বৃহস্পতিবার | ১৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | রাত ৩:৩৯
Logo
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারের ব্রাত্যজন দ্বারকানাথ ঠাকুর : সুব্রত গুহ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ হরশিল উপত্যকার সুখদুঃখ : নন্দিনী অধিকারী মৌসুমী মিত্র ভট্টাচার্য্য-র ছোটগল্প ‘প্রতিবেশী’ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ লৌকিক দেবতা ঘেঁটুকে নিয়ে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গান গেয়ে উৎসব পালন : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় কবি সম্মেলন প্রসঙ্গে : প্রসেনজিৎ দাস লক্ষ লক্ষ ভোটারকে ধোঁয়াশায় রেখে ভোট নির্ঘন্ট প্রকাশ : তপন মল্লিক চৌধুরী ইতিহাস ও কিংবদন্তীর কথা বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে পাঁচশো বছরের বাহিরী জগন্নাথ মন্দির : সুব্রত গুহ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বাতাসে গরম ও বসন্তের যুগলবন্দির মোক্ষম দাওয়াই বেল : রিঙ্কি সামন্ত কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করতে সংগ্রহ প্রকল্প : মোহন গঙ্গোপাধ্যায় মধ্য প্রাচ্যের অস্থিরতার আঁচ লেগেছে আমজনতার হেঁশেলে : তপন মল্লিক চৌধুরী ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ তিনি ছিলেন তখনকার ছাপোষা বাঙালির প্রতিভূ : মৈত্রেয়ী ব্যানার্জী ‘বার্লোগঞ্জের ভোট’ মূল গল্প রাসকিন বন্ড অনুবাদ নন্দিনী অধিকারী ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ দু-কানকাটা যায় রাস্তার মাঝখান দিয়ে : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৫৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ ট্রাম্প ইজরায়েলের হামলাবাজী ও মোদীর নীরবতা : তপন মল্লিক চৌধুরী ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৫৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ ঐতিহ্য ও দৈবী মাহাত্ম্যর প্রমাণ রাধাবল্লভজিউর পঞ্চম দোল : রিঙ্কি সামন্ত দোল ফিরে ফিরে আসে, ফিরে আসে স্বর্নালী স্মৃতি : মৈত্রেয়ী ব্যানার্জী মেদিনীপুরের নদী ও খালপথে জলযানে রবীন্দ্রনাথ : সুব্রত গুহ ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৫৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৫৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ
Notice :

পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন,  ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (৬৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ

ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গা / ৪৪ জন পড়েছেন
আপডেট বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

১৭৬১-র চিঠিপত্র রাজার বিরুদ্ধে কাউন্সিলের কল্পিত অভিযোগ এবং মেজর হোয়াইটের বিরুদ্ধে আনা রাজার পাল্টা অভিযোগে ভর্তি। সম্ভবত মেজর হোয়াইটকে মারাঠা তাড়ানোর এবং বীরভূমের বিদ্রোহী জমিদার দমনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ফেব্রুয়ারিতে কাউন্সিল, তিলক চাঁদকে জানায় যে, তার থেকে প্রাপ্য ২,৮৫,০০০ টাকার মধ্যে একটা চালানে ৫০,০০০ টাকা, অন্য একটা চালানে ৩১,০০০ টাকা পাওয়া গেছে, কিন্তু বাকি ৭৯,০০০ টাকার তৃতীয় চালান নগদ টাকা ছাড়াই এসেছে; এবং জানুয়ারি মাসের কিস্তি এখনও বকেয়া আছে। — নবাবের স্বার্থ যেহেতু বর্ধমানের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল — তাই পরদিন গভর্নর ও কাউন্সিল নবাবকে চিঠি লিখে জানালেন অবশেষে তাঁরা বকেয়া রাজস্ব আদায়ের জন্য “সৈন্য এবং কামানসহ একজন ব্যক্তিকে” পাঠাচ্ছেন। একই সাথে রাজাকে জানানো হলো যে, অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে এবং “অল্প কিছু সৈন্যের সহায়তায় দেশের নিরাপত্তা বিধান করা এবং মারাঠাদের দেশ ছাড়া করার লক্ষ্যে” মি. সামনার বর্ধমানের পথে রয়েছেন। (Calendar of Persian Correspondence, No. 877) অবশ্য সামনারকে হুমকির পদক্ষেপটা ছিল আরেকটা কৌশলমাত্র; কারণ ৯ই ফেব্রুয়ারি ইংরেজরা রাজাকে জানাল—যেহেতু তাঁর উকিল অঙ্গীকার করেছেন যে, “রামধন নাজ সাত দিনের মধ্যে কিস্তির অবশিষ্ট অর্থ নিয়ে কলকাতায় উপস্থিত হবেন”—তাই আপাতত মি. সামনারকে বাহিনী সহ তার রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে না; তবে রাজা যদি বর্ধমানে অবস্থান না করেন কিংবা তাঁর বকেয়া পরিশোধ না করেন, তবে “মি. সামনারকে নিশ্চিতভাবেই পাঠানো হবে।” ১১ই ফেব্রুয়ারি এই হুমকির পুনরাবৃত্তি করা হলো; তবে এর সাথে এই ব্যাখ্যাও জুড়ে দেওয়া হলো যে, মি. সামনারের আগমন “দেশের জন্য অকল্যাণকর নয়, বরং কল্যাণকরই হবে।” এর জবাবে তিলক চাঁদ মন্তব্য করলেন যে, “মি. সামনারকে পাঠানোটা দেশের জন্য বিপর্যয়কর হবে।” সেই সময়ে গভর্নর ও কাউন্সিলের মনে এই সন্দেহের উদ্রেক হওয়ার যথেষ্ট কারণ ছিল যে, মেজর হোয়াইটের সাথে তাঁদের যে চিঠিপত্র আদান-প্রদান হচ্ছিল, রাজা সম্ভবত সেগুলোতে কোনো প্রকার কারসাজি বা হস্তক্ষেপ করেছেন। রাজা তখনও বর্ধমান থেকে অনুপস্থিত ছিলেন; এমনকি রাজার নিজস্ব দেওয়ানও গভর্নরকে বর্ধমানে একজন স্থানীয় তহসিলদার পাঠানোর জন্য জোর অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

মার্চ মাসের শেষে ঘোষণা করা হয় যে, মি. সামনার দু’দিনের মধ্যে বর্ধমানে এসে পৌঁছাবেন, কিন্তু ৩রা এপ্রিলও রাজার রাজস্ব কর্মকর্তারা কলকাতায় ছিলেন এবং বিগত ও আসন্ন বছরগুলোর জন্য একটা কিস্তিবন্দী (কিস্তিবন্দী প্রথা হলো উপনিবেশিক বাংলায় জমিদারের পাওনা খাজনা বা দেনা পরিশোধের একটা নির্দিষ্ট সময়সূচীভিত্তিক চুক্তি, যেখানে রায়ত বা প্রজারা তাদের খাজনা কিস্তিতে বা কয়েকটি ভাগে পরিশোধ করার সুযোগ পেত। এই ব্যবস্থায়, জমিদারের গোমস্তারা অনাদায়ী খাজনা আদায়ের জন্য রায়তের সাথে কিস্তিবন্দী চুক্তি করত। এটি সাধারণত খাজনা আদায়ের একটা প্রশাসনিক ব্যবস্থা ছিল, যা বাংলার জমিদার ও রায়তের কথা অনুযায়ী জমিদারের দৌহিত্রীর বিবাহ বা অন্নপ্রাশনের মতো খরচের জন্য টাকা আদায়ের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হতো। এখানে পাওনাদার জমিদার কোম্পানি আর কিস্তিবন্দী করছেন বর্ধমানের জমিদার- অনুবাদক) পরিকল্পনা করা হয়েছিল। দশ দিন পর তিলক চাঁদ গভর্নরকে মি. সামনারকে ফিরিয়ে আনার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি লেখেন। ১৩ তারিখে জানানো হয় যে সামনার “শীঘ্রই বর্ধমানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন,” এবং এক সপ্তাহ পরে এই সংবাদ পুনরাবৃত্তি করা হয়। সামনারকে ফেরত পাঠানোর কারণ ছিল, “রামধন নাজি খবর দিয়েছেন যে দেশটি অসন্তুষ্ট এবং কিছু খারাপ গুজবের কারণে জেলার ব্যবস্থাপক ও প্রজারা রাজার জমিদারী থেকে পালিয়ে যাচ্ছে।” “মি. সামনার রাজার ইচ্ছানুযায়ী কাজ করবেন এবং রাজস্ব আদায়ে সহায়তা করবেন।” উল্লিখিত সমস্যাগুলোর কারণে রাজার মন পরিবর্তন হয়ে থাকতে পারে: আশা করা যায় যে, তিনি যে চিঠিতে লিখেছিলেন, “মি. সামনারের আগমনে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছেন,” তা নিছক একটা সৌজন্যমূলক উক্তি ছিল না। ১৫ই জুন, ১৭৬১ তারিখে রাজা মি. সামনারের হাতে “তার ভোগ করা কষ্ট” বিষয়ে অভিযোগ করে একটা চিঠি লেখেন।

বাংলা থেকে কোর্টে পাঠানো ১২ই নভেম্বর ১৭৬১-র সাধারণ চিঠিতে সামনারের প্রতিনিধি দলের বিবরণ দেওয়া হয়েছে:-

“৭২. মার্চে মিঃ সামনারকে বর্ধমানে যাওয়ার জন্য বলা হল; ইতিমধ্যেই রাজা প্রধান উকিলের মাধ্যমে প্রস্তাব পেশ করে জানালেন, বর্তমান বাংলা বছরের জন্য মালগুজারি (অথবা রাজস্বের সরকারি অংশ, এখন কোম্পানির প্রাপ্য) [মালগুজারি — মূলত ভারতের প্রাচীন ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা, উপনিবেশিক ভারতেও ছিল — যার অর্থ সরকারকে দেয় জমির খাজনা বা ভূমি রাজস্ব। মূলত আউধ অঞ্চলসহ উত্তর পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে চালু। সাধারণত এই সব অঞ্চলের মালগুজার বা জমিদাররা কৃষকদের থেকে ভূমি রাজস্ব আদায় করে সরকারের কাছারিতে জমা দিতেন — অনুবাদক] ২৫,২০,৬৬১ টাকা ৮ আনা এবং পরবর্তী বছরে ২৮,৫৬,১১৯ টাকা ৭ আনা ৬ পয়সা বাড়বে। পর পর দুবছরের এই অঙ্কের পার্থক্যকে আমরা বড় পরিমানে রাজস্ব বৃদ্ধি হিসেবে গণ্য করেছিলাম বলেই এই শর্তে রাজি হয়েছিলাম। এবং সেই অনুযায়ী মিঃ সামনারকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। কিন্তু, তিনি আরও কিছু তথ্য সংগ্রহ করে বোর্ডকে জানালেন তাঁর অনুমান, আরও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হলে কোম্পানির পক্ষে আরও বড় লাভজনক শর্তে রাজস্ব আদায়ের প্রস্তাব দেওয়া সম্ভব। ফলে তাঁকে বর্ধমানে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে দেশের প্রকৃত উৎপাদন সম্পর্কে সম্পূর্ণ তদন্ত করে উপযুক্ত তথ্য জোগাড়ের ক্ষমতা দেওয়া হল। তিনি অত্যন্ত অধ্যবসায়ে এবং আমাদের সন্তুষ্টি বিধান করে এই দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৫ই জুন বারোটি নথি সহ তাঁর বিস্তারিত কার্যবিবরণী বোর্ডের সামনে পেশ করেন। এর মধ্যে ৭ নম্বর হলো বর্ধমান প্রদেশের মোট উৎপাদনের হিসাব — যা একচল্লিশ লক্ষ আটান্ন হাজার সাতশো সাত টাকা চৌদ্দ আনা দুই পয়সা (৪১,৫৮,৭০৭-১৪-২ টাকা)। ১০ নম্বর — ১০ নম্বর শর্তটি হলো, মালগুজারির বিবরণ; এটি এমন একটা অবস্থা যেখানে রাজাকে প্রতি বছর ত্রিশ লক্ষ সিক্কা টাকা (৩০,০০,০০০ সিক্কা টাকা) প্রদান করতে বাধ্য থাকতে হয়, তবে জনশত্রুদের দ্বারা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না। এই পরিমান টাকা মিঃ সামনার বর্ধমানের রাজার থেকে প্রত্যায়িত করেছিলেন; যেহেতু এই দেশে নবোবদের জন্য এটি রীতিগত যে তারা মালগুজারির বাইরেও যে কোনও ক্ষেত্রে অসাধারণ ব্যয়ে, যেমন নতুন বাহিনী গঠন, দুর্গ নির্মাণ ইত্যাদির জন্য বিভিন্ন রাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করতে পারতেন। মিস্টার সামনারের মনে হয়েছিল যে, বর্তমান বছরের জন্য আমরা যুক্তিসঙ্গতভাবেই এই ধরনের কিছু দাবি করতে পারি, কারণ আমাদের দখল গ্রহণের সময় রাজা যে গোলযোগে জড়িয়ে পড়েছিলেন, তার ফলে আমাদের অস্বাভাবিক রকমের অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছিল এবং এখন তিনি ইংরেজ সৈন্যদের যে সহায়তা পাচ্ছেন, তা তাকে তার নিজের সৈন্যদের একটা বড় অংশকে অব্যাহতি দিতে সাহায্য করবে; [আদতে এই চাকরিগুলো খেয়ে নেওয়াই না, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আরও বহু পদক্ষেপকে আমরা কলোণিয়ালিজম এন্ড ইন্ডিয়ান ইকনমি সূত্রে বিশ্বের প্রথম স্ট্রাকচার এডজাস্টমেন্ট পলিসি বলতে পারি — অনুবাদক]; সেই যুক্তি অনুসারে, কিছু আপত্তির পর তিনি এই বাবদ আড়াই লক্ষ টাকা পরিশোধের জন্য আরেকটি স্বীকারোক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। বছরের শেষে দেখা যায় গত বছরের রাজস্বের পাঁচ লক্ষেরও বেশি টাকার বকেয়া পাওনা অপরিশোধিত ছিল, এবং রাজা এবং তার কর্মকর্তারা ঘোষণা করেন এই টাকা দেশে বুর্গি হ্যাঙ্গামের ধাক্কায় অনাদায়ী রয়েছে। এর একটা অংশ মি. সামনার সংগ্রহ করেন এবং নতুন বছরের জন্য রাজার সাথে যখন আমরা চুক্তি করি, তখন যা বকেয়া ছিল তার জন্য তিনি আরেকটি অঙ্গীকারপত্র তৈরি করেন যার পরিমাণ ছিল চার লক্ষ এগারো হাজার আটশ সাতান্ন টাকা তেরো আনা চার পয়সা (৪,১১,৮৫৭-১৩-৪ টাকা)। অতএব, চলতি বছরের জন্য বর্ধমান থেকে প্রাপ্য অর্থের সম্পূর্ণ হিসাবটি নিম্নরূপ :

চলবে

ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট ফ্রম দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দি অ্যাফেয়ার্স অফ দি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সংক্ষেপে দ্য ফিফথ রিপোর্ট।

বিশ্বেন্দু নন্দ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

পেজফোরনিউজ শারদোৎসব বিশেষ সংখ্যা ২০২৫ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন