শনিবার | ২১শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | রাত ৩:০০
Logo
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বৈশাখের কাছে প্রার্থনা : সেলিনা হোসেন বাঙালিত্বের শপথের দিন : সন্‌জীদা খাতুন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারের ব্রাত্যজন দ্বারকানাথ ঠাকুর : সুব্রত গুহ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ হরশিল উপত্যকার সুখদুঃখ : নন্দিনী অধিকারী মৌসুমী মিত্র ভট্টাচার্য্য-র ছোটগল্প ‘প্রতিবেশী’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ লৌকিক দেবতা ঘেঁটুকে নিয়ে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গান গেয়ে উৎসব পালন : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় কবি সম্মেলন প্রসঙ্গে : প্রসেনজিৎ দাস লক্ষ লক্ষ ভোটারকে ধোঁয়াশায় রেখে ভোট নির্ঘন্ট প্রকাশ : তপন মল্লিক চৌধুরী ইতিহাস ও কিংবদন্তীর কথা বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে পাঁচশো বছরের বাহিরী জগন্নাথ মন্দির : সুব্রত গুহ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বাতাসে গরম ও বসন্তের যুগলবন্দির মোক্ষম দাওয়াই বেল : রিঙ্কি সামন্ত কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করতে সংগ্রহ প্রকল্প : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় মধ্য প্রাচ্যের অস্থিরতার আঁচ লেগেছে আমজনতার হেঁশেলে : তপন মল্লিক চৌধুরী ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ তিনি ছিলেন তখনকার ছাপোষা বাঙালির প্রতিভূ : মৈত্রেয়ী ব্যানার্জী ‘বার্লোগঞ্জের ভোট’ মূল গল্প রাসকিন বন্ড অনুবাদ নন্দিনী অধিকারী ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ দু-কানকাটা যায় রাস্তার মাঝখান দিয়ে : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৫৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ ট্রাম্প ইজরায়েলের হামলাবাজী ও মোদীর নীরবতা : তপন মল্লিক চৌধুরী ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৫৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ ঐতিহ্য ও দৈবী মাহাত্ম্যর প্রমাণ রাধাবল্লভজিউর পঞ্চম দোল : রিঙ্কি সামন্ত দোল ফিরে ফিরে আসে, ফিরে আসে স্বর্নালী স্মৃতি : মৈত্রেয়ী ব্যানার্জী মেদিনীপুরের নদী ও খালপথে জলযানে রবীন্দ্রনাথ : সুব্রত গুহ
Notice :

পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন,  ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

বৈশাখের কাছে প্রার্থনা : সেলিনা হোসেন

সেলিনা হোসেন / ৪৫ জন পড়েছেন
আপডেট বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন, ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা। অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।’

বৈশাখ, তোমার চেয়ে আর কে বেশি জানে যে এ দুটো পঙ্ক্তি একজন কবির শুধু ঋতুবন্দনা নয়, কবি জীবনের কল্যাণে প্রকৃতির কাছে প্রার্থনা করেছেন। বছর ধরে জমে ওঠা গ্লানি ও জীর্ণতাকে দূর করে ধরণিকে শুচি করার কথা বলেছেন। সারা বছরের আবর্জনা দূর হয়ে যাওয়ার মন্ত্র উচ্চারণ করেছেন। এই মন্ত্র ধূলিমলিন জরাগ্রস্ত পৃথিবীর চেতনা, যে বোধ জীবনের অবমাননা ঘটায়, তাকে দূর করে জীবনের দার্শনিক সুন্দরকে প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন কবিগুরু। এই সত্য ও মঙ্গলের সাধনার গভীর বোধটি বাংলা নববর্ষে সব বাঙালির ভেতরে থাকুক—এ আহ্বান ধ্বনিত হয় এই দিনকে কেন্দ্র করে। হে বৈশাখ, আমরা তোমরা দিনের শুরুর যাত্রাকে স্বাগত জানাই। তুমি আমাদের জীবনে নববর্ষের সূচনা করো।

সেই জন্য আমরা সমবেত কণ্ঠে বলতে চাই, নববর্ষ একটি নতুন, অন্য রকম সূর্যোদয় উদ্ভাসিত করো বাংলাদেশের মানুষের জীবনে। আমরা নতুন আলোয় দেশটাকে দেখতে চাই। বড় বেশি জঞ্জালে ভরে গেছে এ দেশের মানুষের জীবন। আমরা নতুন সূর্যোদয়ের দিকে তাকিয়ে বলতে চাই, এসো হে বৈশাখ, এসো এসো।

আমরা তোমাকে চাই বৈশাখ। তোমার রুদ্র বৈশাখী ঝড় জীর্ণ পাতা উড়িয়ে নেওয়ার অমিত শক্তি, শান্ত-স্নিগ্ধ তারাভরা আকাশ, বৃষ্টির অপরূপ ছোঁয়া। দহন ও স্বস্তির সমন্বয়ে আমরা ভরে তুলতে চাই জীবনের বিশাল ক্যানভাস।

তোমার কাছে প্রার্থনা বৈশাখ, রংধনুর সাত রং দিয়ে একটি ফুল বানিয়ে দাও আমাদের। আমরা এ দেশের জন্য জীবনদানকারী লাখো শহীদের স্মরণে ভরে দিই স্মৃতিসৌধ, দেশজুড়ে গড়ে ওঠা স্মৃতিস্তম্ভ ও গণকবরগুলো। আমরা শহীদের পবিত্র আত্মাকে বলতে চাই, আমাদের হৃদয়ের সব কটি জানালা তাঁদের জন্য খোলা আছে। ফুলের রঙে ভরে উঠুক দিগন্তরেখা পর্যন্ত টানা স্বদেশের সীমানা। সৌরভে ভরে উঠুক প্রতিটি মানুষের হৃদয় এবং প্রায় ১৬ কোটি মানুষ কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণে রাখুক শহীদদের। এই স্মরণ যেন কোনো দিনের বেড়াজালে বন্দী না থাকে। বৈশাখ, দেবে কি সাত রঙের একটি ফুল?

বৈশাখ, তোমার কাছে একটি গাড়ি চাই। মুক্তিযুদ্ধের সময়ের লাল-সবুজ-হলুদ রঙের পতাকাটি দিয়ে সাজানো গাড়ি। যুদ্ধের সময়ে যেসব বীর নারী পাকিস্তানি সেনাদের হাতে নির্যাতিত হয়ে স্বাধীনতার মতো মহান গৌরবকে সত্য করে তুলেছিলেন আমাদের জীবনে, তাঁদের আমরা দিনের আলোয় স্নাত করতে চাই। তাঁদের আমরা দেশের প্রতিটি জনপদে নিয়ে যেতে চাই। রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে দিনমজুর মানুষটিও বলুক, আপনাদের কোনো লজ্জা নেই। সব লজ্জা পুরো জাতির, যারা আপনাদের যোগ্য মর্যাদা দেয়নি। আপনারা তাদের ক্ষমা করুন। বৈশাখ, তাঁদের কাছে আমাদের অকৃতজ্ঞতার দায় শোধ করার চেতনাকে রুদ্র তাপে প্রজ্বালিত করে দাও। শুধু মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণার মধ্য দিয়ে তাঁদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন যেন শেষ হয়ে না যায়। তাঁদের ধৈর্য, সাহস, তাঁদের ত্যাগ, স্বাধীনতার জন্য তাঁদের জীবন-মরণের স্বপ্ন যেন এই দেশের প্রজন্মের সামনে আলোর প্রদীপ হয়ে জ্বলে।

প্রিয় বৈশাখের কাছে প্রার্থনা, বৈশাখ, আমাদের স্বর্ণশস্যপ্রসবিনী পলি মাটি মাখানো নলখাগড়ার কলম দাও। আমরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম শস্যদানার অক্ষরে লিখে রাখি। ইতিহাসের পৃষ্ঠায় নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করুক সেই নাম। ইতিহাসবিকৃতির চক্রান্ত যেন সে নাম ছঁুতে না পারে। স্বাধীনতাবিরোধী চক্র মুছে দিতে চায় ইতিহাসের জ্বলজ্বলে পৃষ্ঠা। ইতিহাসের খেরো খাতায় নিজেদের তুলে ধরার চেষ্টা করে। বৈশাখ, ‘তাপস নিশ্বাস বায়ে মুমূষুর্রে দাও উড়ায়ে’।

বৈশাখ, বাঙালিকে একাত্তরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ করে দাও। বাঙালি যেন বলতে পারে, হৃদয় আমার, ওই বুঝি তোর বৈশাখী ঝড় আসে। বৈশাখী ঝড় অনৈক্যের জায়গাটিকে উৎখাত করে ঐক্যের জায়গাটি সমান করে দিক। মানুষ হিসেবে বাঙালির শুভবুদ্ধি একাত্তরের চেতনার মতো দীপ্ত হয়ে উঠুক। স্বদেশ যেন বাঙালির চেতনায় সবটুকু জায়গায় অমলিন থাকে, যেন সে বোধে কোনো ফুটো তৈরি না হয়। যেন ব্ল্যাক হোলের মতো সে ফুটো স্বদেশকে গ্রাস না করে। বৈশাখ, বড় মিনতি তোমার কাছে। তুমিই তো পারো বলতে, ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা।’ জাতির জীবনের জমে যাওয়া আবর্জনা দূর করতে বাঙালিকে রুখে দাঁড়ানোর জন্য তুমি শক্তি দাও।

দুই

কেন তোমার কাছে প্রার্থনা, বৈশাখ? স্বাধীনতা-পরবর্তী জীবনের যাত্রাপথে সামনে এগোনোর বদলে আমরা অনেক পিছিয়ে গেছি বলে কি? যে সুষম জীবনব্যবস্থা আমাদের সঠিক ঠিকানায় পৌঁছে দিলে আমরা প্রকৃত মানুষের জনগোষ্ঠী হতে পারতাম বলে কি? বৈশাখ, বড় গভীর প্রার্থনা তোমার কাছে। আমাদের একটি স্রোতস্বিনী দাও। তার স্বচ্ছতোয়া ধুয়ে দিক আমাদের পাপ, ভাসিয়ে নিয়ে যাক মানবিক বোধের জঞ্জাল। মানুষের মাঝে জাগিয়ে দিক বেঁচে থাকার অন্যতম বোধ। সেই স্রোতস্বিনী আমাদের বলবে, ছঁুয়ে দেখো আমার জল। তোমাকে দেবে অমৃতের স্পর্শ। তুমি মানববোধের সবটুকু নিজের মধ্যে ধারণ করে অমৃতের আস্বাদ পাবে। বৈশাখ, তুমি কি এমন একটি বোধের চেতনায় বদলে দিতে পারো ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এই ভুখণ্ডকে?

জঙ্গিবাদের মতো অপশক্তিকে নির্মূল করে দাও। বৈশাখ, হে মৌন তাপস, বড় দুঃসময়ের মুখোমুখি এই ভূখণ্ডের মানুষ। আমাদের ভেতরে ধর্মীয় সম্প্রীতি থাকুক। অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সিক্ত হয়ে আমাদের প্রার্থনা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে থাকুক, বৈশাখ, হে মৌনী তাপস।

তোমার কাছে প্রার্থনা, বৈশাখ, যারা গরিবের আমানতের খেয়ানত করে, তাদের কঠোর শাস্তি দাও, যেন তারা টাকার আকার ভুলে যায়। কত প্রকারের নোট হয়, তা-ও ভুলে যায়। তাদের লোভের জিবটাকে ছোট করে দাও, বৈশাখ। তাদের লোভের হাতের আকার ক্ষুদ্র করে দাও, যেন তাদের লোভ ছঁুতে না পারে চালের মূল্য, ডালের মূল্য। যেন ধরতে না পারে মাছ-ফলমূল-শাকসবজি-মুরগি-হাঁস। তাদের ক্ষুদ্রকায় মানুষ করে বুঝতে দাও যে কীভাবে জীবনের ফুল ফোটাতে পরিশ্রম করতে হয়। অন্যের অধিকারে থাবা দিয়ে অন্যায়ভাবে ভোগদখল জীবনের ধর্ম নয়।

অন্যের খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা রাষ্ট্রের সুশাসন নয়। বৈশাখ, কতিপয় মানুষের দুর্নীতির হাতে বিপুল জনগোষ্ঠীকে জিম্মি করে দিয়ো না। আমরা বলতে চাই, ‘নিষ্ঠুর, তুমি তাকিয়ে ছিলে মৃত্যুক্ষুধার মতো। তোমার রক্ত নয়ন মেলে/ ভীষণ তোমার প্রলয়সাধন প্রাণের বাঁধন যত/ যেন হানবে অবহেলে।’

তোমার কাছে প্রার্থনা, বৈশাখ, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যেন দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়, যেন মনুষ্যত্ব বিকাশের অনুশীলনের প্রতিষ্ঠান হয়। আমাদের আগামী প্রজন্ম যেন তোমার নতুন বছরকে নির্মাণ করার জন্য প্রতিজ্ঞাদীপ্ত হয়। বৈশাখী মেলা থেকে আম-আঁটির ভেঁপু কিনে আমাদের সন্তানেরা নিজেদের হৃদয় খুলে শিক্ষার নির্যাসে আলোকিত মানুষ হোক।

তোমার কাছে প্রার্থনা, বৈশাখ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকজনকে দেশের মূলধারার জনগোষ্ঠীর কাতারে নিয়ে এসো। তাদের বঞ্চনার অবসান ঘটাও। তাদের বেদনাকে নিজের বেদনায় পরিণত করে বলো, অগ্নিস্নানে শুচি হোক বাংলাদেশ। আমরা সব জনগোষ্ঠীর মানুষ এক হয়ে ফসল উৎপাদন করি, বনভূমি রক্ষা করি, নদী রক্ষা করি, সৃষ্টির যা কিছু মহৎ সুন্দর, তাকে আহ্বান করে মানুষ ও জীববৈচিত্রে্যর সমন্বয়ে প্রিয় স্বদেশের ভূখণ্ডকে সুন্দর করি।

তিন

আবার সেই আহ্বান, এসো, এসো হে বৈশাখ। তোমার নতুন প্রাণের উজ্জীবিত শক্তিতে আমরা পাহাড়প্রমাণ সমস্যাকে দূর করব। তুমি যদি নতুন বছর নিয়ে আসতে পারো, তাহলে আমরাও বছরের রূপবৈচিত্র্যকে ভিন্ন করতে পারব। আমাদের আশাবাদী সংগীতে বাজবে নবপ্রাণের গান। আমরা বলব, ‘বৈশাখ, হে মৌন তাপস…হঠাৎ তোমার কণ্ঠে এ যে আমার ভাষা উঠল বেজে, দিল তরুণ শ্যামল রূপে করুণ সুধা ঢেলে।’

আমাদের প্রার্থনায় আশার বাদ্য বাজাও, বৈশাখ। আমাদের অমিত শক্তিকে অভিনন্দিত করো।

পেজফোরনিউজ-এর নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা ২০২৪-এ প্রকাশিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

পেজফোরনিউজ শারদোৎসব বিশেষ সংখ্যা ২০২৫ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন