানুষ আইনগত ও সংবিধান সম্মতভাবে প্রতিবাদ তো করবেই। আমাদের জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে আমরা চলেছি। আমরা মেনে নিতে পারছি না অস্বাভাবিক হারে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি ও সংকট।
সাধারণ মানুষের জন্য রান্নার গ্যাসের অসহনীয় মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। সংসদ ও বাংলায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে লাগাতার প্রতিবাদ চলছে চলবে।